শেয়ারFacebookWhatsApp

দৃশ্যপট-১ তে নির্দেশিত অভাবজনিত অবস্থার প্রতিকার প্রতিরোধের উপায় বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: দৃশ্যপট-১ এ প্রোটিন ও ক্যালরির তীব্র অভাবজনিত সমস্যার বিষয়টি নির্দেশিত হয়েছে। এই অবস্থার প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- খাদ্যে প্রোটিন ও ক্যালরির তীব্র ঘাটতির কারণে শিশুরা পিইএম (Protein-Energy Malnutrition) বা প্রোটিন-শক্তির অভাবজনিত রোগ, যেমন- কোয়াশিয়রকর ও ম্যারাসমাসে আক্রান্ত হয়। এই রোগ। প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো জন্মের পর শিশুকে প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং এরপর মায়ের দুধের' পাশাপাশি পুষ্টিকর পরিপূরক খাবার প্রদান করা। পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে মায়েদের পুষ্টি বিষয়ক জ্ঞান প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি যেন তারা অল্প খরচে স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য সুষম খাবার নির্বাচন করতে পারেন এবং শিশুদের সংক্রামক রোগ থেকে - মুক্ত রাখতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারেন। দৃশ্যপট-১ এর ছবিতে অপুষ্টিতে ভোগা যে শিশুদের দেখানো হয়েছে, তাদের শরীর জীর্ণশীর্ণ, পাঁজরের হাড় বের হওয়া এবং পেট অস্বাভাবিক বড়, যা প্রোটিন ও শক্তির অভাবেই ঘটে। এই অবস্থার প্রতিকারে আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শে উচ্চ প্রোটিন ও ক্যালরিযুক্ত সহজপাচ্য খাবার (যেমন- দুধ, মাছ, ডিম, নরম খিচুড়ি) অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াতে হবে। পাশাপাশি তাদের শরীরকে পরিষ্কার রেখে ডায়রিয়ার মতো রোগ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাদ্য প্রদান ও সচেতনতার মাধ্যমেই এই ভয়াবহ অপুষ্টিজনিত অবস্থা প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

HSC Home Science 2nd Paper Chapter 13 : রোগ ও পথ্য ব্যবস্থাপনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Home Science 2nd Paper · Chapter 13 : রোগ ও পথ্য ব্যবস্থাপনা · সৃজনশীল

দৃশ্যপট-১ তে নির্দেশিত অভাবজনিত অবস্থার প্রতিকার প্রতিরোধের উপায় বি…

উদ্দীপক

দৃশ্যপট-১: question image দৃশ্যপট-২: পা ধনুকের মতো বাঁকা। দৃশ্যপট-৩: গলার সামনের অংশ কিছুটা ফোলা।

উত্তর

যেসব আহার্য সামগ্রী গ্রহণ করলে দেহের বৃদ্ধি, গঠন, ক্ষয়পূরণ, তাপশক্তি উৎপাদন ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকে, তাকে খাদ্য বলে।

উত্তর

মানবদেহের কোষ গঠন, বৃদ্ধি এবং টিস্যুর ক্ষয়পূরণে খাদ্য উপাদানের, বিশেষ করে প্রোটিন বা আমিষের ভূমিকা অপরিহার্য। প্রোটিন হলো জীবনের মূল ভিত্তি, যা অস্থি, পেশি, রক্তকণিকা এবং দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তৈরিতে সরাসরি কাজ করে। গর্ভাবস্থা থেকে, শুরু করে শৈশব ও বয়ঃসন্ধিকালে দেহের দ্রুত বৃদ্ধির সময় কোষের বিভাজন ও নতুন কোষ সৃষ্টির জন্য প্রোটিন এবং ক্যালসিয়ামের মতো খনিজ লবণের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ খাদ্যের মাধ্যমেই নিশ্চিত করতে হয়, যা ছাড়া দেহের স্বাভাবিক গঠন অসম্ভব।

উত্তর

দৃশ্যপট-২ এ শিশুর পা ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে যাওয়া মূলত 'রিকেটস' (Rickets) রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে। রিকেটস রোগ হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো- ১. খাদ্যে দীর্ঘদিন ধরে ভিটামিন ডি-এর তীব্র অভাব দেখা দেওয়া। ২. খাদ্যে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের ঘাটতি থাকা, যা হাড়ের মূল গাঠনিক উপাদান। ৩. শিশুকে পর্যাপ্ত সময় সূর্যের আলোতে না রাখা, কারণ সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি করতে সাহায্য করে। ৪. গর্ভকালীন ও স্তন্যদানকালে মায়ের পুষ্টিহীনতা, যার ফলে শিশু জন্মগতভাবেই ক্যালসিয়ামের অভাবে ভোগে। দৃশ্যপট-২ এ দেখানো শিশুর পা ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে যাওয়ার লক্ষণটি পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত রিকেটস রোগের সুস্পষ্ট প্রমাণ। হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণেই শিশুর শরীরের ভার বইতে না পেরে পা এমন অস্বাভাবিকভাবে বেঁকে যায়। তাই এটি রিকেটস রোগকেই নির্দেশ করে।

উত্তর

দৃশ্যপট-১ এ প্রোটিন ও ক্যালরির তীব্র অভাবজনিত সমস্যার বিষয়টি নির্দেশিত হয়েছে। এই অবস্থার প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- খাদ্যে প্রোটিন ও ক্যালরির তীব্র ঘাটতির কারণে শিশুরা পিইএম (Protein-Energy Malnutrition) বা প্রোটিন-শক্তির অভাবজনিত রোগ, যেমন- কোয়াশিয়রকর ও ম্যারাসমাসে আক্রান্ত হয়। এই রোগ। প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো জন্মের পর শিশুকে প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং এরপর মায়ের দুধের' পাশাপাশি পুষ্টিকর পরিপূরক খাবার প্রদান করা। পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে মায়েদের পুষ্টি বিষয়ক জ্ঞান প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি যেন তারা অল্প খরচে স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য সুষম খাবার নির্বাচন করতে পারেন এবং শিশুদের সংক্রামক রোগ থেকে - মুক্ত রাখতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারেন। দৃশ্যপট-১ এর ছবিতে অপুষ্টিতে ভোগা যে শিশুদের দেখানো হয়েছে, তাদের শরীর জীর্ণশীর্ণ, পাঁজরের হাড় বের হওয়া এবং পেট অস্বাভাবিক বড়, যা প্রোটিন ও শক্তির অভাবেই ঘটে। এই অবস্থার প্রতিকারে আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শে উচ্চ প্রোটিন ও ক্যালরিযুক্ত সহজপাচ্য খাবার (যেমন- দুধ, মাছ, ডিম, নরম খিচুড়ি) অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াতে হবে। পাশাপাশি তাদের শরীরকে পরিষ্কার রেখে ডায়রিয়ার মতো রোগ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাদ্য প্রদান ও সচেতনতার মাধ্যমেই এই ভয়াবহ অপুষ্টিজনিত অবস্থা প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।
HSCHome Science 2nd PaperChapter 13 : রোগ ও পথ্য ব্যবস্থাপনা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
পথ্য কাকে বলে?
খ
হৃদরোগে কেন কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করতে বলা হয়?
গ
উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানটি কোন রোগ নির্দেশ করে? এই রোগের কারণ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের লক্ষণগুলো তোমার বন্ধুর মধ্যে দেখা দিলে তার জন্য যে পথ্য পরিকল্পনা করবে তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
পথ্য কাকে বলে?
খ
হৃদরোগে কেন কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করতে বলা হয়?
গ
উদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানটি কোন রোগ নির্দেশ করে? এই রোগের কারণ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের লক্ষণগুলো তোমার বন্ধুর মধ্যে দেখা দিলে তার জন্য যে পথ্য পরিকল্পনা করবে তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.হৃদরোগে কেন কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করতে বলা হয়?

হৃদরোগে কেন কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করতে বলা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.পথ্য কাকে বলে?

পথ্য কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রহিম সাহেব ও জামাল সাহেব দুই বন্ধু। তারা কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন। তাদের কী সমস্যা জানতে চাইলে রহিম সাহেব বলেন, অল্প পরিশ্রম করেই তিনি হাঁপিয়ে যান, বুক ধড়ফড় করে; মাঝে মাঝে বুকে ব্যথা ও ঘাম হয়। অন্যদিকে জামাল সাহেব বললেন, তার ঘন ঘন প্রস্রাব হয়, দ্রুত ওজন কমছে এবং শরীর খুব দুর্বল লাগে।

Dhaka · 2018

ক
পথ্য কাকে বলে?
খ
আঁশ জাতীয় খাবার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে— বুঝিয়ে লেখো।
গ
রহিম সাহেব যে রোগে আক্রান্ত তার কারণ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'রহিম সাহেব ও জামাল সাহেবের সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ্য পরিকল্পনা অনুসরণ করতে হবে'– উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

রহিম সাহেব ও জামাল সাহেব দুই বন্ধু। তারা কিছু শারীরিক সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন। তাদের কী সমস্যা জানতে চাইলে রহিম সাহেব বলেন, অল্প পরিশ্রম করেই তিনি হাঁপিয়ে যান, বুক ধড়ফড় করে; মাঝে মাঝে বুকে ব্যথা ও ঘাম হয়। অন্যদিকে জামাল সাহেব বললেন, তার ঘন ঘন প্রস্রাব হয়, দ্রুত ওজন কমছে এবং শরীর খুব দুর্বল লাগে।

Dhaka · 2018

ক
পথ্য কাকে বলে?
খ
আঁশ জাতীয় খাবার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে— বুঝিয়ে লেখো।
গ
রহিম সাহেব যে রোগে আক্রান্ত তার কারণ ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'রহিম সাহেব ও জামাল সাহেবের সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ্য পরিকল্পনা অনুসরণ করতে হবে'– উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.আঁশ জাতীয় খাবার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে— বুঝিয়ে লেখো।

আঁশ জাতীয় খাবার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে— বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.পথ্য কাকে বলে?

পথ্য কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2019

ক
উচ্চ রক্তচাপ কাকে বলে?
খ
রোগের ধরন অনুযায়ী পথ্য পরিকল্পনা করতে হয়—বুঝিয়ে লেখো।
গ
? চিহ্নিত অংশটি কী রোগ নির্দেশ করছে? অসচেতন আচরণের কারণে এই রোগ হতে পারে— ব্যাখ্যা করো।
ঘ
? চিহ্নিত রোগের পথ্য পরিকল্পনা নির্ধারিত সময়ের জন্য নয়-এর যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2019

ক
উচ্চ রক্তচাপ কাকে বলে?
খ
রোগের ধরন অনুযায়ী পথ্য পরিকল্পনা করতে হয়—বুঝিয়ে লেখো।
গ
? চিহ্নিত অংশটি কী রোগ নির্দেশ করছে? অসচেতন আচরণের কারণে এই রোগ হতে পারে— ব্যাখ্যা করো।
ঘ
? চিহ্নিত রোগের পথ্য পরিকল্পনা নির্ধারিত সময়ের জন্য নয়-এর যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রোগের ধরন অনুযায়ী পথ্য পরিকল্পনা করতে হয়—বুঝিয়ে লেখো।

রোগের ধরন অনুযায়ী পথ্য পরিকল্পনা করতে হয়—বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.উচ্চ রক্তচাপ কাকে বলে?

উচ্চ রক্তচাপ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের লক্ষণগুলো তোমার বন্ধুর মধ্যে দেখা দিলে তার জন্য যে পথ্য পরিকল্পনা করবেউদ্দীপকের '?' চিহ্নিত স্থানটি কোন রোগ নির্দেশ করে? এই রোগের কারণ ব্যাখ্যা করো।হৃদরোগে কেন কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করতে বলা হয়?পথ্য কাকে বলে?'রহিম সাহেব ও জামাল সাহেবের সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ্য পরিকল্পনা অনুসরণ করতে হবে'– উক্তরহিম সাহেব যে রোগে আক্রান্ত তার কারণ ব্যাখ্যা করো।আঁশ জাতীয় খাবার কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে— বুঝিয়ে লেখো।পথ্য কাকে বলে?? চিহ্নিত রোগের পথ্য পরিকল্পনা নির্ধারিত সময়ের জন্য নয়-এর যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ ক? চিহ্নিত অংশটি কী রোগ নির্দেশ করছে? অসচেতন আচরণের কারণে এই রোগ হতে পারে— ব্যাখ্রোগের ধরন অনুযায়ী পথ্য পরিকল্পনা করতে হয়—বুঝিয়ে লেখো।উচ্চ রক্তচাপ কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।