Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ Geography 2nd Paper

HSC Geography 2nd Paper এর Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৫১

প্রশ্ন

Geography 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রিমা ও সবিতা ঢাকাতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। ঢাকাতে গ্যাসের চুলাতে গ্যাস পাইপের মাধ্যমে সংযোগ ছিল। গৃহকর্মে গ্যাস ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তারা কাতারে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখলো ওখানে সকলে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে। কিন্তু তারা জেনেছে ঐ দেশে গ্যাসের মজুদ অনেক বেশি।

Dinajpur · 2017

ক
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?

উত্তর

কপৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে চীন।
খ
সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।

উত্তর

সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ হলো অঞ্চলটির ভৌগোলিক অবস্থান। টারশিয়ারি যুগে গঠিত সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলে অধিক পরিমাণে গ্যাস পাওয়া যায়। যা নবীন ভঙ্গিল পর্বতমালার অন্তর্ভুক্ত। এ অঞ্চলে ভূ- অভ্যন্তরের শিলাস্তরের নিচে উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহাবশেষ জমা হয়ে এ গ্যাস প্রচুর পরিমাণে সৃষ্টি হয়েছে। তাই এ অঞ্চলে অধিক গ্যাস পাওয়া যায়।
গ
রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা ও তার পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের প্রাকৃতিক গ্যাস মানচিত্র দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকের রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা হলো কাতার। প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে এ দেশটি মধ্যপ্রাচ্য বলয়ের অন্তর্ভুক্ত। এ এলাকার প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ অন্যান্য দেশগুলো হলো- ইরান, সৌদি আরব, ইরাক, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রভৃতি। নিচে মধ্যপ্রাচ্যের প্রাকৃতিক গ্যাসের মানচিত্র আঁকা হলো - question image
ঘ
রিমা ও সবিতার নিজদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার কিভাবে নিশ্চিত কর যায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রাকৃতিক গ্যাসের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। যেকোনো সম্পদ দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করতে হলে এর সংরক্ষণ খুবই জরুরী। যেহেতু প্রাকৃতিক গ্যাস একটি অনবায়নযোগ্য সম্পদ সেহেতু এর দীর্ঘমেয়াদী প্রাপ্যতার জন্য এর সংরক্ষণও জরুরি। ব্যবহারে বাহুল্য হ্রাস, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা, সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংরক্ষণ সম্ভব। নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের ক্ষেত্রে করণীয় বিশ্লেষণ করা হলো- ব্যবহারের বাহুল্য হ্রাসকরণ: অতিমাত্রায় সম্পদ ব্যবহার করলে এর দ্রুত বিনাশ ঘটবে। তাই প্রয়োজনভিত্তিক উৎপাদন ও ব্যবহার সম্পদের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে সহায়ক হবে। বিকল্প দ্রব্যের ব্যবহার: ক্ষয়িষ্ণু সম্পদের ব্যবহার কমিয়ে প্রবাহমান সম্পদের ব্যবহার বৃদ্ধি করলে সম্পদ সংরক্ষিত হবে। যেমন- বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য শক্তি (পানি, সূর্যের আলো ইত্যাদি) ব্যবহার করা। অগ্রাধিকারভিত্তিক ব্যবহার: অল্প ব্যবহারে অধিকতর প্রয়োজন মিটবে এরূপ উদ্দেশ্য খনিজ সংরক্ষণের সহায়ক হয়। যেমন- বিদ্যুৎ উৎপাদনে খনিজ তেল ব্যবহার না করে পরিবহন কাজে ব্যবহার করলে খনিজ তেলের সাশ্রয় হয়। অপচয় বন্ধ করা ও বিজ্ঞানসম্মত ব্যবহার: খনিজ উৎপাদন ও ব্যবহারের সময় যাতে অপচয় না হয় তা লক্ষ করতে হবে। যেমন- বিদ্যুৎ সঞ্চয় করে রাখা যায় না। কিন্তু কয়লা সঞ্চয় করে রাখা যায়। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ বৃদ্ধি: কারিগরি উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পেলে অপেক্ষাকৃত অল্প কাঁচামালে অধিক পরিমাণ শিল্পদ্রব্য উৎপাদন করা সম্ভব। সম্পদ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি: প্রাকৃতিক গ্যাস সীমাহীন নয়। এ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সকল স্তরের অর্থনৈতিক কাজকর্মে সংরক্ষণ ও উৎকর্ষ সাধন সম্ভব হবে। উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো যথাযথ পালনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নও সম্ভব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রিমা ও সবিতা ঢাকাতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। ঢাকাতে গ্যাসের চুলাতে গ্যাস পাইপের মাধ্যমে সংযোগ ছিল। গৃহকর্মে গ্যাস ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তারা কাতারে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে দেখলো ওখানে সকলে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে। কিন্তু তারা জেনেছে ঐ দেশে গ্যাসের মজুদ অনেক বেশি।

Dinajpur · 2017

ক
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে কোন দেশ?

উত্তর

কপৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কয়লা উৎপাদন করে চীন।
খ
সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ লেখো।

উত্তর

সিলেটে গ্যাস প্রাপ্তির আধিক্যের কারণ হলো অঞ্চলটির ভৌগোলিক অবস্থান। টারশিয়ারি যুগে গঠিত সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলে অধিক পরিমাণে গ্যাস পাওয়া যায়। যা নবীন ভঙ্গিল পর্বতমালার অন্তর্ভুক্ত। এ অঞ্চলে ভূ- অভ্যন্তরের শিলাস্তরের নিচে উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহাবশেষ জমা হয়ে এ গ্যাস প্রচুর পরিমাণে সৃষ্টি হয়েছে। তাই এ অঞ্চলে অধিক গ্যাস পাওয়া যায়।
গ
রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা ও তার পার্শ্ববর্তী দেশসমূহের প্রাকৃতিক গ্যাস মানচিত্র দেখাও।

উত্তর

উদ্দীপকের রিমা ও সবিতার বৈদেশিক কর্ম এলাকা হলো কাতার। প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে এ দেশটি মধ্যপ্রাচ্য বলয়ের অন্তর্ভুক্ত। এ এলাকার প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ অন্যান্য দেশগুলো হলো- ইরান, সৌদি আরব, ইরাক, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রভৃতি। নিচে মধ্যপ্রাচ্যের প্রাকৃতিক গ্যাসের মানচিত্র আঁকা হলো - question image
ঘ
রিমা ও সবিতার নিজদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার কিভাবে নিশ্চিত কর যায়- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রাকৃতিক গ্যাসের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। যেকোনো সম্পদ দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার করতে হলে এর সংরক্ষণ খুবই জরুরী। যেহেতু প্রাকৃতিক গ্যাস একটি অনবায়নযোগ্য সম্পদ সেহেতু এর দীর্ঘমেয়াদী প্রাপ্যতার জন্য এর সংরক্ষণও জরুরি। ব্যবহারে বাহুল্য হ্রাস, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা, সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংরক্ষণ সম্ভব। নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের ক্ষেত্রে করণীয় বিশ্লেষণ করা হলো- ব্যবহারের বাহুল্য হ্রাসকরণ: অতিমাত্রায় সম্পদ ব্যবহার করলে এর দ্রুত বিনাশ ঘটবে। তাই প্রয়োজনভিত্তিক উৎপাদন ও ব্যবহার সম্পদের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে সহায়ক হবে। বিকল্প দ্রব্যের ব্যবহার: ক্ষয়িষ্ণু সম্পদের ব্যবহার কমিয়ে প্রবাহমান সম্পদের ব্যবহার বৃদ্ধি করলে সম্পদ সংরক্ষিত হবে। যেমন- বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য শক্তি (পানি, সূর্যের আলো ইত্যাদি) ব্যবহার করা। অগ্রাধিকারভিত্তিক ব্যবহার: অল্প ব্যবহারে অধিকতর প্রয়োজন মিটবে এরূপ উদ্দেশ্য খনিজ সংরক্ষণের সহায়ক হয়। যেমন- বিদ্যুৎ উৎপাদনে খনিজ তেল ব্যবহার না করে পরিবহন কাজে ব্যবহার করলে খনিজ তেলের সাশ্রয় হয়। অপচয় বন্ধ করা ও বিজ্ঞানসম্মত ব্যবহার: খনিজ উৎপাদন ও ব্যবহারের সময় যাতে অপচয় না হয় তা লক্ষ করতে হবে। যেমন- বিদ্যুৎ সঞ্চয় করে রাখা যায় না। কিন্তু কয়লা সঞ্চয় করে রাখা যায়। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ বৃদ্ধি: কারিগরি উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পেলে অপেক্ষাকৃত অল্প কাঁচামালে অধিক পরিমাণ শিল্পদ্রব্য উৎপাদন করা সম্ভব। সম্পদ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি: প্রাকৃতিক গ্যাস সীমাহীন নয়। এ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে সকল স্তরের অর্থনৈতিক কাজকর্মে সংরক্ষণ ও উৎকর্ষ সাধন সম্ভব হবে। উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো যথাযথ পালনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নও সম্ভব।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
খনিজের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

বিশেষ রাসায়নিক গঠনযুক্ত প্রাকৃতিক এবং অজৈব গঠিত বস্তুকে খনিজ বলে।
খ
"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

শক্তির অন্যতম উৎস হলো কয়লা। উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে উদ্ভিদের দেহাবশেষ মাটির নিচে চাপা পড়ে সময়ের বিবর্তনে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় কয়লায় পরিণত হয়েছে। তাই বলা যায় উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় কয়লার উৎপত্তি।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদের উৎপাদন আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো মধ্যপ্রাচ্য যেখানে প্রধান খনিজ হলো খনিজ তেল। উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো মধ্যপ্রাচ্য যেখানে প্রধান খনিজ হলো খনিজ তেল। সারা বিশ্বে তেল উত্তোলনে মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলোর অবদান অন্যতম। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ তেল উত্তোলন করে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো খনিজ তেল সমৃদ্ধ যা উক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাবিকাঠি। খনিজ তেল উত্তোলনে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সৌদি আরব। সেখানে ১৪টি তেলক্ষেত্র রয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্তর্ভুক্ত দেশ ইরানেও তেল সম্পদের ভান্ডার রয়েছে। ইরানের হামাদানে পৃথিবীর বৃহত্তম তেল শোধনাগার অবস্থিত। এদেশ থেকে উৎপাদিত তেলের প্রায় ৬৫ শতাংশ বিদেশে রপ্তানি করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের ইরাক দেশটিও তেলের জন্য বিখ্যাত। ইরাকের কিরকুক তেলক্ষেত্রটি পৃথিবী বিখ্যাত। এছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত খনিজ তেলের জন্য বিখ্যাত। question image অতএব বলা যায় যে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো খনিজ তেল সমৃদ্ধ যা উক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাবিকাঠি।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের ইঙ্গিতকৃত খনিজ সম্পদটির বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো মধ্যপ্রাচ্য যেখানে প্রধান খনিজ হলো খনিজ তেল। নিচে উক্ত খনিজ তেলের গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো। বিশ্বের মোট ব্যবহৃত জ্বালানি শক্তির প্রায় ৫৬% আসে খনিজ তেল থেকে। অন্যান্য জ্বালানি শক্তি অপেক্ষা খনিজ তেল ব্যবহার সহজ, সুবিধাজনক ও সম্ভা। এজন্য বিশ্বজুড়ে এর চাহিদা অপরিমেয়। নিচে খনিজ তেলের বহুমুখী ব্যবহার আলোচনা করা হলো- G মোটরগাড়ি, বাস, ট্রাক, রেলগাড়ি, জাহাজ, বিমান প্রভৃতি চালাতে খনিজ তেল ব্যবহৃত হয়। সাবমেরিন, যুদ্ধবিমান, কামানবাহী গাড়ি, ট্যাঙ্ক প্রভৃতি চালানোর জন্য খনিজজাত তেল ব্যবহার করা হয়। ট্রাক্টর, হারভেস্টার, থ্রেশার, পাম্পসেট, জেনারেটর প্রভৃতি চালনার জন্য পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন ব্যবহার করা হয়। কয়লা ছাড়াও ডিজেলের সাহায্যে তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এছাড়া শিল্পকারখানায় এর ব্যবহার রয়েছে। সুতরাং বলা যায়, খনিজ তেল এমন একটি সম্পদ যা দ্বারা বিশ্বের প্রতিটি দেশই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হচ্ছে এবং মানবকল্যাণে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
খনিজের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

বিশেষ রাসায়নিক গঠনযুক্ত প্রাকৃতিক এবং অজৈব গঠিত বস্তুকে খনিজ বলে।
খ
"উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

শক্তির অন্যতম উৎস হলো কয়লা। উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে কয়লার উৎপত্তি। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে উদ্ভিদের দেহাবশেষ মাটির নিচে চাপা পড়ে সময়ের বিবর্তনে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় কয়লায় পরিণত হয়েছে। তাই বলা যায় উদ্ভিদের দেহাবশেষ হতে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় কয়লার উৎপত্তি।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদের উৎপাদন আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো মধ্যপ্রাচ্য যেখানে প্রধান খনিজ হলো খনিজ তেল। উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো মধ্যপ্রাচ্য যেখানে প্রধান খনিজ হলো খনিজ তেল। সারা বিশ্বে তেল উত্তোলনে মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলোর অবদান অন্যতম। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ তেল উত্তোলন করে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো খনিজ তেল সমৃদ্ধ যা উক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাবিকাঠি। খনিজ তেল উত্তোলনে প্রথম স্থান অধিকার করেছে সৌদি আরব। সেখানে ১৪টি তেলক্ষেত্র রয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্তর্ভুক্ত দেশ ইরানেও তেল সম্পদের ভান্ডার রয়েছে। ইরানের হামাদানে পৃথিবীর বৃহত্তম তেল শোধনাগার অবস্থিত। এদেশ থেকে উৎপাদিত তেলের প্রায় ৬৫ শতাংশ বিদেশে রপ্তানি করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের ইরাক দেশটিও তেলের জন্য বিখ্যাত। ইরাকের কিরকুক তেলক্ষেত্রটি পৃথিবী বিখ্যাত। এছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত খনিজ তেলের জন্য বিখ্যাত। question image অতএব বলা যায় যে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো খনিজ তেল সমৃদ্ধ যা উক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাবিকাঠি।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলের ইঙ্গিতকৃত খনিজ সম্পদটির বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো মধ্যপ্রাচ্য যেখানে প্রধান খনিজ হলো খনিজ তেল। নিচে উক্ত খনিজ তেলের গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো। বিশ্বের মোট ব্যবহৃত জ্বালানি শক্তির প্রায় ৫৬% আসে খনিজ তেল থেকে। অন্যান্য জ্বালানি শক্তি অপেক্ষা খনিজ তেল ব্যবহার সহজ, সুবিধাজনক ও সম্ভা। এজন্য বিশ্বজুড়ে এর চাহিদা অপরিমেয়। নিচে খনিজ তেলের বহুমুখী ব্যবহার আলোচনা করা হলো- G মোটরগাড়ি, বাস, ট্রাক, রেলগাড়ি, জাহাজ, বিমান প্রভৃতি চালাতে খনিজ তেল ব্যবহৃত হয়। সাবমেরিন, যুদ্ধবিমান, কামানবাহী গাড়ি, ট্যাঙ্ক প্রভৃতি চালানোর জন্য খনিজজাত তেল ব্যবহার করা হয়। ট্রাক্টর, হারভেস্টার, থ্রেশার, পাম্পসেট, জেনারেটর প্রভৃতি চালনার জন্য পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন ব্যবহার করা হয়। কয়লা ছাড়াও ডিজেলের সাহায্যে তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এছাড়া শিল্পকারখানায় এর ব্যবহার রয়েছে। সুতরাং বলা যায়, খনিজ তেল এমন একটি সম্পদ যা দ্বারা বিশ্বের প্রতিটি দেশই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হচ্ছে এবং মানবকল্যাণে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2019

ক
সম্পদ কী?

উত্তর

যেসব দ্রব্যের উপযোগ (Utility) আছে, যা হস্তান্তরযোগ্য (Transferable) এবং যার বাহ্যিক রূপ (Structure) আছে তাই সম্পদ। যেমন— কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস।
খ
খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর

খনিজ এলাকার পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। ভূগর্ভে সঞ্চিত খনিজ মানবজাতির বৃহৎ কল্যাণ ও সার্বিক অগ্রগতির চাবিকাঠি। মাত্রাতিরিক্ত ও অপরিকল্পিতভাবে খনিজ উত্তোলনের ফলে মৃত্তিকা ক্ষয়, ভূমিধস, বায়ুদূষণ ইত্যাদি ঘটে থাকে। এ কারণে শুধু আর্থিক লাভের বিষয়টি মাথায় রেখে খনিজ উত্তোলন করলে চলবে না। খনিজ সম্পদের পরিমিত ব্যবহার পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। নির্বিচারে খনিজ উত্তোলন আমাদের জন্য আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপ হিসেবে দেখা দিতে পারে।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো দিনাজপুর। যেখানে কয়লা খনিজ সম্পদটি উত্তোলিত হয়। পৃথিবীর অন্যতম প্রধান খনিজ সম্পদ কয়লা। এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- i. কয়লা খনিজ কার্বন গঠিত একটি যৌগ। ii. উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহাবশেষ থেকে কয়লার সৃষ্টি হয়। ভূ-অভ্যন্তরে লক্ষ লক্ষ বছরে জমাকৃত উদ্ভিদের কাণ্ড, গুঁড়ি, শাখা-প্রশাখা, পাতা নানারূপে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে কয়লায় পরিণত হয়। iii. প্রায় ৩০ কোটি বছর পূর্বে কার্বনিফেরাস যুগে ভূ-আলোড়নজনিত (Earth movement) কারণে পৃথিবীর আদি বনভূমি মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়। ভূগর্ভে চাপ ও প্রচণ্ড তাপের প্রভাবে এই চাপা পড়া বনভূমি কালক্রমে কয়লায় পরিণত হয় । iv. বিশ্বে শক্তি উৎপাদনকারী জ্বালানিসমূহের মধ্যে কয়লা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। V. কার্বনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে কয়লাকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা: ১. পিট (কার্বনের পরিমাণ ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ) ২. লিগনাইট (কার্বনের পরিমাণ ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ) ৩. বিটুমিনাস (কার্বনের পরিমাণ ৫০ থেকে ৮৫ শতাংশ) এবং ৪. অ্যানথ্রাসাইট (কার্বনের পরিমাণ ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ)।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজদ্বয়ের ব্যবহারিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের খনিজ দুটি হলো বাংলাদেশের দিনাজপুরের কয়লা ও সিলেটের প্রাকৃতিক গ্যাস। ব্যবহারিক গুরুত্বের দিক থেকে উল্লিখিত খনিজ দুটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন- কয়লা: কয়লা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বর্তমানে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া থেকে উত্তোলিত কয়লার ৬৫ শতাংশ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৫ শতাংশ ইটভাটা, কলকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবহৃত হয়। ফলে কাঠের লাকড়ির বিকল্প হিসেবে বনজ সম্পদ রক্ষায় কয়লা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রাকৃতিক গ্যাস: প্রাকৃতিক গ্যাস শিল্পকারখানার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফেঞ্চুগঞ্জের সার কারখানায় ও ছাতকের সিমেন্ট কারখানায় হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। ঘোড়াশালের সার কারখানায় তিতাস গ্যাস কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কীটনাশক, ওষুধ, রাবার, প্লাস্টিক, কৃত্রিম তন্তু প্রভৃতি তৈরির জন্য প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ফার্নেস তেলের পরিবর্তে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। যেমন- সিদ্ধিরগঞ্জ, আশুগঞ্জ, ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও গৃহস্থালি, যানবাহন ও বাণিজ্যিক কাজে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, কৃষির উন্নতি, বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় হ্রাস, সরকারি আয়ের উৎস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রভৃতি ক্ষেত্রে এই খনিজ দ্রব্যগুলো যথেষ্ট অবদান রাখে। এজন্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজদ্বয়ের তাৎপর্য অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2019

ক
সম্পদ কী?

উত্তর

যেসব দ্রব্যের উপযোগ (Utility) আছে, যা হস্তান্তরযোগ্য (Transferable) এবং যার বাহ্যিক রূপ (Structure) আছে তাই সম্পদ। যেমন— কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস।
খ
খনিজ এলাকায় পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ— ব্যাখ্যা করো ।

উত্তর

খনিজ এলাকার পরিবেশ সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। ভূগর্ভে সঞ্চিত খনিজ মানবজাতির বৃহৎ কল্যাণ ও সার্বিক অগ্রগতির চাবিকাঠি। মাত্রাতিরিক্ত ও অপরিকল্পিতভাবে খনিজ উত্তোলনের ফলে মৃত্তিকা ক্ষয়, ভূমিধস, বায়ুদূষণ ইত্যাদি ঘটে থাকে। এ কারণে শুধু আর্থিক লাভের বিষয়টি মাথায় রেখে খনিজ উত্তোলন করলে চলবে না। খনিজ সম্পদের পরিমিত ব্যবহার পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। নির্বিচারে খনিজ উত্তোলন আমাদের জন্য আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপ হিসেবে দেখা দিতে পারে।
গ
উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো দিনাজপুর। যেখানে কয়লা খনিজ সম্পদটি উত্তোলিত হয়। পৃথিবীর অন্যতম প্রধান খনিজ সম্পদ কয়লা। এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- i. কয়লা খনিজ কার্বন গঠিত একটি যৌগ। ii. উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহাবশেষ থেকে কয়লার সৃষ্টি হয়। ভূ-অভ্যন্তরে লক্ষ লক্ষ বছরে জমাকৃত উদ্ভিদের কাণ্ড, গুঁড়ি, শাখা-প্রশাখা, পাতা নানারূপে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে কয়লায় পরিণত হয়। iii. প্রায় ৩০ কোটি বছর পূর্বে কার্বনিফেরাস যুগে ভূ-আলোড়নজনিত (Earth movement) কারণে পৃথিবীর আদি বনভূমি মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়। ভূগর্ভে চাপ ও প্রচণ্ড তাপের প্রভাবে এই চাপা পড়া বনভূমি কালক্রমে কয়লায় পরিণত হয় । iv. বিশ্বে শক্তি উৎপাদনকারী জ্বালানিসমূহের মধ্যে কয়লা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। V. কার্বনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে কয়লাকে চারটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা: ১. পিট (কার্বনের পরিমাণ ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ) ২. লিগনাইট (কার্বনের পরিমাণ ৩৫ থেকে ৫০ শতাংশ) ৩. বিটুমিনাস (কার্বনের পরিমাণ ৫০ থেকে ৮৫ শতাংশ) এবং ৪. অ্যানথ্রাসাইট (কার্বনের পরিমাণ ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ)।
ঘ
উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের ইঙ্গিতকৃত খনিজদ্বয়ের ব্যবহারিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত স্থানের খনিজ দুটি হলো বাংলাদেশের দিনাজপুরের কয়লা ও সিলেটের প্রাকৃতিক গ্যাস। ব্যবহারিক গুরুত্বের দিক থেকে উল্লিখিত খনিজ দুটি তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন- কয়লা: কয়লা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বর্তমানে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া থেকে উত্তোলিত কয়লার ৬৫ শতাংশ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৫ শতাংশ ইটভাটা, কলকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবহৃত হয়। ফলে কাঠের লাকড়ির বিকল্প হিসেবে বনজ সম্পদ রক্ষায় কয়লা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রাকৃতিক গ্যাস: প্রাকৃতিক গ্যাস শিল্পকারখানার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফেঞ্চুগঞ্জের সার কারখানায় ও ছাতকের সিমেন্ট কারখানায় হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। ঘোড়াশালের সার কারখানায় তিতাস গ্যাস কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কীটনাশক, ওষুধ, রাবার, প্লাস্টিক, কৃত্রিম তন্তু প্রভৃতি তৈরির জন্য প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ফার্নেস তেলের পরিবর্তে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। যেমন- সিদ্ধিরগঞ্জ, আশুগঞ্জ, ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও গৃহস্থালি, যানবাহন ও বাণিজ্যিক কাজে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, কৃষির উন্নতি, বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় হ্রাস, সরকারি আয়ের উৎস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রভৃতি ক্ষেত্রে এই খনিজ দ্রব্যগুলো যথেষ্ট অবদান রাখে। এজন্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উক্ত খনিজদ্বয়ের তাৎপর্য অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো