উদ্দীপকের প্রথম লাইনের শারীতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ার জন্য দায়ী অঙ্গের নাম হলো পানি পত্ররন্ধ্র বা হাইডাথোড। নিচে হাইডাথোডের গঠন ও কাজ চিত্রসহ বর্ণনা করা হলো-
গঠন: হাইডাথোড এক বিশেষ ধরনের পানি নির্মোচনকারী অঙ্গ। হাইডাথোডে একটি পানি গহ্বর বা পত্ররন্দ্রীয় গহ্বর থাকে। গহ্বরের উপরের দিকে রক্ষীকোষে আবদ্ধ একটি রন্ধ্র থাকে। গহ্বরের নিচে কিছু অসংলগ্ন প্যারেনকাইমা কোষ থাকে, এগুলোকে এপিথেম বা এপিথেলিয়াম বলে। এপিথেমের কোষগুলো ঘন সাইটোপ্লাজমপূর্ণ, ক্ষুদ্রাকার ও পাতলা কোষপ্রাচীরযুক্ত।
এপিথেমের নিচে ট্রাকিডের প্রান্ত শেষ হয়। মূলজ চাপে ট্রাকিড থেকে পানি বের হয়ে আসে তারপর এপিথেমের মাধ্যমে বিন্দু আকারে রন্দ্রপথে জমা হয়। ভোরে এসব বিন্দু দেখা যায়। অন্য সময় পানি দ্রুত বাষ্পাকারে নির্গত হয় বলে তা দেখা যায় না। মাটিতে প্রচুর পানি থাকলে এবং আবহাওয়া অতিরিক্ত আর্দ্র থাকলে এ ঘটনা ঘটে থাকে। কচু, টমেটো, ধান, স্ট্রবেরি, দোপাটি, প্রিমুলা, ঘাস প্রভৃতি গাছের পাতার কিনারায় হাইডাথোড বা পানিপত্ররন্ধ্র দেখা যায়। হাইডাথোডগুলো দিনের চেয়ে রাতে বেশি কার্যকর থাকে।
কাজ:
১. হাইডাথোড দিয়ে সরাসরি পানি নির্গমন ঘটে।
২. পানি নির্গমন এর সময় লবণের মুক্তি ঘটে।
৩. প্রস্বেদন কম হলে পানি নির্গমন বেশি হয়।