উদ্দীপকের A ও B হলো যথাক্রমে বীজ ও কলম পদ্ধতিতে কুলের বংশবিস্তার। নিম্নে দুইটি পদ্ধতির মধ্যে তুলনামূলক বর্ণনা করা হলো-
কুলের বংশবিস্তারের জন্য বীজ উৎপাদন এবং কলম পদ্ধতি দুটি ব্যবহৃত হয়। বীজ উৎপাদন পদ্ধতিতে কুলের বীজ থেকে নতুন গাছ জন্ম নেয়, যা সময়সাপেক্ষ এবং ফসলের গুণগত মান নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে, কারণ বীজ থেকে জন্মানো গাছের বৈশিষ্ট্য আসলে মায়ের গাছের মতো না-ও হতে পারে। অন্যদিকে, কলম পদ্ধতি, বিশেষ করে কুঁড়ি সংযোজন বা জোড় কলম পদ্ধতিতে, উন্নত জাতের গুণাবলি সহজেই সংরক্ষিত হয়। কুঁড়ি সংযোজন পদ্ধতিতে উন্নত জাতের কুঁড়ি বা চোখ নতুন শাখায় সংযোজন করা হয়, যা ২-৩ মাসে সফলভাবে নতুন কুশি গজাতে সাহায্য করে। জোড় কলম পদ্ধতিতে অনুন্নত জাতের গাছের শীর্ষভাগ কেটে উন্নত জাতের ডাল সংযুক্ত করা হয়, যার ফলস্বরূপ দ্রুত নতুন গাছ তৈরি হয়। কলম পদ্ধতিতে গাছের গুণমান এবং উৎপাদন বাড়ানো যায়, যা, বীজ উৎপাদনে সম্ভব হয় না। এই দুটি পদ্ধতির মধ্যে কলম পদ্ধতিটি দ্রুত, গুণগত এবং অধিক উৎপাদনক্ষম হওয়ায় অধিক ব্যবহৃত হয়।