শেয়ারFacebookWhatsApp

ভাব-সম্প্রসারণ কর: "প্রয়োজনে যে মরিতে প্রস্তুত, বাঁচিবার অধিকার তাহারই।"

উত্তর: প্রয়োজনে যে মরিতে প্রস্তুত বাঁচিবার অধিকার তাহারই মূলভাব : ভীরুতা ও পলায়নপরতা নয়, মরণজয়ী সাহসী আত্মপ্রত্যয়ই জীবনের যথার্থ ধর্ম। এই বৈশিষ্ট্যই জীবনকে করে তোলে সার্থক, তাকে দেয় মহিমা। মরণজয়ী দুঃসাহসী মানুষরাই মৃত্যুকে বুক পেতে নিয়ে গড়ে তুলেছে মানব সভ্যতার এই মহিমান্বিত ঐশ্বর্য। মৃত্যুকে বরণ করে মৃত্যুকে জয় করেছেন তাঁরা। অমর হয়ে বেঁচে আছেন পৃথিবীতে। সম্প্রসারিত ভাব : মৃত্যু মানব জীবনের অনিবার্য পরিণতি। মৃত্যুকে সে যতই ভয় পাক না কেন একদিন না একদিন মৃত্যুকে বরণ করে নিতে হয় তাকে। তাই মৃত্যুকে ভয় পেলে চলে না। মৃত্যুভয়ে সদাসর্বদা সন্ত্রস্ত ও আতঙ্কিত জীবনের মধ্যে কোনো সার্থকতা নেই। কারণ, মৃত্যুভয়ে যে চিন্তিত থাকে তার পক্ষে জীবনের সৌন্দর্য ও আনন্দ উপভোগ করা সম্ভব হয় না। তাই জীবনকে উপভোগ করতে হলে চাই মৃত্যুকে সহজভাবে গ্রহণ করার সাহসিকতা। মানুষের জীবন কর্মের জীবন। দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি কাজেরই কমবেশি ঝুঁকি থাকে। যে কাজ যত দুরূহ, যত বিপজ্জনক সে কাজে মৃত্যুর ঝুঁকি তত বেশি। তাই মৃত্যুভয়ে ভীত লোক কোনা কঠিন কাজ স্বচ্ছন্দভাবে করতে পারে না। দৃঢ়চিত্ত সাহসী লোকই পারে জীবনে ঝুঁকি নিয়ে কঠিন দায়িত্ব পালন করতে। মৃত্যুভয়ে ভীত লোক সেখানে পরাজিত হয়। পলায়নী মনোভাব নিয়ে সে পিছিয়ে পড়ে। কিন্তু মৃত্যুকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এগিয়ে যেতে পারলেই তার পক্ষে সাহসের সঙ্গে বাঁচা এবং কঠিন কর্ম সম্পাদন সম্ভব হয়। সাহসী পৌরুষদীপ্ত লোকরাই জাতীয় জীবনে দুর্যোগের মুহূর্তে জীবন বাজি রেখে দুর্যোগ মোকাবেলা করেন। এঁদের পক্ষেই বঝড়-ঝঞ্ঝা মোকাবেলা করে মহাসমুদ্র পাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়, সম্ভব হয় মহাকাশে বিচরণের। জীবন বাজি রেখেই এঁরা খনি থেকে আকরিক সংগ্রহ করেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় বিপন্ন মানুষকে বাঁচাবার জন্যে এগিয়ে যান। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে এঁরাই জীবন দিয়ে চির অমরত্ব লাভ করেন। জীবন-মৃত্যুকে যাঁরা পায়ের ভৃত্য করতে পারেন তাঁরাই পান জীবনের পতাকা বয়ে নেওয়ার অধিকার। এঁদের কথা স্মরণ করেই কবি উচ্চারণ করেন: 'মৃত্যুকে যে এড়িয়ে চলে মৃত্যু তাকেই টানে, মৃত্যু যারা বুক পেতে লয় বাঁচতে তারাই জানে।'

HSC Bangla 2nd Paper সারাংশ, সারমর্ম, ভাবসম্প্রসারণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · সারাংশ, সারমর্ম, ভাবসম্প্রসারণ · সৃজনশীল

ভাব-সম্প্রসারণ কর: "প্রয়োজনে যে মরিতে প্রস্তুত, বাঁচিবার অধিকার তাহারই।"

উত্তর

প্রয়োজনে যে মরিতে প্রস্তুত বাঁচিবার অধিকার তাহারই মূলভাব : ভীরুতা ও পলায়নপরতা নয়, মরণজয়ী সাহসী আত্মপ্রত্যয়ই জীবনের যথার্থ ধর্ম। এই বৈশিষ্ট্যই জীবনকে করে তোলে সার্থক, তাকে দেয় মহিমা। মরণজয়ী দুঃসাহসী মানুষরাই মৃত্যুকে বুক পেতে নিয়ে গড়ে তুলেছে মানব সভ্যতার এই মহিমান্বিত ঐশ্বর্য। মৃত্যুকে বরণ করে মৃত্যুকে জয় করেছেন তাঁরা। অমর হয়ে বেঁচে আছেন পৃথিবীতে। সম্প্রসারিত ভাব : মৃত্যু মানব জীবনের অনিবার্য পরিণতি। মৃত্যুকে সে যতই ভয় পাক না কেন একদিন না একদিন মৃত্যুকে বরণ করে নিতে হয় তাকে। তাই মৃত্যুকে ভয় পেলে চলে না। মৃত্যুভয়ে সদাসর্বদা সন্ত্রস্ত ও আতঙ্কিত জীবনের মধ্যে কোনো সার্থকতা নেই। কারণ, মৃত্যুভয়ে যে চিন্তিত থাকে তার পক্ষে জীবনের সৌন্দর্য ও আনন্দ উপভোগ করা সম্ভব হয় না। তাই জীবনকে উপভোগ করতে হলে চাই মৃত্যুকে সহজভাবে গ্রহণ করার সাহসিকতা। মানুষের জীবন কর্মের জীবন। দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি কাজেরই কমবেশি ঝুঁকি থাকে। যে কাজ যত দুরূহ, যত বিপজ্জনক সে কাজে মৃত্যুর ঝুঁকি তত বেশি। তাই মৃত্যুভয়ে ভীত লোক কোনা কঠিন কাজ স্বচ্ছন্দভাবে করতে পারে না। দৃঢ়চিত্ত সাহসী লোকই পারে জীবনে ঝুঁকি নিয়ে কঠিন দায়িত্ব পালন করতে। মৃত্যুভয়ে ভীত লোক সেখানে পরাজিত হয়। পলায়নী মনোভাব নিয়ে সে পিছিয়ে পড়ে। কিন্তু মৃত্যুকে তুচ্ছ জ্ঞান করে এগিয়ে যেতে পারলেই তার পক্ষে সাহসের সঙ্গে বাঁচা এবং কঠিন কর্ম সম্পাদন সম্ভব হয়। সাহসী পৌরুষদীপ্ত লোকরাই জাতীয় জীবনে দুর্যোগের মুহূর্তে জীবন বাজি রেখে দুর্যোগ মোকাবেলা করেন। এঁদের পক্ষেই বঝড়-ঝঞ্ঝা মোকাবেলা করে মহাসমুদ্র পাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়, সম্ভব হয় মহাকাশে বিচরণের। জীবন বাজি রেখেই এঁরা খনি থেকে আকরিক সংগ্রহ করেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় বিপন্ন মানুষকে বাঁচাবার জন্যে এগিয়ে যান। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে এঁরাই জীবন দিয়ে চির অমরত্ব লাভ করেন। জীবন-মৃত্যুকে যাঁরা পায়ের ভৃত্য করতে পারেন তাঁরাই পান জীবনের পতাকা বয়ে নেওয়ার অধিকার। এঁদের কথা স্মরণ করেই কবি উচ্চারণ করেন: 'মৃত্যুকে যে এড়িয়ে চলে মৃত্যু তাকেই টানে, মৃত্যু যারা বুক পেতে লয় বাঁচতে তারাই জানে।'
HSCBangla 2nd Paperসারাংশ, সারমর্ম, ভাবসম্প্রসারণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.ভাব-সম্প্রসারণ কর : দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর ।

ভাব-সম্প্রসারণ কর : দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সারমর্ম লেখ : আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে অবিশ্রান্ত; একে একে হয় জড়ো, এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো। তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি, এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে, বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।

সারমর্ম লেখ : আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে অবিশ্রান্ত; একে একে হয় জড়ো, এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো। তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি, এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে, বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভাবসম্প্রসারণ করো: তরুলতা সহজেই তরুলতা, পশুপাখি সহজেই পশুপাখি কিন্তু মানুষ প্রাণপণ চেষ্টায় মানুষ ।

ভাবসম্প্রসারণ করো: তরুলতা সহজেই তরুলতা, পশুপাখি সহজেই পশুপাখি কিন্তু মানুষ প্রাণপণ চেষ্টায় মানুষ ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সারমর্ম লেখো: সন্ধ্যা যদি নামে, চন্দ্র যদি পূর্বাচল কোণে না হয় উদয়, তারকার পুঞ্জ যদি নিভে যায় প্রলয় জলদে, না করিব ভয় । হিংস্র ঊর্মি ফণা তুলি, বিভীষিকা, মূর্তি ধরি যদি গ্রাসিবারে আসে, সে মৃত্যু লঙ্ঘিয়া যাব সিন্ধু পারে নবজীবনের নবীন আশ্বাসে ।

সারমর্ম লেখো: সন্ধ্যা যদি নামে, চন্দ্র যদি পূর্বাচল কোণে না হয় উদয়, তারকার পুঞ্জ যদি নিভে যায় প্রলয় জলদে, না করিব ভয় । হিংস্র ঊর্মি ফণা তুলি, বিভীষিকা, মূর্তি ধরি যদি গ্রাসিবারে আসে, সে মৃত্যু লঙ্ঘিয়া যাব সিন্ধু পারে নবজীবনের নবীন আশ্বাসে ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.ভাব-সম্প্রসারণ লিখো কীর্তিমানের মৃত্যু নাই । অথবা, মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নহে।

ভাব-সম্প্রসারণ লিখো কীর্তিমানের মৃত্যু নাই । অথবা, মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সের মধ্যে নহে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সারাংশ লিখো - আজকের দুনিয়াটা আশ্চর্যভাবে অর্থের বা বিত্তের উপর নির্ভরশীল। লাভ ও লোভের দুর্নিবার গতি কেবল আগে যাওয়ার নেশায় লক্ষ্যহীন প্রচণ্ডবেগে শুধুই আত্মবিনাশের পথে এগিয়ে চলেছে; মানুষ যদি এ মূঢ়তাকে জয় না করতে পারে তবে মনুষ্যত্ব কথাটাই হয়তো লোপ পেয়ে যাবে। মানুষের জীবন আজ এমন এক পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে, যেখান থেকে আর হয়তো নামবার উপায় নেই; এবার উঠবার সিঁড়িটা না খুঁজলেই নয় ।

সারাংশ লিখো - আজকের দুনিয়াটা আশ্চর্যভাবে অর্থের বা বিত্তের উপর নির্ভরশীল। লাভ ও লোভের দুর্নিবার গতি কেবল আগে যাওয়ার নেশায় লক্ষ্যহীন প্রচণ্ডবেগে শুধুই আত্মবিনাশের পথে এগিয়ে চলেছে; মানুষ যদি এ মূঢ়তাকে জয় না করতে পারে তবে মনুষ্যত্ব কথাটাই হয়তো লোপ পেয়ে যাবে। মানুষের জীবন আজ এমন এক পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে, যেখান থেকে আর হয়তো নামবার উপায় নেই; এবার উঠবার সিঁড়িটা না খুঁজলেই নয় ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ভাবসম্প্রসারণ লিখো জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো ।

ভাবসম্প্রসারণ লিখো জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সারাংশ লিখো জীবন বৃক্ষের শাখায় যে ফুল ফোটে তা-ই মনুষ্যত্ব। বৃক্ষের গোড়ায় জল ঢালতে হবে এই ফুলের দিকে লক্ষ রেখে। শুধু শুধু মাটির রস টেনে গাছটা মোটা হয়ে উঠবে এই ভেবে কোন মালি গাছের গোড়ায় জল ঢালে না। সমাজ ব্যবস্থাকেও ঠিক করতে হবে মানুষকে খাইয়ে দাইয়ে মোটা করে তুলবার জন্য নয়, মানুষের অন্তরে মূল্যবোধ তথা সৌন্দর্য, প্রেম ও আনন্দ সম্বন্ধে চেতনা জাগিয়ে তুলবার উদ্দেশ্যে। যখন এই চেতনা মানুষের চিত্তে জাগে তখন এক আধ্যাত্মিক সুষমায় তার জীবন পরিপূর্ণ হয়ে উঠে এবং তারি প্রতিফলনে সমস্ত জগৎ আলোময় হয়ে দেখা দেয়। ফলে মানুষ ইতর জীবনের গুরুভার থেকে মুক্তি পেয়ে নিজেকে লঘুপক্ষ প্রজাপতির মত হালকা মনে করে।

সারাংশ লিখো জীবন বৃক্ষের শাখায় যে ফুল ফোটে তা-ই মনুষ্যত্ব। বৃক্ষের গোড়ায় জল ঢালতে হবে এই ফুলের দিকে লক্ষ রেখে। শুধু শুধু মাটির রস টেনে গাছটা মোটা হয়ে উঠবে এই ভেবে কোন মালি গাছের গোড়ায় জল ঢালে না। সমাজ ব্যবস্থাকেও ঠিক করতে হবে মানুষকে খাইয়ে দাইয়ে মোটা করে তুলবার জন্য নয়, মানুষের অন্তরে মূল্যবোধ তথা সৌন্দর্য, প্রেম ও আনন্দ সম্বন্ধে চেতনা জাগিয়ে তুলবার উদ্দেশ্যে। যখন এই চেতনা মানুষের চিত্তে জাগে তখন এক আধ্যাত্মিক সুষমায় তার জীবন পরিপূর্ণ হয়ে উঠে এবং তারি প্রতিফলনে সমস্ত জগৎ আলোময় হয়ে দেখা দেয়। ফলে মানুষ ইতর জীবনের গুরুভার থেকে মুক্তি পেয়ে নিজেকে লঘুপক্ষ প্রজাপতির মত হালকা মনে করে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ভাব-সম্প্রসারণ লিখো তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?

ভাব-সম্প্রসারণ লিখো তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সারাংশ লিখো মানুষের সুন্দর মুখ দেখে আনন্দিত হয়ো না। স্বভাবে যে সুন্দর নয়, দেখতে সুন্দর হলেও তার স্বভাব, তার স্পর্শ, তার রীতিনীতিকে মানুষ ঘৃণা করে। দুঃস্বভাবের মানুষ মানুষের হৃদয়ে জ্বালা ও বেদনা দেয়, তার সুন্দর মুখে মনুষ্য তৃপ্তি পায় না। অবোধ লোকেরাই মানুষের রূপ দেখে মুগ্ধ হয় এবং তার ফল ভোগ করে। যার স্বভাব মন্দ, সে নিজেও মিথ্যাবাদীকে, দুর্মতিকে ঘৃণা করে। মানুষ নিজে স্বভাবে সুন্দর না হলেও সে স্বভাবের সৌন্দর্যকে ভালোবাসে।

সারাংশ লিখো মানুষের সুন্দর মুখ দেখে আনন্দিত হয়ো না। স্বভাবে যে সুন্দর নয়, দেখতে সুন্দর হলেও তার স্বভাব, তার স্পর্শ, তার রীতিনীতিকে মানুষ ঘৃণা করে। দুঃস্বভাবের মানুষ মানুষের হৃদয়ে জ্বালা ও বেদনা দেয়, তার সুন্দর মুখে মনুষ্য তৃপ্তি পায় না। অবোধ লোকেরাই মানুষের রূপ দেখে মুগ্ধ হয় এবং তার ফল ভোগ করে। যার স্বভাব মন্দ, সে নিজেও মিথ্যাবাদীকে, দুর্মতিকে ঘৃণা করে। মানুষ নিজে স্বভাবে সুন্দর না হলেও সে স্বভাবের সৌন্দর্যকে ভালোবাসে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ভাব-সম্প্রসারণ কর : প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয়, কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় না ।

ভাব-সম্প্রসারণ কর : প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয়, কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় না ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সারমর্ম লেখ : অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ, যারা অন্ধ, সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা; যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই— প্রীতি নেই— করুণার আলোড়ন নেই পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া। যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি, এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয় মহৎ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয় ।

সারমর্ম লেখ : অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ, যারা অন্ধ, সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা; যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই— প্রীতি নেই— করুণার আলোড়ন নেই পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া। যাদের গভীর আস্থা আছে আজো মানুষের প্রতি, এখনো যাদের কাছে স্বাভাবিক বলে মনে হয় মহৎ সত্য বা রীতি, কিংবা শিল্প অথবা সাধনা শকুন ও শেয়ালের খাদ্য আজ তাদের হৃদয় ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

ভাব-সম্প্রসারণ কর : দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর ।সারমর্ম লেখ : আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে অবিশ্রান্ত; একে একে হয় জড়ো, এ বয়স কালো লক্ভাবসম্প্রসারণ করো: তরুলতা সহজেই তরুলতা, পশুপাখি সহজেই পশুপাখি কিন্তু মানুষ প্রাণসারমর্ম লেখো: সন্ধ্যা যদি নামে, চন্দ্র যদি পূর্বাচল কোণে না হয় উদয়, তারকার পুঞভাব-সম্প্রসারণ লিখো কীর্তিমানের মৃত্যু নাই । অথবা, মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে সারাংশ লিখো - আজকের দুনিয়াটা আশ্চর্যভাবে অর্থের বা বিত্তের উপর নির্ভরশীল। লাভ ওভাবসম্প্রসারণ লিখো জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো ।সারাংশ লিখো জীবন বৃক্ষের শাখায় যে ফুল ফোটে তা-ই মনুষ্যত্ব। বৃক্ষের গোড়ায় জল ঢভাব-সম্প্রসারণ লিখো তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?সারাংশ লিখো মানুষের সুন্দর মুখ দেখে আনন্দিত হয়ো না। স্বভাবে যে সুন্দর নয়, দেখতভাব-সম্প্রসারণ কর : প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয়, কিন্তু মন না থাকলে মানুষ হয় না ।সারমর্ম লেখ : অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ, যারা অন্ধ, সবচেয়ে বেশি আজ চো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।