রেবেকা ও তার বোনের ব্যক্তিত্বকে কার্ল ইয়ুং বহির্মুখী ও অন্তর্মুখী দুভাবে ব্যাখ্যা করেছেন ।
রেবেকা বাইরে ঘোরাফেরা করতে খুব পছন্দ করে। অন্যের সাথে মিশে আমদ করতে তার ভালো লাগে। এগুলো বহির্মুখী ব্যক্তিত্বে বৈশিষ্ট্যকে নিদেশ করে। বহির্মুখী ব্যক্তিত্বের অধিকারীরা বাইরের জগতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সাথে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। এরা অন্যের সাথে মিশতে এবং প্রাণ খুলে আনন্দ প্রকাশে আগ্রহী । বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে এরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। মুক্ত বিহঙ্গের মতো স্বাধীনভাবে বিচরণই এদের কাম্য। বহির্মুখী ব্যক্তিত্বের লোকেরা খুবই সামাজিক এবং যেকোনো পরিবেশ, পরিস্থিতিতে এরা নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারে। সমাজসেবা, ভ্রমণ, খেলাধুলা, ব্যবসায়-বাণিজ্য ইত্যাদি কাজে এরা খুবই আগ্রহী । অপরদিকে অনন্যা আত্মকেন্দ্রিক ও কোলাহল একেবারেই পছন্দ করে না। এসব অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য। অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্বের ব্যক্তিরা একা ও আলাদা থাকতে পছন্দ করে। এরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতে ভালোবাসে। অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্বের ব্যক্তিদের বাইরের জগতের প্রতি আকর্ষণ কম থাকে। এরা আত্মকেন্দ্রিক, বাহ্যবস্তুর প্রতি উদাসীন, আত্মসচেতন এবং স্বার্থপর। অতি আত্মসচেতনতার কারণে এই শ্রেণির ব্যক্তিরা সাধারণত কল্পনাবিলাসী, আবেগপ্রবণ, সংবেদনশীল, চিন্তাশীল এবং সৃজনশীল প্রকৃতির হয়ে থাকে । এরা কাজের তুলনায় চিন্তার রাজ্যে বেশি বিচরণ করে।
পরিশেষে বলা যায়, কার্ল ইয়ুং রেবেকা ও অনন্যার ব্যক্তিত্বকে বহির্মুখী ও অন্তর্মুখী হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।