বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়, মৃদু বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা, মধ্যম বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা, গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা ও চরম বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা।
১. মৃদু বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা: যেসব শিশু বা ব্যক্তির বুদ্ধ্যঙ্ক ৫১- ৬৯ এবং মানসিক বয়স ৮ ১১ তাদের এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত করা যায়। এ ধরনের শিশুরা শিক্ষালাভের যোগ্য হয়। এদের ভালোমন্দ বিচার ক্ষমতা কম, শারীরিক বৈকল্য দেখা যায় না, সামান্য লিখতে পড়তে পারে।
২. মধ্যম বুদ্ধি প্রতিবন্ধতা: এ শ্রেণির বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের বুদ্ধ্যঙ্ক ৩৬ ৫০ এবং মানসিক বয়স ৪৭ বছর হয়ে থাকে। এরা প্রশিক্ষণ লাভের যোগ্য, বাকশক্তি ও শারীরিক দক্ষতায় জড়তা রয়েছে, শিশুসুলভ ভাষার ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ উচ্চারণ করে, কিছু পড়তে ও লিখতে পারে, চেহারাতে বোকা বোকা ভাব থাকে।
৩. গুরুতর বুদ্ধি প্রতিবন্ধতা: এদের বুদ্ধ্যঙ্ক ২০- ৩৫ এর মধ্যে থাকে এবং মানসিক বয়স সর্বোচ্চ ৪ বছরের শিশুদের মতো হয়ে থাকে। এরা পরনির্ভরশীল প্রতিবন্ধী। শারীরিক অক্ষমতা ও বিকলাঙ্গতা এবং বাক বিকাশে বেশ বাঁধা থাকে, ভাষার বিকাশ এবং বুদ্ধিবৃত্তিমূলক বিকাশ যথেষ্ট কম, অন্যের সহায়তা ব্যতীত নিজের যত্ন নিতে পারে না।
৪. চরম বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা: এদের বুদ্ধ্যঙ্ক ২০ এর নিচে এবং এদের মানসিক বয়স ২ বা আড়াই বছরের শিশুদের মতো। এরা আজীবন পরাবলম্বী, মনোজগতের বিকাশ খুবই সীমিত এবং অধিকাংশ সময় ঘুমিয়ে কাটায়।