উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ ছক-১ ও ছক-২ এ যথাক্রমে রোশাক কালির ছাপ অভীক্ষা ও কাহিনী সংপ্রতাক্ষণ অভীক্ষার কথা বলা হয়েছে। উক্ত অভীক্ষা দুটি যেসব বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ব্যক্তিত্ব মূল্যায়ন করা হয় তা নিচে তুলে ধরা হলো-
রোশাক কালির ছাপ অভীক্ষা : রোশাক অভীক্ষায় বিভিন্ন আকৃতি ও বর্ণের ১০টি কালির ছাপ ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে ৫টি কালির ছাপ কালো ও ধূসর বর্ণের, ২টি কালো ও লাল বর্ণের এবং বাকি ৩টি অন্যানা বর্ণের। কার্ডগুলোর কালির ছাপ প্রকৃতপক্ষে অর্থহীন পরীক্ষণপাত্রকে একসঙ্গে একটি কার্ড দেখানো হয়। পরীক্ষণপাত্র কার্ড দেখে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। পরীক্ষণপাত্রের প্রতিক্রিয়াকে তিনটি বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা
১. পরীক্ষণপাত্র কর্তৃক প্রতিটি কার্ডের সামগ্রিক বর্ণনা এবং কোনো কোনো কার্ডের আংশিক বর্ণনা প্রদান।
২. ছবির রং, আকৃতি বা অন্যকিছু প্রতিক্রিয়া প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করা।
৩. মানুষের ছবি, জীবজন্তুর ছবি বা অন্য কিছুর ছবির বর্ণনা ।
কাহিনী সংপ্রত্যক্ষণ অভীক্ষা এ অভীক্ষায় বিভিন্ন অস্পষ্ট ছবি সংবলিত ১৯টি কার্ড ও একটি সাদা কার্ড ব্যবহার করা হয়। ছবিগুলো স্বার্থবোধক। পরীক্ষকের সামনে এক এক করে কার্ডগুলো উপস্থাপন করা হয়। ছবিগুলোর নানারকম ব্যাখ্যা সম্ভব। পরীক্ষককে প্রতিটি ছবি দেখে একটি করে গল্প লিখতে বলা হয়। গল্প লিখবার ধারা হবে- ছবিতে কী ঘটছে, লোকগুলো কী ভাবছে, কাহিনীর সৃষ্টি হয় কীভাবে এবং কাহিনীর পরিণতি কী হবে। ছবি দেখে গল্প লেখার ভেতর দিয়ে পরীক্ষক তার নিজের ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে থাকে।
পরীক্ষার্থীর বা পরীক্ষণপাত্রের গল্পগুলোতে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য লক্ষ করে সাফল্যাঙ্ক প্রদান করা হয়:
১. গল্পের স্টাইল, দৈর্ঘ্য, ভাষা, মৌলিকতা, বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য, সংগঠন ক্ষমতা ইত্যাদি ।
২. গল্পের মূল বক্তব্য, ব্যর্থতা, স্বন্দ্ব, পিতামাতার কর্তৃত্ব ইত্যাদি।
৩. গল্পের উপসংহারের সঙ্গে অন্যান্য অংশের সম্পর্ক।
৪. প্রকারীকরণ, নায়ক নির্বাচন ইত্যাদি।
৫. কর্তত্বসম্পন্ন ব্যক্তি ও যৌন সম্পর্কে ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া।