শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে নদীর পর্যায়সমূহ বর্ণনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে একটি নদীর উৎপত্তিস্থল হতে মোহনা পর্যন্ত নদীর গতিপ্রবাহ তথা পর্যায়ের কথা বলা হয়েছে। একটি আদর্শ নদীর গতিকে ৪টি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যেমন- ১. প্রাথমিক অবস্থা, ২. যৌবন অবস্থা, ৩. প্রবীণ অবস্থা ও ৪. বার্ধক্য অবস্থা। নদীর প্রাথমিক অবস্থার সময় পার্বত্য অঞ্চলে বৃষ্টি ও বরফগলা পানি সরবরাহ খুব বেশি। পার্বত্য অঞ্চল থেকে ছোট ছোট স্রোতধারাগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে একটি প্রবলস্রোতধারার সৃষ্টি করে। ভূমির ঢাল খাড়া হওয়ায় প্রবল স্রোতধারাটি ক্ষয়সাধন করতে করতে অগ্রসর হয়। এ সময় নদী উপত্যকা গভীর হয়। প্রবল স্রোতের বেগ বড় বড় পাথর, নুড়ি প্রভৃতি স্রোতের সাথে বহন করে। এটি নদী সৃষ্টির প্রথম অবস্থা বলে একে প্রাথমিক অবস্থা বলে। যৌবন অবস্থার সময় নদী পরিপূর্ণতা লাভ করে। সাধারণত পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত নদীর স্রোতের বেগ প্রবল থাকে। এই অবস্থায় ক্ষয় ও বহন উভয় প্রক্রিয়া কার্যকর থাকলেও ক্ষয়কার্যের প্রাধান্য থাকে এবং নদীর খাত 'V [গণিত] অক্ষরের ন্যায় হয়। নদীখাতের কোথাও বর্তুলাকার গর্ত দেখা যায়। নদী প্রবাহের মধ্যবর্তী এই অবস্থাকে যৌবন অবস্থা বলে। নদীর তৃতীয় পর্যায় হচ্ছে প্রবীণ অবস্থা। এ সময় নদীর স্রোতের বেগ হ্রাস পাওয়ায় ক্ষয়সাধন ও পরিবহন ক্ষমতাও হ্রাস পায়। নদীবাহিত পলি নদীর তলদেশে সঞ্চিত হয়ে তলদেশের গভীরতা কমে যায়। ক্ষয়কার্য সামান্য হয় বলে নদীর পার্শ্বীয় ক্ষয় অর্ধেক হয় এবং নদীখাত ইংরেজি ইউ অক্ষরের ন্যায় খাত সৃষ্টি করে। তখন নদী সমভূমির উপর দিয়ে আঁকাবাঁকা গতিতে প্রবাহিত হয়। কোথাও কোথাও অশ্বখুরাকৃতি হ্রদের সৃষ্টি হয়। সর্বোপরি, নদীর জীবনকালের এটি তৃতীয় পর্যায় বলে একে প্রবীণ অবস্থা বলে। নদীর সর্বশেষ অবস্থা হলো বার্ধক্য অবস্থা। এসময় নদীর ক্ষয়কার্য ও বহনকার্য হয় না বললেই চলে। তবে এখানে নদীর সাথে বাহিত বিভিন্ন পদার্থ মোহনায় সঞ্চয়ের ফলে প্লাবন সমভূমি, বদ্বীপ সমভূমি প্রভৃতি ভূমিরূপ সৃষ্টি করে। সুতরাং বলা যায়, উল্লিখিত ৪টি পর্যায়ের মাধ্যমে নদী তার কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটায়।

HSC Geography 1st Paper Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে নদীর পর্যায়সমূহ বর্ণনা কর।

উদ্দীপক

নদীর উৎপত্তি হয় পর্বত গাত্রে, সেখান থেকে নদী সমভূমিতে এসে পৌছায় এবং সর্বশেষ বদ্বীপ পর্যায় এসে নদী বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং সর্বশেষ সাগর বা মহাসাগরে গিয়ে মিশে। নদী তার প্রতি পর্যায়ে ব্যাপকভাবে ভূমিরূপের ক্ষয়সাধন করে থাকে।

উত্তর

বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের শতকরা পরিমাণ ০.০৩।

উত্তর

ট্রপোস্ফিয়ার হলো বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর। এর গড় উচ্চতা ১৩ কি.মি.। এই স্তরে রয়েছে ধূলিকণা এবং জলীয়বাষ্প। ফলে মেঘ, বৃষ্টিপাত এস্তরে সংঘটিত হয়। জলবায়ু এবং আবহাওয়ার সমস্ত পরিবর্তন এই স্তরে ঘটে। এখানে মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদকুল বসবাস উপযোগী সব ধরনের গ্যাসীয় পদার্থ রয়েছে। মানুষ ও প্রাণী এবং উদ্ভিদকুল বসবাসের জন্য সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকায় বায়ুমণ্ডলের এই স্তরটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।

উত্তর

উদ্দীপকে একটি নদীর উৎপত্তিস্থল হতে মোহনা পর্যন্ত নদীর গতিপ্রবাহ তথা পর্যায়ের কথা বলা হয়েছে। একটি আদর্শ নদীর গতিকে ৪টি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যেমন- ১. প্রাথমিক অবস্থা, ২. যৌবন অবস্থা, ৩. প্রবীণ অবস্থা ও ৪. বার্ধক্য অবস্থা। নদীর প্রাথমিক অবস্থার সময় পার্বত্য অঞ্চলে বৃষ্টি ও বরফগলা পানি সরবরাহ খুব বেশি। পার্বত্য অঞ্চল থেকে ছোট ছোট স্রোতধারাগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে একটি প্রবলস্রোতধারার সৃষ্টি করে। ভূমির ঢাল খাড়া হওয়ায় প্রবল স্রোতধারাটি ক্ষয়সাধন করতে করতে অগ্রসর হয়। এ সময় নদী উপত্যকা গভীর হয়। প্রবল স্রোতের বেগ বড় বড় পাথর, নুড়ি প্রভৃতি স্রোতের সাথে বহন করে। এটি নদী সৃষ্টির প্রথম অবস্থা বলে একে প্রাথমিক অবস্থা বলে। যৌবন অবস্থার সময় নদী পরিপূর্ণতা লাভ করে। সাধারণত পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত নদীর স্রোতের বেগ প্রবল থাকে। এই অবস্থায় ক্ষয় ও বহন উভয় প্রক্রিয়া কার্যকর থাকলেও ক্ষয়কার্যের প্রাধান্য থাকে এবং নদীর খাত 'V′V^{\prime} অক্ষরের ন্যায় হয়। নদীখাতের কোথাও বর্তুলাকার গর্ত দেখা যায়। নদী প্রবাহের মধ্যবর্তী এই অবস্থাকে যৌবন অবস্থা বলে। নদীর তৃতীয় পর্যায় হচ্ছে প্রবীণ অবস্থা। এ সময় নদীর স্রোতের বেগ হ্রাস পাওয়ায় ক্ষয়সাধন ও পরিবহন ক্ষমতাও হ্রাস পায়। নদীবাহিত পলি নদীর তলদেশে সঞ্চিত হয়ে তলদেশের গভীরতা কমে যায়। ক্ষয়কার্য সামান্য হয় বলে নদীর পার্শ্বীয় ক্ষয় অর্ধেক হয় এবং নদীখাত ইংরেজি ইউ অক্ষরের ন্যায় খাত সৃষ্টি করে। তখন নদী সমভূমির উপর দিয়ে আঁকাবাঁকা গতিতে প্রবাহিত হয়। কোথাও কোথাও অশ্বখুরাকৃতি হ্রদের সৃষ্টি হয়। সর্বোপরি, নদীর জীবনকালের এটি তৃতীয় পর্যায় বলে একে প্রবীণ অবস্থা বলে। নদীর সর্বশেষ অবস্থা হলো বার্ধক্য অবস্থা। এসময় নদীর ক্ষয়কার্য ও বহনকার্য হয় না বললেই চলে। তবে এখানে নদীর সাথে বাহিত বিভিন্ন পদার্থ মোহনায় সঞ্চয়ের ফলে প্লাবন সমভূমি, বদ্বীপ সমভূমি প্রভৃতি ভূমিরূপ সৃষ্টি করে। সুতরাং বলা যায়, উল্লিখিত ৪টি পর্যায়ের মাধ্যমে নদী তার কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটায়।

উত্তর

উদ্দীপকের শেষোক্ত লাইনে বলা হয়েছে যে, নদী তার গতি পর্যায়ে ব্যাপকভাবে ভূমিরূপের ক্ষয়সাধন করে থাকে। উক্ত ক্ষয়সাধনের হাত থেকে রক্ষা পেতে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে তা নিম্নে আলোচনা করা হলো- আমরা জানি, পার্বত্য অবস্থায় ভূমিগুলো বেশি ঢালু বলে এখানে নদীর প্রবাহ খুব বেশি বলে সবচেয়ে বেশি ভূমিক্ষয় হয় এ অবস্থায়। তাই পার্বত্য এলাকার নদীগুলোর প্রবাহ কিছুটা কমানোর জন্য পাহাড়র ঢাল সিঁড়ির মতো করে দিলে গতি কিছুটা কমবে এবং ভূমিক্ষয় কম হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা জরুরি। নদী কমিশনকে প্রয়োজনীয় এলাকায় নদী ও খাল পুনঃখননের ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হতে পারে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঙ্গে নদীর সঠিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে, যাতে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি নদীতে চলে যেতে পারে। নদী কমিশনকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বন্যার সময় অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। নদী কমিশনকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং অন্যান্য প্রতিরোধমূলক অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করতে হবে। নদী, খাল এবং জলাশয়গুলোর মধ্যে সংযোগস্থাপন করে পানি নিষ্কাশনের একটি সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার। এতে পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হবে এবং জলাদ্ধতার সমস্যা কমবে। নদী কমিশনকে এই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে হবে। নদীর দু'পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার করা। এতে নদীর পাড়ের মৃত্তিকা শক্ত হবে এবং সহজে নদীর দু'পাড় ভাঙবে না। নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি করার জন্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। নদীর তলদেশ খনন করার মাধ্যমে নদীর দু'কূল প্লাবিত হওয়া অনেকটা রোধ হতে পারে। এতে দুপাড়ের ভূমিগুলোর ক্ষয় অনেকাংশে কমে আসবে। সুতরাং বলা যায়। যে, উপরোল্লিখিত 'পদক্ষেপ গ্রহণ করার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদির ১৮ আইন। প্রয়োগ, সুশাসন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করার মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভূমিরূপের ক্ষয়সাধন রোধ করা যেতে পারে।
HSCGeography 1st PaperChapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মালভূমি কাকে বলে?

মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।মালভূমি কাকে বলে?চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।জলযোজন ব্যাখ্যা কর।গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।