উদ্দীপকে জনাব আব্দুল্লাহ কুলের অঙ্গজ চারা তৈরি ও রোপণের মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হন। দেশের অর্থনীতিতে তার এ অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
কুল একটি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ফল। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুল চাষ হয়। কিন্তু আমাদের দেশের অধিকাংশ ফলচাষির ফলচাষ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় কারিগরি জ্ঞান না থাকায় তারা ভালো ফলন পান না। যার ফলশ্রুতিতে তারা জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারেন না।
উদ্দীপকে জনাব আব্দুল্লাহ কুলচাষের উপর প্রশিক্ষণ নেন এবং পরবর্তীতে কুলগাছের অঙ্গজ পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন ও রোপণ করেন। যার ফলে তিনি কুলের ভালো ফলন পান। কারণ অঙ্গজ পদ্ধতিতে যেমন- কুড়ি সংযোজন, জোড় কলম ইত্যাদি পদ্ধতিতে চারা তৈরি করলে উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন চারা হয়, যা অধিক ফল ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও অঙ্গজ পদ্ধতিতে চারা উৎপন্ন করতে সময়ও কম লাগে। ফলে অল্প সময়ে উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কুল গাছ থেকে প্রাপ্ত অধিক ফলন দেশে বিক্রি করে চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আর্থিক সচ্ছলতা অর্জনে সহায়তা করে। এমনকি বিদেশে রপ্তানি করেও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব আব্দুল্লাহ-এর কার্যক্রম দেশের অর্থনীতিতে অনবদ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।