Chapter 3 : মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য Civics 1st Paper

HSC Civics 1st Paper এর Chapter 3 : মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৯৮৯

প্রশ্ন

Civics 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ছক-১ ছক-২ বাহ্যিক আচার আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে বাহ্যিক ও মানসিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে নির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট সার্বভৌম রাষ্ট্র কর্তৃক সমর্থিত সামাজিক বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ কোন বিপ্লবের স্লোগান ছিল?

উত্তর

সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল।
খ
“সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থহীন”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

সাম্য ও স্বাধীনতার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর । সমাজে ও রাষ্ট্রে সাম্য প্রতিষ্ঠিত না হলে প্রকৃত স্বাধীনতা ভোগ করা যায় না। সাম্যের মূল চেতনা হলো সকল মানুষ সমান। সাম্য স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভিত্তি হলো সাম্য। অন্যদিকে গণতন্ত্রের উৎস সাম্য সমঅধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে মানুষে মানুষে বৈষম্য কমিয়ে এক ধরনের মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ করে। তাই সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থহীন ।
গ
ছক-১ ও ছক-২-এর মধ্যে কোন সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ছক-১ ও ছক-২ যথাক্রমে আইন ও নৈতিকতাকে নির্দেশ করে। এ দুটি বিষয়ের মধ্যে সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। আইন ও নৈতিকতা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। উভয়েরই আলোচ্য বিষয় হচ্ছে মানুষের আচরণ, আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে আর নৈতিকতা মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণ করে। মানুষের নৈতিকতাবোধ রাষ্ট্রীয় আইনকে প্রভাবিত করে। যে দেশের মানুষের নৈতিকতার মান খুবই নিচু, সে দেশের আইন কখনো উচ্চমান সম্পন্ন হতে পারে না । সমাজ জীবনের উৎকর্ষতা সাধনে আইন ও নৈতিকতা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে। আইনের কার্যকারিতা যেমন মানুষের নৈতিক বিশ্বাসের ওপর নির্ভরশীল, তেমনি সময় ও পারিপার্শ্বিকতার সাথে সামঞ্জস্যহীন নৈতিক বিশ্বাসও আইনের দ্বারা পরিবর্তিত ও পরিমার্জিত হয়। যেমন— সতীদাহ প্রথাকে একসময় ভারতে ধর্মের অঙ্গ মনে করা হতো। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার আইনের মাধ্যমে এই প্রথা বন্ধ করে। উদ্দীপকের ছক-১-এ বর্ণিত তথ্যগুলো হলো- বাহ্যিক আচার-আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে, নির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট, সার্বভৌম রাষ্ট্র কর্তৃক সমর্থিত। এসব তথ্য আইনকে নির্দেশ করে। অন্যদিকে ছক-২-এর তথ্য হচ্ছে- বাহ্যিক ও মানসিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট, সামাজিক বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ বৈশিষ্ট্যগুলো নৈতিকতাকেই নির্দেশ করে। এ দুটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক। নৈতিকতা বিরোধী আইন কোনোদিনই জনসমর্থন লাভ করেনি এবং টিকেও থাকেনি।
ঘ
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ছক-১ ও ছক-২-এর ভূমিকা তুমি কীভাবে মূল্যায়ন করবে?

উত্তর

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ছক-১-এ নির্দেশিত আইন এবং ছক-২-এ নির্দেশিত নৈতিকতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ছক-১ এর তথ্যসমূহ আইনকে নির্দেশ করে। আর আইন সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা সুশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো আইনের শাসন। আইনের শাসন বলতে আইনের চোখে সবার সমান হওয়া এবং আইনের প্রাধান্য বজায় থাকাকে বোঝায়। ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি এবং ছোট-বড় নির্বিশেষে সবাই আইনের দৃষ্টিতে সমান। কেউ বিশেষ মর্যাদার অধিকারী নয়। যে কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে এবং শাস্তি পেতে হবে এটাই আইনের শাসনের বিধান। আইনের শাসন বিদ্যমান থাকলে জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে। শাসক ও শাসিতের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। সবাই আইনের দৃষ্টিতে সমান বলে গণ্য এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী হয়। এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজতর হয়। ছক-২ এ নৈতিকতার প্রতিফলন ঘটেছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নৈতিকতারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কেননা নৈতিকতা কোনো কাজকে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত, ন্যায়-অন্যায় ইত্যাদির মানদণ্ডে বিচার করে। নৈতিকতার লক্ষ্যই হলো মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে জনকল্যাণ সাধন করা। যে রাষ্ট্রের জনগণের নৈতিক মান সুউচ্চ, সেদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সহজ। কেননা সেদেশের নাগরিকগণ নিজেরাই অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকে, ঘুষ- দুর্নীতিকে ঘৃণা করে। আর এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয় । উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, আইন ও নৈতিকতা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ছক-১ ছক-২ বাহ্যিক আচার আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে বাহ্যিক ও মানসিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে নির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট সার্বভৌম রাষ্ট্র কর্তৃক সমর্থিত সামাজিক বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ কোন বিপ্লবের স্লোগান ছিল?

উত্তর

সাম্য, মৈত্রী, ভ্রাতৃত্ববোধ ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল।
খ
“সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থহীন”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

সাম্য ও স্বাধীনতার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর । সমাজে ও রাষ্ট্রে সাম্য প্রতিষ্ঠিত না হলে প্রকৃত স্বাধীনতা ভোগ করা যায় না। সাম্যের মূল চেতনা হলো সকল মানুষ সমান। সাম্য স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তোলে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভিত্তি হলো সাম্য। অন্যদিকে গণতন্ত্রের উৎস সাম্য সমঅধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে মানুষে মানুষে বৈষম্য কমিয়ে এক ধরনের মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ করে। তাই সাম্য ব্যতীত স্বাধীনতা অর্থহীন ।
গ
ছক-১ ও ছক-২-এর মধ্যে কোন সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ছক-১ ও ছক-২ যথাক্রমে আইন ও নৈতিকতাকে নির্দেশ করে। এ দুটি বিষয়ের মধ্যে সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। আইন ও নৈতিকতা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। উভয়েরই আলোচ্য বিষয় হচ্ছে মানুষের আচরণ, আইন মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে আর নৈতিকতা মানুষের মনোজগতকে নিয়ন্ত্রণ করে। মানুষের নৈতিকতাবোধ রাষ্ট্রীয় আইনকে প্রভাবিত করে। যে দেশের মানুষের নৈতিকতার মান খুবই নিচু, সে দেশের আইন কখনো উচ্চমান সম্পন্ন হতে পারে না । সমাজ জীবনের উৎকর্ষতা সাধনে আইন ও নৈতিকতা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে। আইনের কার্যকারিতা যেমন মানুষের নৈতিক বিশ্বাসের ওপর নির্ভরশীল, তেমনি সময় ও পারিপার্শ্বিকতার সাথে সামঞ্জস্যহীন নৈতিক বিশ্বাসও আইনের দ্বারা পরিবর্তিত ও পরিমার্জিত হয়। যেমন— সতীদাহ প্রথাকে একসময় ভারতে ধর্মের অঙ্গ মনে করা হতো। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার আইনের মাধ্যমে এই প্রথা বন্ধ করে। উদ্দীপকের ছক-১-এ বর্ণিত তথ্যগুলো হলো- বাহ্যিক আচার-আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে, নির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট, সার্বভৌম রাষ্ট্র কর্তৃক সমর্থিত। এসব তথ্য আইনকে নির্দেশ করে। অন্যদিকে ছক-২-এর তথ্য হচ্ছে- বাহ্যিক ও মানসিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট, সামাজিক বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ বৈশিষ্ট্যগুলো নৈতিকতাকেই নির্দেশ করে। এ দুটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক। নৈতিকতা বিরোধী আইন কোনোদিনই জনসমর্থন লাভ করেনি এবং টিকেও থাকেনি।
ঘ
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ছক-১ ও ছক-২-এর ভূমিকা তুমি কীভাবে মূল্যায়ন করবে?

উত্তর

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ছক-১-এ নির্দেশিত আইন এবং ছক-২-এ নির্দেশিত নৈতিকতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ছক-১ এর তথ্যসমূহ আইনকে নির্দেশ করে। আর আইন সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেননা সুশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো আইনের শাসন। আইনের শাসন বলতে আইনের চোখে সবার সমান হওয়া এবং আইনের প্রাধান্য বজায় থাকাকে বোঝায়। ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি এবং ছোট-বড় নির্বিশেষে সবাই আইনের দৃষ্টিতে সমান। কেউ বিশেষ মর্যাদার অধিকারী নয়। যে কেউ আইন ভঙ্গ করলে তাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে এবং শাস্তি পেতে হবে এটাই আইনের শাসনের বিধান। আইনের শাসন বিদ্যমান থাকলে জনগণের মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত থাকে। শাসক ও শাসিতের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। সবাই আইনের দৃষ্টিতে সমান বলে গণ্য এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী হয়। এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজতর হয়। ছক-২ এ নৈতিকতার প্রতিফলন ঘটেছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নৈতিকতারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কেননা নৈতিকতা কোনো কাজকে ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত, ন্যায়-অন্যায় ইত্যাদির মানদণ্ডে বিচার করে। নৈতিকতার লক্ষ্যই হলো মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে জনকল্যাণ সাধন করা। যে রাষ্ট্রের জনগণের নৈতিক মান সুউচ্চ, সেদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সহজ। কেননা সেদেশের নাগরিকগণ নিজেরাই অন্যায় কাজ থেকে দূরে থাকে, ঘুষ- দুর্নীতিকে ঘৃণা করে। আর এর ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয় । উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, আইন ও নৈতিকতা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ঘটনা-১: দক্ষিণ আফ্রিকায় একসময় এখানকার কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি বর্ণবাদের শিকার হয়েছিলেন। শ্বেতাঙ্গ মানুষের সাথে একই স্কুলে তারা পড়াশোনা করতে, একই ট্রেনে যাতায়াত করতে ও একই মাঠে খেলাধুলা করতে পারত না। কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গের জন্য আলাদা আইন ছিল। ঘটনা-২: রহিমা একজন কারখানা শ্রমিক। দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করেন। কিন্তু দিন শেষে পারিশ্রমিক নিতে গিয়ে দেখেন, পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় তাকে কম পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে।

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
"Law is the Passionless reason - উক্তিটি কার?

উত্তর

"Law is the passionless reason”- উক্তিটি গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের।
খ
“নৈতিক মূল্যবোধ মানব জীবনকে তৃপ্তি দেয়”— উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

