শেয়ারFacebookWhatsApp

"উক্ত সাম্য ব্যতীত অন্যান্য সাম্য অর্থহীন"- তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: উদ্দীপকের ঘটনা দ্বারা অর্থনৈতিক বৈষম্যকে নির্দেশ করা হয়েছে। সমাজে যদি অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করা না যায় তাহলে অন্যান্য সাম্য (তথা-সামাজিক, রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত বা নাগরিক ও আইনগত সাম্য) অর্থহীন। এ ব্যাপারে আমি একমত পোষণ করি। নিম্নে এ ব্যাপারে যুক্তি দেয়া হলো- সাম্য একটি অখন্ড ধারণা। তাই একে ভাগ করা যায় না। তবে একে বিভিন্ন দিক থেকে ব্যাখ্যা করা যায়। যেমন- সমাজে অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে অন্যান্য সাম্য এমনিই প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। আর তাই অর্থনৈতিক সাম্যের সাথে অন্যান্য সাম্যের সম্পর্ক বিদ্যমান। যেমন- সামাজিক সাম্য: জাতি-ধর্ম-বর্ণ ও পেশাগত কারণে যখন মানুষে মানুষে কোনো পার্থক্য করা হয় না তখন তাকে সামাজিক সাম্য বলে। সামাজিক সাম্যের মূল কথা হলো সমাজে বসবাসরত সকল মানুষ যোগ্যতা অনুযায়ী একই ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে। আর সমাজে অর্থনৈতিক সাম্য বজায় থাকলে সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক সাম্য: রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অধিকার ভোগের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ থাকাকেই রাজনৈতিক সাম্য বলে। জাতি- ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন নাগরিক যখন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে বা সাধারণ ভোটদাতা হিসেবে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে তখনই কোনো দেশে রাজনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু যদি নাগরিকের রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অধিকার ভোগের বেলায় অর্থনৈতিক সাম্য বজায় না থাকে তাহলে রাজনৈতিক সাম্য অর্থহীন হয়ে যাবে। সকলেই সমান' এটিই হচ্ছে আইনগত আইনগত সাম্য: 'আইনের চোখে সাম্যের মূল কথা। যখন সকল মানুষের আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ থাকে- তখনই আইনগত সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। আবার সমাজে যদি অর্থনৈতিক সাম্য বজায় থাকে তাহলে দুর্বলের ওপর সবলের আধিপত্য থাকবে না। ফলে টাকার জোরে কেউ আইন লংঘন করতে পারবে না। নাগরিক সাম্য বা ব্যক্তিগত সাম্য: নাগরিক সাম্য বা ব্যক্তিগত সাম্যের অর্থ হলো সমাজে সকল নাগরিকের সমান অধিকার থাকা। সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের নাগরিক সাম্য বা ব্যক্তিগত সাম্য থাকতে হবে। আর অর্থনৈতিক সাম্যভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ব্যতীত নাগরিক বা ব্যক্তিগত সাম্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। উপর্যুক্ত আলোচনার শেষে বলা যায়, উল্লিখিত বিভিন্ন সাম্য ব্যবস্থা তখনই সফল হবে যখন অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে।

HSC Civics 1st Paper Chapter 3 : মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Civics 1st Paper · Chapter 3 : মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য · সৃজনশীল

"উক্ত সাম্য ব্যতীত অন্যান্য সাম্য অর্থহীন"- তোমার উত্তরের সপক্ষে যু…

উদ্দীপক

তমাল ও তিন্নি একটি হোটেলে একই ধরনের কাজ করে। তাদের কাজের দক্ষতাও সমান। মাস শেষে তিন্নি তমালের চেয়ে পাঁচশত টাকা বেতন কম পায়। তিন্নি এর কারণ জানতে চাইলে হোটেল কর্তৃপক্ষ কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি।

Chittagong · 2017

উত্তর

রাষ্ট্র যেসব নিয়ম তৈরি করে, অনুমোদন দেয় এবং বলবৎ করে সেগুলোকে আইন বলা হয়।

উত্তর

স্বাধীনতাকে অক্ষুন্ন ও অটুট রাখার জন্য কতগুলো পদ্ধতি রয়েছে। এ পদ্ধতিগুলোকে স্বাধীনতার রক্ষাকবচ বলে। স্বাধীনতার দুটি রক্ষাকবচ হলো- ১. আইন: আইন স্বাধীনতার শর্ত ও প্রধান রক্ষাকবচ। আইন স্বাধীনতা ভোগের পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং স্বাধীনতাকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে তোলে। রাষ্ট্র আইনের সাহায্যে মানুষের অবাধ স্বাধীনতাকে নিয়ন্ত্রণ করে। আইন আছে বলেই স্বাধীনতা সকলের নিকট সমভাবে উপভোগ্য হয়ে ওঠে। ২. দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা: দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থা স্বাধীনতার অন্যতম রক্ষাকবচ। এ ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ তার অনুসৃত নীতি ও কার্যাবলির জন্য আইনসভার কাছে দায়ী থাকে। ফলে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে ব্যক্তিস্বাধীনতা বিরোধী কাজে লিপ্ত হতে সাহসী হয় না।

উত্তর

তিন্নি অর্থনৈতিক সাম্য ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, রাহেলা প্রতিদিন সকাল ৮.০০টা থেকে বিকাল ৫.০০টা পর্যন্ত দিন মজুরের কাজ করে। কাজ শেষে মজুরি নিতে গেলে কর্তৃপক্ষ পুরুষ শ্রমিকের চেয়ে তাকে কম মজুরি দেয়। কর্তৃপক্ষের এ ধরনের কার্যক্রমে অর্থনৈতিক সাম্য লঙ্ঘিত হয়েছে। অর্থনৈতিক সাম্য বলতে দক্ষতা ও যোগ্যতানুসারে আয় ও ধন-সম্পদে প্রত্যেক ব্যক্তির সুযোগ-সুবিধা লাভের সমতাকে বোঝায়। অধ্যাপক লাঙ্কি বলেছে, "অর্থনৈতিক সাম্য ব্যতীত প্রকৃত রাজনৈতিক সাম্য অর্থহীন।" এটি ব্যতীত রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্থনৈতিক ক্ষমতার দাসে পরিণত হয়। অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ সকল সম্পদ সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া নয়, বরং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নারী-পুরুষ, ধনী- দরিদ্র সকল মানুষ তাদের সম্পাদিত কাজের ন্যায্য মজুরি পাবার সুবিধা লাভ অর্থনৈতিক সাম্য। এর মূলকথা হচ্ছে, যোগ্যতা অনুযায়ী সম্পদ ও সুযোগের বণ্টন। তাই বলা যায় যে, পুরুষের সমান কাজ করেও কম মজুরি লাভের মাধ্যমে রাহেলার অর্থনৈতিক সাম্য ও সুযোগ-সুবিধা লাভের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনা দ্বারা অর্থনৈতিক বৈষম্যকে নির্দেশ করা হয়েছে। সমাজে যদি অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করা না যায় তাহলে অন্যান্য সাম্য (তথা-সামাজিক, রাজনৈতিক, ব্যক্তিগত বা নাগরিক ও আইনগত সাম্য) অর্থহীন। এ ব্যাপারে আমি একমত পোষণ করি। নিম্নে এ ব্যাপারে যুক্তি দেয়া হলো- সাম্য একটি অখন্ড ধারণা। তাই একে ভাগ করা যায় না। তবে একে বিভিন্ন দিক থেকে ব্যাখ্যা করা যায়। যেমন- সমাজে অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে অন্যান্য সাম্য এমনিই প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। আর তাই অর্থনৈতিক সাম্যের সাথে অন্যান্য সাম্যের সম্পর্ক বিদ্যমান। যেমন- সামাজিক সাম্য: জাতি-ধর্ম-বর্ণ ও পেশাগত কারণে যখন মানুষে মানুষে কোনো পার্থক্য করা হয় না তখন তাকে সামাজিক সাম্য বলে। সামাজিক সাম্যের মূল কথা হলো সমাজে বসবাসরত সকল মানুষ যোগ্যতা অনুযায়ী একই ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে। আর সমাজে অর্থনৈতিক সাম্য বজায় থাকলে সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক সাম্য: রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অধিকার ভোগের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ থাকাকেই রাজনৈতিক সাম্য বলে। জাতি- ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক এবং সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন নাগরিক যখন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে বা সাধারণ ভোটদাতা হিসেবে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে তখনই কোনো দেশে রাজনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু যদি নাগরিকের রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক অধিকার ভোগের বেলায় অর্থনৈতিক সাম্য বজায় না থাকে তাহলে রাজনৈতিক সাম্য অর্থহীন হয়ে যাবে। সকলেই সমান' এটিই হচ্ছে আইনগত আইনগত সাম্য: 'আইনের চোখে সাম্যের মূল কথা। যখন সকল মানুষের আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ থাকে- তখনই আইনগত সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। আবার সমাজে যদি অর্থনৈতিক সাম্য বজায় থাকে তাহলে দুর্বলের ওপর সবলের আধিপত্য থাকবে না। ফলে টাকার জোরে কেউ আইন লংঘন করতে পারবে না। নাগরিক সাম্য বা ব্যক্তিগত সাম্য: নাগরিক সাম্য বা ব্যক্তিগত সাম্যের অর্থ হলো সমাজে সকল নাগরিকের সমান অধিকার থাকা। সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকের নাগরিক সাম্য বা ব্যক্তিগত সাম্য থাকতে হবে। আর অর্থনৈতিক সাম্যভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ব্যতীত নাগরিক বা ব্যক্তিগত সাম্য প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। উপর্যুক্ত আলোচনার শেষে বলা যায়, উল্লিখিত বিভিন্ন সাম্য ব্যবস্থা তখনই সফল হবে যখন অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে।
HSCCivics 1st PaperChapter 3 : মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ছক-১ ছক-২ বাহ্যিক আচার আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে বাহ্যিক ও মানসিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে নির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট সার্বভৌম রাষ্ট্র কর্তৃক সমর্থিত সামাজিক বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ কোন বিপ্লবের স্লোগান ছিল?
খ
“সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থহীন”- ব্যাখ্যা করো।
গ
ছক-১ ও ছক-২-এর মধ্যে কোন সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ছক-১ ও ছক-২-এর ভূমিকা তুমি কীভাবে মূল্যায়ন করবে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ছক-১ ছক-২ বাহ্যিক আচার আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে বাহ্যিক ও মানসিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে নির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট সার্বভৌম রাষ্ট্র কর্তৃক সমর্থিত সামাজিক বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ কোন বিপ্লবের স্লোগান ছিল?
খ
“সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থহীন”- ব্যাখ্যা করো।
গ
ছক-১ ও ছক-২-এর মধ্যে কোন সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ছক-১ ও ছক-২-এর ভূমিকা তুমি কীভাবে মূল্যায়ন করবে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.“সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থহীন”- ব্যাখ্যা করো।

“সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থহীন”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ কোন বিপ্লবের স্লোগান ছিল?

সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ কোন বিপ্লবের স্লোগান ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঘটনা-১: দক্ষিণ আফ্রিকায় একসময় এখানকার কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি বর্ণবাদের শিকার হয়েছিলেন। শ্বেতাঙ্গ মানুষের সাথে একই স্কুলে তারা পড়াশোনা করতে, একই ট্রেনে যাতায়াত করতে ও একই মাঠে খেলাধুলা করতে পারত না। কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গের জন্য আলাদা আইন ছিল। ঘটনা-২: রহিমা একজন কারখানা শ্রমিক। দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করেন। কিন্তু দিন শেষে পারিশ্রমিক নিতে গিয়ে দেখেন, পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় তাকে কম পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে।

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
"Law is the Passionless reason - উক্তিটি কার?
খ
“নৈতিক মূল্যবোধ মানব জীবনকে তৃপ্তি দেয়”— উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের ঘটনা-১-এ উল্লিখিত রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী কোন ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের ঘটনা-২-এ রহিমা এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী একই ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত? বিশ্লেষণপূর্বক মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ঘটনা-১: দক্ষিণ আফ্রিকায় একসময় এখানকার কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি বর্ণবাদের শিকার হয়েছিলেন। শ্বেতাঙ্গ মানুষের সাথে একই স্কুলে তারা পড়াশোনা করতে, একই ট্রেনে যাতায়াত করতে ও একই মাঠে খেলাধুলা করতে পারত না। কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গের জন্য আলাদা আইন ছিল। ঘটনা-২: রহিমা একজন কারখানা শ্রমিক। দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করেন। কিন্তু দিন শেষে পারিশ্রমিক নিতে গিয়ে দেখেন, পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় তাকে কম পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে।

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
"Law is the Passionless reason - উক্তিটি কার?
খ
“নৈতিক মূল্যবোধ মানব জীবনকে তৃপ্তি দেয়”— উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের ঘটনা-১-এ উল্লিখিত রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী কোন ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের ঘটনা-২-এ রহিমা এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী একই ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত? বিশ্লেষণপূর্বক মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.“নৈতিক মূল্যবোধ মানব জীবনকে তৃপ্তি দেয়”— উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

“নৈতিক মূল্যবোধ মানব জীবনকে তৃপ্তি দেয়”— উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8."Law is the Passionless reason - উক্তিটি কার?

"Law is the Passionless reason - উক্তিটি কার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.স্বাধীনতার সবচেয়ে পুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ কোনটি?

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: রাজায় দায়িত্ব পালনরত একজন ট্রাফির পুলিশ রাস্তা ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও লালবাতি জ্বলার কারণে একটি গাড়িকে থামিয়ে দেন। গাড়িটি একজন বিচারপতির জানতে পেরে তিনি ঘাবড়ে যান। কিন্তু তাকে অবাক করে দিয়ে মাননীয় বিচারপতি কাছে ডেকে নিয়োম অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রশ্নঃ মাননীয় বিচারপতির কর্মকান্ডের ফলে সমাজে- i. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে ii. অপ্রত্যাশিত সুবিধার অবসান ঘটবে iii. দায়িত্ববোধ জাগ্রত হবে নিচের কোনটি সঠিক?

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: রাজায় দায়িত্ব পালনরত একজন ট্রাফির পুলিশ রাস্তা ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও লালবাতি জ্বলার কারণে একটি গাড়িকে থামিয়ে দেন। গাড়িটি একজন বিচারপতির জানতে পেরে তিনি ঘাবড়ে যান। কিন্তু তাকে অবাক করে দিয়ে মাননীয় বিচারপতি কাছে ডেকে নিয়োম অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রশ্নঃ উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন বিষয়টি লক্ষণীয়?

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.অধ্যাপক হল্যান্ড আইনের কয়টি উৎসের কথা বলেছেন?

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ছক-১ ও ছক-২-এর ভূমিকা তুমি কীভাবে মূল্যায়ন করবে?ছক-১ ও ছক-২-এর মধ্যে কোন সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।“সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থহীন”- ব্যাখ্যা করো।সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ কোন বিপ্লবের স্লোগান ছিল?তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের ঘটনা-২-এ রহিমা এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী একই ধরনউদ্দীপকের ঘটনা-১-এ উল্লিখিত রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী কোন ধরনের সাম্য থেকে বঞ“নৈতিক মূল্যবোধ মানব জীবনকে তৃপ্তি দেয়”— উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।"Law is the Passionless reason - উক্তিটি কার?স্বাধীনতার সবচেয়ে পুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ কোনটি?উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: রাজায় দায়িত্ব পালনরত একজন ট্রাফির পুলিশ রাসউদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: রাজায় দায়িত্ব পালনরত একজন ট্রাফির পুলিশ রাসঅধ্যাপক হল্যান্ড আইনের কয়টি উৎসের কথা বলেছেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।