শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকিত কম্পনটি কী কারণে সংঘটিত হয় বর্ণনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের উল্লিখিত ঘটনাটি হলো ভূমিকম্প। বিভিন্ন কারণে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। নিম্নে তা আলোচনা করা হলো- পাতের চলনজনিত ভূমিকম্প: পৃথিবীর ভূত্বক কতকগুলো ছোটোবড় চলনশীল পাতের সমন্বয়ে গঠিত। এ রকম দুটি পাতের পরস্পরের দিকে বা পরস্পরের বিপরীত দিকে চলনের ফলে পাত সীমান্ত বরাবর ভূমিকম্প হয়ে থাকে। এই পাত চলনগতির কারণেই সারা পৃথিবীব্যাপী ভূমিকম্পের প্রধান কারণ। স্থিতিস্থাপক প্রত্যাঘাত মতবাদ: পৃথিবীর ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পগুলোর কারণ হিসেবে H.F Ried স্থিতিস্থাপক প্রত্যাঘাত মতবাদ প্রকাশ করেন। তার মতে ভূআন্দোলনের ফলে শিলাস্তরে প্রবল পীড়নের ফলে চ্যুতিতল বরাবর শিলার ভাঙন ও স্খলন ঘটলে আকস্মিক ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। অগ্ন্যুৎপাতজনিত ভূমিকম্প: আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাতের সময় ভূমিকল্প অনুভূত হয়। সাধারণত যেসব আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণ সহকারে আগ্ন্যুৎপাত ঘটায়, তার আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে প্রবল ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূগর্ভস্থ বাষ্পরাশির চাপ: ভূগর্ভের মধ্যে সঞ্চিত বাষ্পপুঞ্জের পরিমাণ যখন অত্যধিক হয়ে যায়, তখন তা প্রবলবেগে শিলাস্তরে ধাক্কা দেয়। এর ফলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তাপীয় সংকোচনজনিত ভূমিকম্প: সৃষ্টির পর থেকে উত্তপ্ত পৃথিবী ক্রমশ তাপ বিকিরণের মাধ্যমে শীতল হচ্ছে। পৃথিবীর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন হলেও অভ্যন্তরভাগ এখনও অত্যধিক উত্তপ্ত রয়েছে। ফলে উপরের ও নিচের স্তরের মধ্যে আয়তনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, তাই ভারসাম্য-রক্ষার জন্য ভূপৃষ্ঠের কিছু অংশ অবনমিত হয়ে ভাঁজের সৃষ্টি হয়। এরূপ পুনর্বিন্যাসের সময় মাঝে মাঝে ভূমিকম্প হয়। ধস: ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে বিশেষত পার্বত্য অঞ্চলে যখন ভূমিধস নামে তখন বিশাল পাথরের স্তূপ প্রবলবেগে নিচে পতিত হয়ে ভূ-কম্পন সৃষ্টি করে। হিমানি সম্প্রপাত: সুউচ্চ পর্বতমালার বরফাচ্ছন্ন শিখর থেকে বিশাল বরফের স্তূপ বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রবলবেগে নিচে পতিত হয়ে ভূমিকম্প সৃষ্টি করে। সুতরাং উপরিউক্ত প্রাকৃতিক কারণসমূহ ভূগর্ভে বিস্ফোরণ, কৃত্রিম জলাধার প্রভৃতি মানবীয় কারণেও ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে।

HSC Geography 1st Paper Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকিত কম্পনটি কী কারণে সংঘটিত হয় বর্ণনা কর।

উদ্দীপক

ভূঅভ্যন্তরের বিপুল শক্তি কখনো কখনো ভূপৃষ্ঠের বাইরে বেরিয়ে আসতে চায়। যখন বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে না তখন ভূত্বকে কম্পনের সৃষ্টি করে। আবার কখনো কখনো এই বিপুল শক্তি লাভা আকারে ভূপৃষ্ঠের বাইরে বেরিয়ে আসে।

উত্তর

ক্ষয়ীভবনের ফলে নিচের শিলারাশি উন্মুক্ত হয়ে পড়লে তাকে নগ্নীভবন বলে।

উত্তর

নদীতে হঠাৎ জলপ্রবাহের পরিমাণ বেড়ে গেলে বন্যা বা প্লাবন দেখা দেয়। এ সময় দুই তীর বা কূল ছাপিয়ে যেই জল অনেক দূর পর্যন্ত প্লাবিত করে। নদীর জলের সঙ্গে যেসব পলি, বালি, কাদা থাকে সেগুলো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বন্যা শেষে ওই জল যখন নদীতে ফিরে আসে, তখন নদীর গতিবেগ কম থাকে বলে নদীবাহিত পদার্থের সবটা নদীখাতে ফিরে আসে না, অনেকটাই প্লাবিত অঞ্চলে সঞ্চিত হয়। এভাবে বছরের পর বছর নদীর দুই পাশে বা উপত্যকায় পলি, বালি, কাদা সঞ্চিত হতে হতে নতুন যে ভূমিভাগ গঠিত হয় তাই প্লাবন সমভূমি নামে পরিচিত।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত ঘটনাটি হলো ভূমিকম্প। বিভিন্ন কারণে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। নিম্নে তা আলোচনা করা হলো- পাতের চলনজনিত ভূমিকম্প: পৃথিবীর ভূত্বক কতকগুলো ছোটোবড় চলনশীল পাতের সমন্বয়ে গঠিত। এ রকম দুটি পাতের পরস্পরের দিকে বা পরস্পরের বিপরীত দিকে চলনের ফলে পাত সীমান্ত বরাবর ভূমিকম্প হয়ে থাকে। এই পাত চলনগতির কারণেই সারা পৃথিবীব্যাপী ভূমিকম্পের প্রধান কারণ। স্থিতিস্থাপক প্রত্যাঘাত মতবাদ: পৃথিবীর ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পগুলোর কারণ হিসেবে H.F Ried স্থিতিস্থাপক প্রত্যাঘাত মতবাদ প্রকাশ করেন। তার মতে ভূআন্দোলনের ফলে শিলাস্তরে প্রবল পীড়নের ফলে চ্যুতিতল বরাবর শিলার ভাঙন ও স্খলন ঘটলে আকস্মিক ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। অগ্ন্যুৎপাতজনিত ভূমিকম্প: আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাতের সময় ভূমিকল্প অনুভূত হয়। সাধারণত যেসব আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণ সহকারে আগ্ন্যুৎপাত ঘটায়, তার আশেপাশের অঞ্চলগুলোতে প্রবল ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূগর্ভস্থ বাষ্পরাশির চাপ: ভূগর্ভের মধ্যে সঞ্চিত বাষ্পপুঞ্জের পরিমাণ যখন অত্যধিক হয়ে যায়, তখন তা প্রবলবেগে শিলাস্তরে ধাক্কা দেয়। এর ফলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তাপীয় সংকোচনজনিত ভূমিকম্প: সৃষ্টির পর থেকে উত্তপ্ত পৃথিবী ক্রমশ তাপ বিকিরণের মাধ্যমে শীতল হচ্ছে। পৃথিবীর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন হলেও অভ্যন্তরভাগ এখনও অত্যধিক উত্তপ্ত রয়েছে। ফলে উপরের ও নিচের স্তরের মধ্যে আয়তনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, তাই ভারসাম্য-রক্ষার জন্য ভূপৃষ্ঠের কিছু অংশ অবনমিত হয়ে ভাঁজের সৃষ্টি হয়। এরূপ পুনর্বিন্যাসের সময় মাঝে মাঝে ভূমিকম্প হয়। ধস: ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে বিশেষত পার্বত্য অঞ্চলে যখন ভূমিধস নামে তখন বিশাল পাথরের স্তূপ প্রবলবেগে নিচে পতিত হয়ে ভূ-কম্পন সৃষ্টি করে। হিমানি সম্প্রপাত: সুউচ্চ পর্বতমালার বরফাচ্ছন্ন শিখর থেকে বিশাল বরফের স্তূপ বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রবলবেগে নিচে পতিত হয়ে ভূমিকম্প সৃষ্টি করে। সুতরাং উপরিউক্ত প্রাকৃতিক কারণসমূহ ভূগর্ভে বিস্ফোরণ, কৃত্রিম জলাধার প্রভৃতি মানবীয় কারণেও ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে।

উত্তর

উদ্দীপকে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের চিত্র দেখানো হয়েছে। নিচে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলাফল বিশ্লেষণ করা হলো- দ্বীপের সৃষ্টি: সমুদ্রবক্ষে আগ্নেয়গিরির লাভা সঞ্চিত হলে ধীরে ধীরে দ্বীপের সৃষ্টি হয়। গহ্বরের সৃষ্টি: কখনো কখনো অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূপৃষ্ঠের কিছু অংশ ধসে গিয়ে গভীর গহ্বরের সৃষ্টি হয়। মালভূমির সৃষ্টি: অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূগর্ভস্থ লাভা নির্গত হয়। এ লাভা সঞ্চিত হয়ে মালভূমির সৃষ্টি হয় আবার লাভা সঞ্চিত হয়ে অনেক সময় নিম্নভূমি ভরাট হয়ে বিশাল আকৃতির সমভূমি সৃষ্টি হয়। হ্রদের সৃষ্টি: মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে বৃষ্টির পানি সঞ্চিত হয়ে হ্রদের সৃষ্টি করে। ঝড় ও ঢেউয়ের সৃষ্টি: অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্র উপকূলে ঝড় ও ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। নদীর গতি পরিবর্তন: আগ্নেয়গিরির লাভা কখনো কখনো নদীগর্ভে সঞ্চিত হয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে দেয়। সুতরাং বলা যায় যে, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে উপরোল্লিখিত কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়।
HSCGeography 1st PaperChapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মালভূমি কাকে বলে?

মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।মালভূমি কাকে বলে?চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।জলযোজন ব্যাখ্যা কর।গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকের আলোকিত কম্পনটি কী কারণে সংঘটিত হয় বর্ণনা কর। | Prosthuti