নৈতিক মূল্যবোধকে মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তি বোধ করে। নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস। সত্য কথা বলা ও মিথ্যাকে পরিহার করা, অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকেও বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করা, বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধের উদাহরণ। এ সকল কাজকে যখন মানুষ অবশ্য পালনীয় বিবেচনা করে ব্যক্তি জীবনে চর্চা করে তখন সে মানসিক তৃপ্তি লাভ করে। এজন্য বলা যায়, নৈতিক মূল্যবোধ মানব জীবনকে তৃপ্তি দেয়।
গ
উদ্দীপকের ঘটনা-১-এ উল্লিখিত রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী কোন ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনা-১-এ উল্লেখিত রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল। সামাজিক সাম্য বলতে সামাজিক অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের ক্ষেত্রে সকলের সমান সুযোগ থাকাকে বোঝায়। অর্থাৎ জাতি, ধর্ম, বর্ণ, শিক্ষা, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমানভাবে সামাজিক অধিকার ভোগ করলে তাকে সামাজিক সাম্য বলা হয়। সামাজিক সাম্য একটি সুষম পরিবেশকে নির্দেশ করে যেখানে প্রত্যেক ব্যক্তি স্ব-স্ব যোগ্যতা অনুসারে সমান সামাজিক অধিকার ভোগ করে। উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ দেখা যায়, দক্ষিণ আফ্রিকায় এক সময় কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি বর্ণবাদের শিকার হয়েছিল। তারা শেতাঙ্গ মানুষের সাথে একই স্কুলে পড়ালেখা করতে, একই ট্রেনে যাতায়াত করতে ও একই মাঠে খেলাধুলা করতে পারত না। এমনকি তাদের জন্য আইনও ছিল আলাদা । এ ঘটনা থেকে বোঝা যায়, দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি বর্ণের কারণে অর্থাৎ কালো হওয়ার কারণে সামাজিকভাবে সমান সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিল, যা সামাজিক সাম্যের ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় । তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ উল্লেখিত রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের ঘটনা-২-এ রহিমা এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী একই ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত? বিশ্লেষণপূর্বক মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ রহিমা এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী একই ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত বলে আমি মনে করি না। কেননা রহিমা অর্থনৈতিক এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত । অর্থনৈতিক সাম্য বলতে দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুসারে আয় ও ধন- সম্পদে প্রত্যেক ব্যক্তির সুযোগ-সুবিধা লাভের সমতাকে বোঝায়। অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ সব সম্পদ সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া নয়; বরং জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব মানুষের সম্পাদিত কাজের ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুবিধা লাভই অর্থনৈতিক সাম্য। উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ দেখা যায়, কারখানা শ্রমিক রহিমাকে পুরুষ শ্রমিকদের সমপরিমাণ কাজ করা সত্ত্বেও পারিশ্রমিক কম দেওয়া হয়। অর্থাৎ দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী একই ধরনের কাজ করেও রহিমা পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় কম মজুরি পাচ্ছে, যা অর্থনৈতিক সাম্যের ধারণার পরিপন্থি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ রহিমা অর্থনৈতিক সাম্য থেকে বঞ্চিত | অন্যদিকে সামাজিক সাম্য বলতে সামাজিক অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের ক্ষেত্রে সকলের সমান সুযোগ থাকাকে বোঝায়। অর্থাৎ জাতি, ধৰ্ম, বর্ণ, শিক্ষা, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমানভাবে সামাজিক অধিকার ভোগ করলে তাকে সামাজিক সাম্য বলা হয়। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী শেতাঙ্গদের দ্বারা বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছিল। অর্থাৎ বর্ণের কারণে বা কালো হওয়ার কারণে সামাজিকভাবে সমান সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছিল যা সামাজিক সাম্যের ধারণার পুরোপুরি উল্টো। তাই বলা যায়, আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত। উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত রহিমা অর্থনৈতিক এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অর্থাৎ তারা একই ধরনের নয়, ভিন্ন ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ঘটনা-১: দক্ষিণ আফ্রিকায় একসময় এখানকার কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি বর্ণবাদের শিকার হয়েছিলেন। শ্বেতাঙ্গ মানুষের সাথে একই স্কুলে তারা পড়াশোনা করতে, একই ট্রেনে যাতায়াত করতে ও একই মাঠে খেলাধুলা করতে পারত না। কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গের জন্য আলাদা আইন ছিল। ঘটনা-২: রহিমা একজন কারখানা শ্রমিক। দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করেন। কিন্তু দিন শেষে পারিশ্রমিক নিতে গিয়ে দেখেন, পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় তাকে কম পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে।

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024

ক
"Law is the Passionless reason - উক্তিটি কার?

উত্তর

"Law is the passionless reason”- উক্তিটি গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের।
খ
“নৈতিক মূল্যবোধ মানব জীবনকে তৃপ্তি দেয়”— উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

নৈতিক মূল্যবোধকে মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তি বোধ করে। নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস। সত্য কথা বলা ও মিথ্যাকে পরিহার করা, অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকেও বিরত থাকতে উদ্বুদ্ধ করা, বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধের উদাহরণ। এ সকল কাজকে যখন মানুষ অবশ্য পালনীয় বিবেচনা করে ব্যক্তি জীবনে চর্চা করে তখন সে মানসিক তৃপ্তি লাভ করে। এজন্য বলা যায়, নৈতিক মূল্যবোধ মানব জীবনকে তৃপ্তি দেয়।
গ
উদ্দীপকের ঘটনা-১-এ উল্লিখিত রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী কোন ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনা-১-এ উল্লেখিত রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল। সামাজিক সাম্য বলতে সামাজিক অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের ক্ষেত্রে সকলের সমান সুযোগ থাকাকে বোঝায়। অর্থাৎ জাতি, ধর্ম, বর্ণ, শিক্ষা, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমানভাবে সামাজিক অধিকার ভোগ করলে তাকে সামাজিক সাম্য বলা হয়। সামাজিক সাম্য একটি সুষম পরিবেশকে নির্দেশ করে যেখানে প্রত্যেক ব্যক্তি স্ব-স্ব যোগ্যতা অনুসারে সমান সামাজিক অধিকার ভোগ করে। উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ দেখা যায়, দক্ষিণ আফ্রিকায় এক সময় কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি বর্ণবাদের শিকার হয়েছিল। তারা শেতাঙ্গ মানুষের সাথে একই স্কুলে পড়ালেখা করতে, একই ট্রেনে যাতায়াত করতে ও একই মাঠে খেলাধুলা করতে পারত না। এমনকি তাদের জন্য আইনও ছিল আলাদা । এ ঘটনা থেকে বোঝা যায়, দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ শ্রেণি বর্ণের কারণে অর্থাৎ কালো হওয়ার কারণে সামাজিকভাবে সমান সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিল, যা সামাজিক সাম্যের ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় । তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনা-১ এ উল্লেখিত রাষ্ট্রের নির্যাতিত জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত ছিল।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উদ্দীপকের ঘটনা-২-এ রহিমা এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী একই ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত? বিশ্লেষণপূর্বক মতামত দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ রহিমা এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী একই ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত বলে আমি মনে করি না। কেননা রহিমা অর্থনৈতিক এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত । অর্থনৈতিক সাম্য বলতে দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুসারে আয় ও ধন- সম্পদে প্রত্যেক ব্যক্তির সুযোগ-সুবিধা লাভের সমতাকে বোঝায়। অর্থনৈতিক সাম্যের অর্থ সব সম্পদ সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া নয়; বরং জাতি-ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব মানুষের সম্পাদিত কাজের ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুবিধা লাভই অর্থনৈতিক সাম্য। উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ দেখা যায়, কারখানা শ্রমিক রহিমাকে পুরুষ শ্রমিকদের সমপরিমাণ কাজ করা সত্ত্বেও পারিশ্রমিক কম দেওয়া হয়। অর্থাৎ দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী একই ধরনের কাজ করেও রহিমা পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় কম মজুরি পাচ্ছে, যা অর্থনৈতিক সাম্যের ধারণার পরিপন্থি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনা-২ এ রহিমা অর্থনৈতিক সাম্য থেকে বঞ্চিত | অন্যদিকে সামাজিক সাম্য বলতে সামাজিক অধিকার ও স্বাধীনতা ভোগের ক্ষেত্রে সকলের সমান সুযোগ থাকাকে বোঝায়। অর্থাৎ জাতি, ধৰ্ম, বর্ণ, শিক্ষা, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মানুষ সমানভাবে সামাজিক অধিকার ভোগ করলে তাকে সামাজিক সাম্য বলা হয়। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী শেতাঙ্গদের দ্বারা বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছিল। অর্থাৎ বর্ণের কারণে বা কালো হওয়ার কারণে সামাজিকভাবে সমান সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছিল যা সামাজিক সাম্যের ধারণার পুরোপুরি উল্টো। তাই বলা যায়, আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত। উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত রহিমা অর্থনৈতিক এবং আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী সামাজিক সাম্য থেকে বঞ্চিত হয়েছে। অর্থাৎ তারা একই ধরনের নয়, ভিন্ন ধরনের সাম্য থেকে বঞ্চিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st PaperMCQ
উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: রাজায় দায়িত্ব পালনরত একজন ট্রাফির পুলিশ রাস্তা ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও লালবাতি জ্বলার কারণে একটি গাড়িকে থামিয়ে দেন। গাড়িটি একজন বিচারপতির জানতে পেরে তিনি ঘাবড়ে যান। কিন্তু তাকে অবাক করে দিয়ে মাননীয় বিচারপতি কাছে ডেকে নিয়োম অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রশ্নঃ মাননীয় বিচারপতির কর্মকান্ডের ফলে সমাজে- i. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে ii. অপ্রত্যাশিত সুবিধার অবসান ঘটবে iii. দায়িত্ববোধ জাগ্রত হবে নিচের কোনটি সঠিক?
  • ক.i,ii
  • খ.i, iii
  • গ.ii, iii
  • ঘ.i, ii, iii

উত্তর: i, ii, iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCCivics 1st PaperMCQ
উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: রাজায় দায়িত্ব পালনরত একজন ট্রাফির পুলিশ রাস্তা ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও লালবাতি জ্বলার কারণে একটি গাড়িকে থামিয়ে দেন। গাড়িটি একজন বিচারপতির জানতে পেরে তিনি ঘাবড়ে যান। কিন্তু তাকে অবাক করে দিয়ে মাননীয় বিচারপতি কাছে ডেকে নিয়োম অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রশ্নঃ উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন বিষয়টি লক্ষণীয়?
  • ক.মূল্যবোধ
  • খ.সাম্য
  • গ.আইন
  • ঘ.স্বাধীনতা

উত্তর: আইন

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো