দৃশ্যকল্প-২ এর 'খ' ও 'গ' চিহ্নিত অংশ দ্বারা যথাক্রমে নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা পদ্ধতি বোঝানো হয়েছে। নিচে এদের বিবরণ দেওয়া হলো-
নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ : মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বহু পূর্ব থেকেই মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় এ পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অর্থাৎ পরীক্ষণ পদ্ধতির পূর্বে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিই বহুলাংশে প্রচলিত ছিল।
যেসব আচরণ বা ঘটনা গবেষণাগারে তৈরি বা পুনরুৎপাদন করা সম্ভব নয়, সেসব আচরণ বা ঘটনা সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহের জন্য পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এসব ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষক, আচরণ বা ঘটনা সরাসরি প্রত্যক্ষণের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেন। অর্থাৎ একটি আচরণ স্বাভাবিক পরিবেশে যেভাবে ঘটে পর্যবেক্ষক ঠিক সেভাবেই পর্যবেক্ষণ করেন।
চিকিৎসা : মানসিক সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এ পদ্ধতির সাহায্যে মানুষের উপযোজনমূলক আচরণগত সমস্যা নিয়ে গবেষণা করা হয়ে থাকে। মানসিক সমস্যার কারণ জানার পর তা প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়া হয়। চিকিৎসামূলক পদ্ধতিতে মনোচিকিৎসক মানসিক রোগীর ইতিহাস, পারিবারিক অবস্থা, সম্পর্ক, বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক, চাকরি ক্ষেত্রে সবার সাথে সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ে জেনে রোগের উৎস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। সংগৃহীত তথ্য ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে আচরণগত সমস্যা সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছান।