বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জনগণের কল্যাণে বিরাট ভূমিকা রাখছে- এ সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।
উত্তর: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জনগণের কল্যাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে আমি মনে করি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন একটি দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোকে শক্তিশালী করে। বিশেষ করে ই-গভর্নেন্সের বা ইলেকট্রনিক গভর্নেন্সের মাধ্যমে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং গতিশীলতা নিশ্চিত হয়। এটি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে জনগণের ভোগান্তি লাঘব করে এবং রাষ্ট্রীয় সেবাকে সহজলভ্য করে তোলে। প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হওয়ায় নাগরিকরা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে পারে। উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাগুলো যেমন-মোবাইলে বার্তা পাঠানো, অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং ঘরে বসে সরকারি সেবা পাওয়া- সবই, প্রযুক্তির কল্যাণকর দিক। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে সময় ও অর্থের সাশ্রয় হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্ত সেবা পাচ্ছে। উদ্দীপকের এই চিত্রটি প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তি কীভাবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ ও উন্নত করেছে এবং রাষ্ট্রীয় সেবাকে জনগণের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। পরিশেষে বলা যায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার একটি সমৃদ্ধ ও ডিজিটাল রাষ্ট্র গঠনে অপরিহার্য। এটি কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। তবে এই প্রযুক্তির সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে হলে ডিজিটাল বিভাজন দূর করা এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। উদ্দীপকের আলোকে এটি স্পষ্ট যে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জনগণের সার্বিক কল্যাণে এবং একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভূমিকা পালন করছে।
HSC Civics 1st Paper Chapter 4 : ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Civics 1st Paper · Chapter 4 : ই-গভর্নেন্স ও সুশাসন · সৃজনশীল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জনগণের কল্যাণে বিরাট ভূমিকা রাখছে- এ সম্পর্কে ত…
উদ্দীপক
হলিক্রস কলেজ · 2026
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর