শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'A [গণিত] ও 'B [গণিত] পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য বর্ণনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে 'A [গণিত] ও 'B [গণিত] অর্থাৎ পাট পচানোর প্রচলিত পদ্ধতি ও রিবন রেটিং পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য নিচে বর্ণনা করা হলো- ১. রিবন পদ্ধতিতে পানি ও সময় কম লাগে পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতিতে পানি ও সময় বেশি লাগে। ২. রিবন পদ্ধতিতে আঁশে কাটিংস হয় না পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতিতে আঁশে কাটিংস হয়। ৩. রিবন পদ্ধতিতে আঁশের মান উন্নত হলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে আঁশের মান ততটা উন্নত হয় না। ৪. রিবন পদ্ধতিতে কম জায়গায় বেশি পাট পচানো গেলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে পাট পচানোর জন্য জলাশয় এবং প্রচুর জায়গার প্রয়োজন হয়। ৫. প্রচলিত পদ্ধতিতে পচন গর্তের পানি জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা গেলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে পচনের পানি জলাশয় ও পরিবেশ দূষণের কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৬. রিবন পদ্ধতিতে প্রাপ্ত পাটকাঠি মজবুত ও টেকসই হয় পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রাপ্ত পাটকাঠি এতটা মজবুত হয় না। ৭. রিবনিং-এর জন্য কিছু যন্ত্রপাতি ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজন হলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে পচানোর জন্য কোনো যন্ত্রপাতি ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না। ৮ রিবন পদ্ধতিতে আঁশের মান উন্নত হয় পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতিতে পর্যাপ্ত পানি ও উপযোগী পরিবেশ পেলেই আঁশের মান উন্নত হয়। ৯. রিবন পদ্ধতিটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসম্মত। পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতি পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

HSC Agriculture 1st Paper Chapter 3 : বিশেষ উৎপাদন সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Agriculture 1st Paper · Chapter 3 : বিশেষ উৎপাদন সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'A ও 'B পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য বর্ণনা কর।

উদ্দীপক

নিচের ছকটি দেখ এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও। question image

উত্তর

পাট গাছ কাটার পর কাঁচা থাকা অবস্থায় গাছ থেকে ছাল ফিতার মতো পৃথক করে অল্প পানিতে পচানোর ব্যবস্থা করাকে রিবন রেটিং বলে।

উত্তর

নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অবলম্বন করে কম সময়ে পাটের ছাল পচানো যায়- ১. প্রতি ১০০০ কেজি কাঁচা ছালের জন্য প্রায় ১০০ গ্রাম ইউরিয়া পচন পানিতে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া মেশানোর ফলে পচনকারী জীবাণু দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে ফলে পচন সময় ত্বরান্বিত হয়। ২. একটা ছোট বালতি বা হাঁড়িতে দুই-একটা পাট গাছ ছোট ছোট টুকরা করে আগেই পচিয়ে নিয়ে পরে ছাল পচাবার সময় ঐ পানি মিশিয়ে দিতে হয়। এতে পানিতে ছাল পচনকারী জীবাণুর তাড়াতাড়ি বংশ বৃদ্ধি হয়ে পচন সময় ত্বরান্বিত হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে 'AA^{\prime} ও 'BB^{\prime} অর্থাৎ পাট পচানোর প্রচলিত পদ্ধতি ও রিবন রেটিং পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য নিচে বর্ণনা করা হলো- ১. রিবন পদ্ধতিতে পানি ও সময় কম লাগে পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতিতে পানি ও সময় বেশি লাগে। ২. রিবন পদ্ধতিতে আঁশে কাটিংস হয় না পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতিতে আঁশে কাটিংস হয়। ৩. রিবন পদ্ধতিতে আঁশের মান উন্নত হলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে আঁশের মান ততটা উন্নত হয় না। ৪. রিবন পদ্ধতিতে কম জায়গায় বেশি পাট পচানো গেলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে পাট পচানোর জন্য জলাশয় এবং প্রচুর জায়গার প্রয়োজন হয়। ৫. প্রচলিত পদ্ধতিতে পচন গর্তের পানি জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা গেলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে পচনের পানি জলাশয় ও পরিবেশ দূষণের কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৬. রিবন পদ্ধতিতে প্রাপ্ত পাটকাঠি মজবুত ও টেকসই হয় পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রাপ্ত পাটকাঠি এতটা মজবুত হয় না। ৭. রিবনিং-এর জন্য কিছু যন্ত্রপাতি ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজন হলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে পচানোর জন্য কোনো যন্ত্রপাতি ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না। ৮ রিবন পদ্ধতিতে আঁশের মান উন্নত হয় পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতিতে পর্যাপ্ত পানি ও উপযোগী পরিবেশ পেলেই আঁশের মান উন্নত হয়। ৯. রিবন পদ্ধতিটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসম্মত। পক্ষান্তরে প্রচলিত পদ্ধতি পরিবেশ এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'BB^{\prime} পদ্ধতি অর্থাৎ রিবন রেটিং পদ্ধতির গুরুত্ব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- পাট গাছ কাটার পর কাঁচা থাকা অবস্থায় গাছ থেকে ছাল ফিতার মতো পৃথক করে ছাল পচানোর ব্যবস্থা করাকে রিবন রেটিং বলে। যেসব এলাকায় পচন পানির অভাব রয়েছে সেসব এলাকায় এ পদ্ধতি খুবই লাভজনক। প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় এ পদ্ধতিতে ছাল পচানোর জন্য পানি, জায়গা ও সময় কম লাগে। এ পদ্ধতিতে প্রাপ্ত আঁশে কাটিংস হয় না এবং উন্নতমানের আঁশ পাওয়া যায়। ফলে পাট আঁশের বাজার মূল্য বেশি থাকে। এমনকি রিবন রেটিং পদ্ধতিতে প্রাপ্ত পাটকাঠি মজবুত ও টেকসই হয় এবং জ্বালানি সাশ্রয় হয়। শ্রমিক বেশ লাভজনক। এক বিঘা জমির পাটের ছালকরণে মাত্র ৪-৬ জন শ্রমিক লাগে। এ পদ্ধতিটি স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব। পরিশেষে বলা যায় যে, পাট পচানোর ক্ষেত্রে রিবন রেটিং পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
HSCAgriculture 1st PaperChapter 3 : বিশেষ উৎপাদন সম্পৃক্ত কৃষি প্রযুক্তি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. আলম একজন এইচএসসি পাস ভূমিহীন বেকার যুবক। পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক লাভের জন্য তিনি মাশরুম চাষের উপর প্রশিক্ষণ নেন। প্রশিক্ষণে মাশরুম উৎপাদন কৌশল শেখার পাশাপাশি ভালোমানের স্পন সংগ্রহ এবং উৎপাদনকালীন চাষঘরের পরিচর্যার গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি অবহিত হন। পরবর্তীতে তিনি তার বাড়িতে মাশরুম চাষের উদ্দেশ্যে একটি ঘর তৈরি করেন এবং মাশরুম চাষ করে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনেন ।

Jessore · 2017

কৃত্রিম প্রজনন কী ?
“মধু সর্বরোগের মহৌষধ”- ব্যাখ্যা কর ।
মি. আলম মাশরুম চাষের জন্য যে সব পরিচর্যা করেছে – তা ব্যাখ্যা কর ।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে মি. আলমের সিদ্ধান্ত কতটুকু সঠিক ? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. আলম একজন এইচএসসি পাস ভূমিহীন বেকার যুবক। পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক লাভের জন্য তিনি মাশরুম চাষের উপর প্রশিক্ষণ নেন। প্রশিক্ষণে মাশরুম উৎপাদন কৌশল শেখার পাশাপাশি ভালোমানের স্পন সংগ্রহ এবং উৎপাদনকালীন চাষঘরের পরিচর্যার গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি অবহিত হন। পরবর্তীতে তিনি তার বাড়িতে মাশরুম চাষের উদ্দেশ্যে একটি ঘর তৈরি করেন এবং মাশরুম চাষ করে সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনেন ।

Jessore · 2017

কৃত্রিম প্রজনন কী ?
“মধু সর্বরোগের মহৌষধ”- ব্যাখ্যা কর ।
মি. আলম মাশরুম চাষের জন্য যে সব পরিচর্যা করেছে – তা ব্যাখ্যা কর ।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে মি. আলমের সিদ্ধান্ত কতটুকু সঠিক ? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.“মধু সর্বরোগের মহৌষধ”- ব্যাখ্যা কর ।

“মধু সর্বরোগের মহৌষধ”- ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কৃত্রিম প্রজনন কী ?

কৃত্রিম প্রজনন কী ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. রহমত তার জমিতে প্রচুর পরিমাণে ইউরিয়া সার, সেচ ও কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে ব্রি-ধান ২৮ জাতের ধান উৎপাদন করেন। এতে তার সংলগ্ন জমির তুলনায় ফলন বেশি হয়। কিন্তু পাশের গ্রামের সুমন তার জমিতে অ্যাজোলা চাষ করে মাটিতে মিশিয়ে ব্রি-ধান-২৮ জাতের ধানের চাষ করেন । তার জমির দশ মিটারের মধ্যে অন্য কোনো জাতের ধান চাষ হয় নি। সে রোগিংসহ সকল পরিচর্যা করেন। এতে তার উৎপাদন খরচ অনেকটা কমে গেল ।

Jessore · 2017

রাইজোবিয়াম কী ?
বীজ শোধন করা হয় কেন ? ব্যাখ্যা কর ।
সুমনের জমিতে উৎপাদন খরচ কমে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর ।
বীজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষকের উৎপাদন কৌশল বেশি গ্রহণযোগ্য ? যুক্তি দিয়ে বিচার কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. রহমত তার জমিতে প্রচুর পরিমাণে ইউরিয়া সার, সেচ ও কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে ব্রি-ধান ২৮ জাতের ধান উৎপাদন করেন। এতে তার সংলগ্ন জমির তুলনায় ফলন বেশি হয়। কিন্তু পাশের গ্রামের সুমন তার জমিতে অ্যাজোলা চাষ করে মাটিতে মিশিয়ে ব্রি-ধান-২৮ জাতের ধানের চাষ করেন । তার জমির দশ মিটারের মধ্যে অন্য কোনো জাতের ধান চাষ হয় নি। সে রোগিংসহ সকল পরিচর্যা করেন। এতে তার উৎপাদন খরচ অনেকটা কমে গেল ।

Jessore · 2017

রাইজোবিয়াম কী ?
বীজ শোধন করা হয় কেন ? ব্যাখ্যা কর ।
সুমনের জমিতে উৎপাদন খরচ কমে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর ।
বীজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষকের উৎপাদন কৌশল বেশি গ্রহণযোগ্য ? যুক্তি দিয়ে বিচার কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.বীজ শোধন করা হয় কেন ? ব্যাখ্যা কর ।

বীজ শোধন করা হয় কেন ? ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রাইজোবিয়াম কী ?

রাইজোবিয়াম কী ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নেহালপুর গ্রামের হাসেম মিয়া তার দেশি গাভীকে ডাকে আসার পর স্থানীয় পশু প্রজনন কর্মীকে ডেকে এনে প্ৰজনন করালেন। কিছু দিন পর ঐ গাভী থেকে একটি বকনা বাছুর হলো। বাছুরটি দেখতে বেশ সুন্দর ও বড়সড় ধরনের। পরবর্তীতে ঐ বাছুরটি যখন বড় হয়ে ডাকে আসল তখন একইভাবে প্রজননের মাধ্যমে হাসেম মিয়া তার থেকে আরও একটি বাছুর পেলেন এবং গাভীর দুধ উৎপাদনও বেড়ে গেল। গ্রামবাসীরা হাসেম মিয়ার গাভী দেখে তারাও ঐ ধরনের গাভী পালনে আগ্রহী হলো ।

Dhaka · 2017

মৌচাষ কী ?
রাইজোবিয়াম কেন অণুজীব সার, ব্যাখ্যা কর ।
হাসেম মিয়া কীভাবে একটি উন্নত জাতের বাছুর পেলেন, ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের হাসেম মিয়ার কর্মকাণ্ডটি মূল্যায়ন কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নেহালপুর গ্রামের হাসেম মিয়া তার দেশি গাভীকে ডাকে আসার পর স্থানীয় পশু প্রজনন কর্মীকে ডেকে এনে প্ৰজনন করালেন। কিছু দিন পর ঐ গাভী থেকে একটি বকনা বাছুর হলো। বাছুরটি দেখতে বেশ সুন্দর ও বড়সড় ধরনের। পরবর্তীতে ঐ বাছুরটি যখন বড় হয়ে ডাকে আসল তখন একইভাবে প্রজননের মাধ্যমে হাসেম মিয়া তার থেকে আরও একটি বাছুর পেলেন এবং গাভীর দুধ উৎপাদনও বেড়ে গেল। গ্রামবাসীরা হাসেম মিয়ার গাভী দেখে তারাও ঐ ধরনের গাভী পালনে আগ্রহী হলো ।

Dhaka · 2017

মৌচাষ কী ?
রাইজোবিয়াম কেন অণুজীব সার, ব্যাখ্যা কর ।
হাসেম মিয়া কীভাবে একটি উন্নত জাতের বাছুর পেলেন, ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের হাসেম মিয়ার কর্মকাণ্ডটি মূল্যায়ন কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.রাইজোবিয়াম কেন অণুজীব সার, ব্যাখ্যা কর ।

রাইজোবিয়াম কেন অণুজীব সার, ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মৌচাষ কী ?

মৌচাষ কী ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।