রিফাত ও সিফাতের আচরণগত পার্থক্যের ভিত্তিতে কার্ল ইয়ুং ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন । যেমন—
১. অন্তর্মুখী: মানসিক গুণাবলি বা সংলক্ষণভিত্তিক গবেষণায় কার্ল ইয়ং অন্তর্মুখী ব্যক্তিদের যে ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ করেন তা হলো— নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে, এই শ্রেণির ব্যক্তিরা সাধারণত স্বার্থপর প্রকৃতির হয়ে থাকে। স্বল্পভাষী ও চুপচাপ থাকতে পছন্দ করার কারণে, এই শ্রেণির ব্যক্তিরা সাধারণত আত্মকেন্দ্রিক প্রকৃতির হয়ে থাকে। আবেগকে নিজেদের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করার কারণে, এরা সহজে নতুন পরিবেশ বা পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়াতে পারে না ।
২. বহির্মুখী: মানসিক গুণাবলি বা সংলক্ষণভিত্তিক গবেষণায় 'কার্ল ইয়ং বহির্মুখী ব্যক্তিদের ব্যক্তিত্বে যে ধরনের বৈশিষ্ট্যসমূহ লক্ষ করেন তা হলো— অন্যদেরকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করার কারণে, এই শ্রেণির ব্যক্তিরা সাধারণত পরোপকারী প্রকৃতির হয়ে থাকে । সদালাপি ও আড্ডাবাজ হওয়ার কারণে, এই শ্রেণির ব্যক্তিরা সাধারণত মিশুক প্রকৃতির হয়ে থাকে । উৎফুল্লতা বা হইচই পছন্দ করার কারণে, এরা সামাজিক বা বাইরের কোলাহলপূর্ণ কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নিজেদেরকে অতি উৎসাহে সম্পৃক্ত ও সক্রিয় রাখতে পছন্দ করে। খোলামেলা স্বভাবের কারণে, এই শ্রেণির ব্যক্তিরা সাধারণত সেবামূলক, উত্তেজনাপূর্ণ ও অভিযানমূলক মনোভাবাপন্ন হয়ে থাকে । অর্থাৎ এরা সাধারণত সমাজসেবক, রাজনীতিবিদ, খেলোয়াড় ইত্যাদি প্রতিভার অধিকারী হয়ে থাকে ।