উদ্দীপকের শেষ উক্তিটি হলো— “বর্তমানে অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ করে লাভবান হচ্ছে এবং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে”। নিচে উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করা হলো-
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুল চাষ হয়। স্বাদ ও পুষ্টিগুণের বিচারে কুল বাংলাদেশের একটি উৎকৃষ্ট ফল। কুল গাছ ছোট থেকে মাঝারি আকারের বৃক্ষ। বর্ষার শেষে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে গাছে ফুল আসে ও জাতভেদে জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসে ফল পাকে। ফল পাকা ও টাটকা অবস্থায় খাওয়া হয় ও ফল হতে আচার, চাটনি এবং অন্যান্য মুখরোচক খাবার তৈরি করা যায়। এতে প্রচুর পরিমাণ খনিজ পদার্থ এবং ভিটামিন 'এ' ও 'সি' আছে। অঙ্গজ পদ্ধতিতে তৈরিকৃত কুল গাছের চারা থেকে অল্প সময়ে অধিক ফলন পাওয়া সম্ভব হয়। মৌসুমে কুল চাষ করে দ্রুত লাভবান হওয়া যায়। বাণিজ্যিকভাবেও কুল চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা হতে পারে। উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কুল গাছ থেকে প্রাপ্ত অধিক ফলন দেশে বিক্রি করে চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আর্থিক সচ্ছলতা অর্জনে সহায়তা করে। এমনকি বিদেশে রপ্তানি করেও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
উপরের আলোচনার আলোকে বলা যায়, বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ করে দ্রুত লাভবান হওয়া যায়, যা দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ
অবদান রাখছে।