উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম স্লাইডটিতে দেখা যায় অরীয় ভাস্কুলার বাংল ও ছয়ের অধিক জাইলেম যা একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে পাওয়া যায়। আর দ্বিতীয় স্লাইডটিতে দেখা যায় সমদ্বিপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল যা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে পাওয়া যায়। নিচে একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূল এবং দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো-
১. একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলের ত্বকে কিউটিকল থাকে না, তবে এককোষী রোম থাকে। অপরদিকে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডের ত্বকে কিউটিকল থাকে ও বহুকোষী কান্ডরোম বিদ্যমান।
২. একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে হাইপোডার্মিস অনুপস্থিত। কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের হাইপোডার্মিস কোলেনকাইমা বিশিষ্ট।
৩. একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে এন্ডোডার্মিস থাকে এবং তা গোলাকার। অপরদিকে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে এন্ডোডার্মিস থাকে তবে ঢেউ খেলানো।
৪. একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে পেরিসাইকল উপস্থিত এবং এটি একস্তরবিশিষ্ট ও প্যারেনকাইমা কোষে গঠিত। অন্যদিকে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে পেরিসাইল বহুস্তরবিশিষ্ট হয়।
৫. একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে ভাস্কুলার বান্ডল অরীয়, জাইলেম, ও ফ্লোয়েম প্রত্যেকটি সংখ্যায় ছয় এর অধিক এবং দুটি ভিন্ন বলয়ে সজ্জিত থাকে। অপরদিকে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডে ভাস্কুলার বান্ডল সংযুক্ত সমপার্শ্বীয় বা সমদ্বিপার্শ্বীয় মুক্ত এবং সংখ্যায় বহু বা বলয়ে সজ্জিত।
৬. একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে জাইলেমের প্রকৃতি হলো এক্সার্ক (অর্থাৎ মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে এবং প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে)। কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের জাইলেমের প্রকৃতি হলো এন্ডার্ক (অর্থাৎ মেটাজাইলেম পরিধির দিকে এবং প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রের দিকে)।