ব্লক সুপার ভাইসারের শেষ উক্তিটি — “বাংলাদেশের চিনির চাহিদা ক্রমবৃদ্ধিতে আখ চাষ লাভজনক” – নিচে এর তাৎপর্যন্ত বিশ্লেষণ করা হল-
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলগুলোর মধ্যে পাটের পরেই আখের স্থান। বাংলাদেশের চিনির চাহিদা ক্রমবৃদ্ধিতে আখ চাষ লাভজনক।
আখের অর্থকরী গুরুত্ব হলো-
১. আখ অন্যতম অর্থকরী ফসল এবং বিশ্বে মোট চিনি উৎপাদনের দিক থেকে আখের অবস্থান সবার উপরে।
২. চিনি ও গুড় উৎপাদনের প্রধান উৎস হচ্ছে আখ।
৩. আখ হতে উৎপন্ন চিনি বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়।
৪. আখের ছোবড়া, কাগজ, কৃত্রিম রেশম, ফাইবার বোর্ড, জ্বালানি ইত্যাদি কাজে লাগানো যায়।
৫. চিটাগুড় পশু খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৬. প্রেসমাড বা ফিল্টার মাড জৈব সার হিসেবে ও মোম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
৭. আখের ছোবড়া পোড়ানো ছাইয়ে ৮% পটাশ থাকে যা জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়. ।
৮. আন্তঃফসল হিসেবে ডালজাতীয় ও শাকসবজি চাষ করে বাড়তি আয় করা যায় ।
৯. আখের রস থেকে চিনি উৎপাদন করার পর প্রায় ২.৫%-৪% মোলাসেস পাওয়া যায়। মোলাসেস থেকে বিউটিনাস, এসিটোন, গ্লিসারিন, এসিটিক এসিড, অ্যালকোহল তৈরি করা যায়।
১০. কচি পাতা গোখাদ্য ও কচি ডগা বীজ হিসেবে ব্যবহৃত হয় । সুতরাং, উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, ব্লক সুপার ভাইরাসের শেষ উক্তিটি তাৎপর্যপূর্ণ।