দৃশ্যপট-১ তে নির্দেশিত অভাবজনিত অবস্থার প্রতিকার প্রতিরোধের উপায় বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: দৃশ্যপট-১ এ প্রোটিন ও ক্যালরির তীব্র অভাবজনিত সমস্যার বিষয়টি নির্দেশিত হয়েছে। এই অবস্থার প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- খাদ্যে প্রোটিন ও ক্যালরির তীব্র ঘাটতির কারণে শিশুরা পিইএম (Protein-Energy Malnutrition) বা প্রোটিন-শক্তির অভাবজনিত রোগ, যেমন- কোয়াশিয়রকর ও ম্যারাসমাসে আক্রান্ত হয়। এই রোগ। প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো জন্মের পর শিশুকে প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং এরপর মায়ের দুধের' পাশাপাশি পুষ্টিকর পরিপূরক খাবার প্রদান করা। পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে মায়েদের পুষ্টি বিষয়ক জ্ঞান প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি যেন তারা অল্প খরচে স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য সুষম খাবার নির্বাচন করতে পারেন এবং শিশুদের সংক্রামক রোগ থেকে - মুক্ত রাখতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারেন। দৃশ্যপট-১ এর ছবিতে অপুষ্টিতে ভোগা যে শিশুদের দেখানো হয়েছে, তাদের শরীর জীর্ণশীর্ণ, পাঁজরের হাড় বের হওয়া এবং পেট অস্বাভাবিক বড়, যা প্রোটিন ও শক্তির অভাবেই ঘটে। এই অবস্থার প্রতিকারে আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শে উচ্চ প্রোটিন ও ক্যালরিযুক্ত সহজপাচ্য খাবার (যেমন- দুধ, মাছ, ডিম, নরম খিচুড়ি) অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াতে হবে। পাশাপাশি তাদের শরীরকে পরিষ্কার রেখে ডায়রিয়ার মতো রোগ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাদ্য প্রদান ও সচেতনতার মাধ্যমেই এই ভয়াবহ অপুষ্টিজনিত অবস্থা প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।
HSC Home Science 2nd Paper Chapter 13 : রোগ ও পথ্য ব্যবস্থাপনা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Home Science 2nd Paper · Chapter 13 : রোগ ও পথ্য ব্যবস্থাপনা · সৃজনশীল
দৃশ্যপট-১ তে নির্দেশিত অভাবজনিত অবস্থার প্রতিকার প্রতিরোধের উপায় বি…
উদ্দীপক
দৃশ্যপট-২: পা ধনুকের মতো বাঁকা।
দৃশ্যপট-৩: গলার সামনের অংশ কিছুটা ফোলা।উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

