সংগঠনের ধরন উল্লেখপূর্বক মি. কাজলের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: সংগঠনের ধরন উল্লেখপূর্বক মি. কাজলের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করা হলো। উদ্দীপকের সংগঠনটি হল অংশীদারি সংগঠন। কতিপয় ব্যক্তি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছায় একত্রিত হয়ে চুক্তির মাধ্যমে যে সংগঠন করে তোলে তাকে অংশীদারি সংগঠন বলে। বাংলাদেশের ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুসারে অংশীদারী সংগঠন গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। এ সংগঠনের কমপক্ষে দুইজন এবং সর্বোচ্চ ২০ জন সদস্য থাকতে পারে। চুক্তি এ সংগঠনের মূল ভিত্তি। চুক্তির বাইরে কোন কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারেন। অংশীদারি সংগঠনের সদস্যদের অংশীদার বলা হয়। অংশীদাররা চুক্তি অনুযায়ী আনুপাতিক হারে নিজেদের মধ্যে লাভ লোকসান বন্টন করে নেয়। উদ্দীপকে, সিলেটের আবহাওয়া ও জলবায়ু মাল্টা চাষের উপযোগী হওয়ায় মি. কাজল সিলেটে মাল্টা জুস স্থাপন করেন। তিনি উক্ত কারখানা স্থাপনের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তার বন্ধু রাশেদকে সমহারে মুনাফা বণ্টনের চুক্তিতে ব্যবসায়ে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেন। যা অংশীদারি সংগঠনের মধ্যে পড়ে। অংশীদারের সংগঠনের সহজে গঠন, চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ক, পৃথক আইন সত্তা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বৈধ ব্যবসায় ইত্যাদি সহজেই গঠন করা যায়। এ সংগঠনে এক মালিকানা সংগঠনের চেয়ে অধিক মূলধন বিনিয়োগ করা হয়। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি ও অংশীদারের সংগঠন গঠন করেছেন, যা সম্পূর্ণ যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।
HSC Marketing 1st Paper Chapter 2 : উৎপাদনের উপকরণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Marketing 1st Paper · Chapter 2 : উৎপাদনের উপকরণ · সৃজনশীল
সংগঠনের ধরন উল্লেখপূর্বক মি. কাজলের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর