২০২১ সালের মোট উৎপাদনশীলতা নির্ণয়পূর্বক প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক অগ্রগতির উপর মস্তব্য কর।
উত্তর: মোট উৎপাদিত পণ্যের মূল্যকে মোট উপকরণের মূল্য দ্বারা ভাগ করলে মোট উৎপাদনশীলতা পাওয়া যায়। কোনো প্রতিষ্ঠানের মোট উৎপাদনশীলতা যত বেশি হয় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা তত ভালো হয়। মোট উৎপাদনশীলতা নির্ণয়ের সূত্রটি হচ্ছে— মোট উৎপাদনশীলতা = মোট উৎপাদিত পণ্যের মূল্য/ মোট উপকরণের মূল্য ২০২১ সালে, পদ্মা লিমিটেড-এর- মোট উৎপাদিত পণ্যের মূল্য = ১২,০০,০০০ টাকা মোট কাঁচামাল বাবদ ব্যয় = ৪,৫০,০০০ টাকা মোট বেতন ও মজুরি বাবদ ব্যয় = ২,০০,০০০ টাকা বিবিধ খাতে ব্যয় = ১,৫০,০০০ টাকা প্রতিষ্ঠানটির মোট উৎপাদনশীলতা =১২,০০,০০০/(৪,৫০,০০০+২,০০,০০০+১,৫০,০০০) =১২,০০,০০০/৮,০০,০০০ = ১.৫০ ২০২১ সালে পদ্মা লিমিটেড-এর মোট উৎপাদনশীলতা ১.৫০। কিন্তু ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটির মোট উৎপাদনশীলতা ছিল ১.৭১, যা ২০২১ সালের চেয়ে বেশি। অর্থাৎ ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন দক্ষতা কমেছে, যা কাম্য নয়। উৎপাদনশীলতা বাড়লে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতি বাড়ে। তাই উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে . কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানটিকে কাঁচামাল ও শ্রমিকের সদ্ব্যবহারের চেষ্টা করতে হবে।
HSC Marketing 1st Paper Chapter 2 : উৎপাদনের উপকরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Marketing 1st Paper · Chapter 2 : উৎপাদনের উপকরণ · সৃজনশীল
২০২১ সালের মোট উৎপাদনশীলতা নির্ণয়পূর্বক প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক অগ্রগ…
উদ্দীপক
Dinajpur · 2022
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর