উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত A খনিজের প্রধান উৎপাদন ক্ষেত্রসমূহের বর্ণনা করো।
উত্তর: মানচিত্রে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো দিনাজপুর। দিনাজপুর অঞ্চলের প্রধান খনিজ হলো কয়লা। নিচে বাংলাদেশের কয়লা ক্ষেত্রগুলোর বিবরণ দেওয়া হলো- i. খালাসপীর কয়লাক্ষেত্র (Khalaspir Coal field): রংপুর জেলার খালাসপীর কয়লার ক্ষেত্রটি ১৯৮৯ সালে আবিষ্কৃত হয়। ১২.৫৬ বর্গকিলোমিটারব্যাপী বিস্তৃত এ খনিতে প্রায় ১৪ কোটি ৭০ লক্ষ মেট্রিক টন কয়লা সঞ্চিত রয়েছে। এখানে কয়লা স্তরের গভীরতা ২৫৭ হতে ৪৫১ মিটার। ii. বড় পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র ( Barapukuria Coal Field): ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড় পুকুরিয়ায় এ কয়লার ক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এ কয়লার ক্ষেত্রে সঞ্চিত কয়লার পরিমাণ ৩০ কোটি ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন। এ কয়লার ক্ষেত্র ৫-২৫ বর্গকিলোমিটারব্যাপী বিস্তৃত এবং ৬টি স্তরে বিভক্ত । এখানে কয়লা স্তরের গভীরতা ১১৮-৫০৬ মিটার। iii. জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র (Jamalgonj Coal Field): জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জের খনি ১৯৬২ সালে আবিষ্কৃত হয়। এখানে ৫৪৫০ মিলিয়ন টন কয়লা সঞ্চিত রয়েছে যার বিস্তৃতি ১১.৬৬ বর্গ কি.মি.। এখানে কয়লা স্তরের গভীরতা ৬৪০ হতে ১১৫৮ মিটার। iv. দিঘীপাড়া কয়লাক্ষেত্র (Dighipara Coal Field): ১৯৯৫ সালে আবিষ্কৃত দিনাজপুর জেলার দিঘীপাড়া কয়লা স্তরের গভীরতা ২৫০ মিটার। সঞ্চিত কয়লার পরিমাণ ২০ কোটি টন। v. ফুলবাড়ী কয়লাক্ষেত্র (Phulbari Coal Field): ১৯৯৭ সালে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ীতে এ কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। এই কয়লাক্ষেত্র স্তরের গভীরতা ১৫২-২৪৬ মিটার। কয়লা সঞ্চিতির পরিমাণ ৩৮ কোটি টন। vi. অন্যান্য (Others): এ ছাড়া বগুড়া জেলার নদী গ্রামের কুচমা, নওগাঁ জেলার পত্নীতলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ এবং রংপুর জেলার পীরগঞ্জেও কয়লার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ · সৃজনশীল
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত A খনিজের প্রধান উৎপাদন ক্ষেত্রসমূহের বর্ণনা করো।
উদ্দীপক

চট্টগ্রাম কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

