সুমনের ব্যক্তিত্ব পরিমাপের জন্য কাহিনী সংপ্রত্যক্ষণ অভীক্ষা ব্যবহার করা হয়েছে । নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
১৯৩৫ সালে ক্রিস্টিয়ানা মরগান এবং এইচ. এ. মারে সর্বপ্রথম কাহিনী সংপ্রত্যক্ষণ অভীক্ষা প্রণয়ন করেন। এ অভীক্ষা ২০টি কার্ড নিয়ে গঠিত। যার মধ্যে ১৯টি অস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থবোধক এবং একটি কার্ড ফাঁকা বা সাদা । পরীক্ষণপাত্রকে একটি একটি করে ছবিযুক্ত কার্ড দেখিয়ে সে ছবিতে যা দেখতে পাচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে গল্প রচনা করতে বলা হয়। সবশেষে সাদা কার্ডটি দিয়ে, এর মধ্যে একটি ছবি কল্পনা করে তার ওপর ভিত্তি করে গল্প রচনা করতে বলা হয়। পরীক্ষণপাত্রের প্রদত্ত উত্তরগুলো বিশ্লেষণ করে পরীক্ষক পরীক্ষণপাত্রের ইচ্ছা, আশা- আকাঙ্ক্ষা, মনোভাব, প্রেষণা, আবেগ, কল্পনাশক্তি প্রভৃতি জানার চেষ্টা করে। কাহিনী সংপ্রত্যক্ষণ অভীক্ষার একটা বড় অসুবিধা হলো, কার্ডের ছবির প্রেক্ষিতে রচিত গল্প মূল্যায়ন করে ব্যক্তিত্ব নিরূপণের কোনো নির্দিষ্ট ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। তাই এক্ষেত্রে পরীক্ষকের প্রচুর অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয়।
উদ্দীপকের সুমন তার ব্যক্তিত্ব পরিমাপের জন্য একজন মনোবিজ্ঞানীর কাছে গেলো। মনোবিজ্ঞানী সুমনকে কতকগুলো কার্ডের মাধ্যমে ছবি দেখালেন এবং এর ভিত্তিতে একটি গল্প লিখতে বললেন । সুতরাং বলা যায়, মনোবিজ্ঞানীর ব্যবহৃত এ পদ্ধতিটি হলো কাহিনী সংপ্রত্যক্ষণ অভীক্ষা ৷