নমুনা-খ এর তথ্য পর্যালোচনা করে এটিকে উদ্ভিদের কাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। নিচে এর ভাস্কুলার বান্ডলের বর্ণনা দেওয়া হলো-
জাইলেম ও ফ্লোয়েমের পারস্পরিক অবস্থানের ভিত্তিতে ভাস্কুলার বান্ডলকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- i. সংযুক্ত ii. অরীয় এবং iii. কেন্দ্রীয়।
i. সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডল: যে ভাস্কুলার বান্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যু একই ব্যাসার্ধের উপর একই সঙ্গে অবস্থান করে তাকে সংযুক্ত ভাস্কুলার বান্ডল বলে। এটি আবার দুই প্রকার- ক. সমপার্শ্বীয় খ. সমদ্বিপার্শ্বীয়।
ক. সমপার্শ্বীয়: একখণ্ড ফ্লোয়েম টিস্যু এবং এক খণ্ড জাইলেম টিস্যু একই ব্যাসার্ধে অবস্থান করে এবং ফ্লোয়েম বাইরের দিকে এবং জাইলেম ভেতরের দিকে বিন্যস্ত থাকে তাকে সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। যেমন- পুষ্পক উদ্ভিদের কাণ্ডে এ ধরনের ভাস্কুলার বান্ডল দেখা যায়।
খ. সমদ্বিপার্শ্বীয়: যে ভাস্কুলার বান্ডলের মাঝখানে জাইলেম এবং তার উপর ও নিচ উভয় পাশে দুই খণ্ড ফ্লোয়েম টিস্যু থাকে তাকে সমদ্বিপার্শীয় ভাস্কুলার বান্ডলু বলে। যেমন- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের (লাউ, কুমড়া ইত্যাদি) কাণ্ডে এ ধরনের ভাস্কুলার বান্ডল দেখা যায়।
ii. অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল: যে ভাস্কুলার বান্ডলে জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুগুচ্ছ পৃথকভাবে এবং পর্যায়ক্রমে অক্ষীয় ব্যাসার্ধে বিন্যস্ত থাকে, তাকে অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। যেমন- সপুষ্পক উদ্ভিদের মূলে এ ধরনের ভাস্কুলার বান্ডল দেখা যায়।
iii. কেন্দ্রীয় ভাস্কুলার বান্ডল: যে ভাস্কুলার বান্ডলে জাইলেম অথবা ফ্লোয়েমের যেকোনো একটি কেন্দ্রে থাকে এবং অন্যটি তাকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখে তাকে কেন্দ্রীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলে। যেমন- টেরিডোফাইটা বা ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদে এ ভাস্কুলার বান্ডল বেশি দেখা যায়।