উদ্দীপকে উল্লিখিত দুটি দেশ হলো বাংলাদেশ ও ভারত এবং শক্তি সম্পদ কয়লার কথা বলা হয়েছে। নিচে উদ্দীপকে উল্লিখিত দুদেশে সম্পদটি সংরক্ষণ পদ্ধতির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-
কয়লা হলো গচ্ছিত সম্পদ। এ সম্পদ একবার নিঃশেষ হয়ে গেলে আর নতুন করে জন্মায় না। সুতরাং ব্যবহারও করা যাবে না। এজন্য কয়লার অপচয়রোধ ও সংক্ষণের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে। সংরক্ষণ অর্থ হলো যা অপ্রতুল। প্রয়োজনের তুলনায় যে জিনিসের যোগান স্বল্প, ভবিষ্যতের জন্য তার কিছুটা সঞ্চয় করে রাখা জরুরি আর ভবিষ্যতের জন্য ঐ দুর্লভ সম্পদ সংগ্রহ করে রাখতে হলে, দরকার বর্তমানে তার সুপরিকল্পিত, বিচক্ষণ, দক্ষ ব্যবহার। বাংলাদেশ সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য, নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব, উন্নতির স্বার্থে কয়লা সংরক্ষণ অপরিহার্য। বাংলাদেশে কয়লার মজুদ সীমিত। তাই এটি অগ্রাধিকার পদ্ধতিতে সংরক্ষণ প্রয়োজন। এছাড়া কয়লার অপচয় রোধ, শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধি, সূক্ষ্ম নীতি নির্ধারণ ও প্রয়োগ, সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কয়লা সম্পদ সংরক্ষণ করা যায়।
অপরদিকে ভারতেও কয়লার ব্যবহার রয়েছে। তাই ভারত কিছু কয়লার সংরক্ষণ নীতি অবলম্বন করছে, কয়লা সংরক্ষণ ও বৃদ্ধির জন্য ভারত নিম্নোক্ত কৌশলগুলো অবলম্বন করছে।
-মিত্রব্যতা:
১.অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবহার
২.অপচয় বন্ধ করা
৩.সংস্কৃতি/শিক্ষার মান উন্নয়ন
৪.নীতিনির্ধারণ ও প্রয়োগ
-পরিবর্তিত দ্রব্যের ব্যবহার:
১.প্রযুক্তির উৎকর্ষতা
২.সম্পদের পুনর্ব্যবহার
৩.সচেতনতা বৃদ্ধি