দৃশ্যকল্প-২ এ 'খ' ও 'গ' চিহ্নিত স্থান যথাক্রমে ভিসেরোটোনিক ও সোমাটোটনিক ব্যক্তিত্বকে নির্দেশ করে ।
শেলডন মেজাজ বা মানসিক বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিত্বকে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। যথা- ভিসেরোটোনিক, সেরিপ্রোটানিক ও সোমাটোটনিক। ভিসেরোটনিক ও সোমাটোটনিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে।
ভিসেরোটোনিক (Viscerotonic) ব্যক্তিত্বের অধিকারীরা খুব দৈহিক আরামপ্রিয় এবং ভোজন বিলাসী! একা থাকা এদের মোটেই পছন্দ নয়, সারাক্ষণ হৈ হুল্লোর ও বন্ধু-বান্ধবের সাথে গল্প-গুজব করতে পছন্দ করে। এরা অন্যের স্নেহ, প্রশংসা ও মনোযোগ প্রত্যাশী হয় এবং সহজেই মনের আবেগ প্রকাশ করে ফেলে। অন্যদিকে সোমাটোটনিক (Somatotonic) ব্যক্তিত্বের অধিকারীরা কাজে-কর্মে, কথায়, ভঙ্গিতে প্রভুত্বপ্রিয়। এদের মধ্যে উদ্যমশীল ও প্রচেষ্টামূলক কাজের প্রাধান্য দেখা যায়। আচরণে এরা উদ্যমশীল, দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং আক্রমণধর্মী। এরা উত্তেজনাপূর্ণ ও অভিযানমূলক কাজ পছন্দ করে ।
পরিশেষে বলা যায়, ভিসেরোটোনিক ও সোমাটোটনিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও তারা উভয়ই শেলডনের শারীরিক গঠন মতবাদের অন্তর্গত ব্যক্তিত্বের শ্রেণিভুক্ত।