"চুক্তিই দ্বিতীয় পর্যায়ের সংগঠনের মূল ভিত্তি"- উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
উত্তর: দ্বিতীয় পর্যায় সংগঠনটি হলো অংশীদারি সংগঠন। সে ক্ষেত্রে চুক্তি হলো উক্ত সংগঠনের মূল ভিত্তি। একাধিক ব্যক্তির মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে চুক্তির ভিত্তিতে যে ব্যবসায় সংগঠন গঠন করে তাকে অংশীদারী ব্যবসায় সংগঠন বলে। বাংলাদেশে বহাল ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুযায়ী এ ব্যবসায় কমপক্ষে দুইজন এবং সর্বোচ্চ ২০ জন সদস্য থাকতে পারে। তবে আর্থিক ও ব্যাংক ব্যবসার ক্ষেত্রে সদস্যদের সর্বোচ্চ সীমা ১০ জন। অংশীদারি সংগঠনের মূল ভিত্তি হলো চুক্তি। উদ্দীপকে ডলি শখ করে মাটি দিয়ে বিভিন্ন পুতুল তৈরি করে বন্ধুদের উপহার দেন। একদিন স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠান পুতুলগুলো দেখে পছন্দ হওয়ায় একশত পুতুল তৈরি করার জন্য মলিকে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম দেন। এভাবেই শুরু হয় ডলি ডল হাউজের অগ্রযাত্রা। পরবর্তীতে ব্যবসায় সম্প্রসারণ করার জন্য ডলি তার দুই বন্ধু পলি ও তুলিকে অন্তর্ভুক্ত করেন। পলি দোকান ও তুলির মূলধন সরবরাহ করেন। বর্তমানে ডলি ডল হাউস সকলের নিকট জনপ্রিয়। এখন ডলি ডল হাউজের সদস্য সংখ্যা তিনজন। অর্থাৎ অংশীদারি আইন অনুসারে ডলি ডল অংশীদারের সংগঠন। ডলি ডল হাউজের ডলি, পলি ও তুলি - এ তিন বন্ধু একসাথে চুক্তিবদ্ধ সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছেন। পলির দোকান, তুলির মূলধন ও ডলি পুতুল তৈরির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। পরিশেষে বলা যায়, ডলি ডল হাউস দ্বিতীয় পর্যায়ে অংশীদারি সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সুতরাং চুক্তি দ্বিতীয় পর্যায়ে সংগঠনের মূল ভিত্তি।
HSC Marketing 1st Paper Chapter 2 : উৎপাদনের উপকরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Marketing 1st Paper · Chapter 2 : উৎপাদনের উপকরণ · সৃজনশীল
"চুক্তিই দ্বিতীয় পর্যায়ের সংগঠনের মূল ভিত্তি"- উদ্দীপকের আলোকে উক…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর