উদ্দীপকে বর্ণিত খনিজগুলোসহ অন্যান্য খনিজের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার কীভাবে নিশ্চিত করা যায়? বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত খনিজগুলো হলো খনিজ তেল, লৌহ আকরিক। উল্লিখিত খনিজগুলো ছাড়াও অন্যান্য খনিজের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার যেভাবে নিশ্চিত করা যায় তা নিচে আলোচনা করা হলো: মিতব্যয়িতা: অপচয় নিবারণের মাধ্যমে ও ব্যবহারের বাহুল্য বর্জন করে সংরক্ষণ করা যায়। পরিবর্তিত দ্রব্যের ব্যবহার: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লার ব্যবহার কমিয়ে জলশক্তি ব্যবহার করলে কয়লা সংরক্ষিত হয় এবং সম্পদের বৃদ্ধি হয়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যবহার: অপেক্ষাকৃত বিরল প্রাকৃতিক সম্পদের পরিবর্তে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অধিক প্রাপ্ত সম্পদের ব্যবহার করে সম্পদের সংরক্ষণ করা যায়। সম্পদের পুনর্ব্যবহার: একই বস্তু যদি প্রযুক্তিগত উন্নতির সাহায্যে পুনরায় ব্যবহার করা যায় তবে সম্পদের সংরক্ষণ হয়। সরকারি নীতি নির্ধারণ ও প্রয়োগ: প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সরকার বিভিন্ন নীতি নির্ধারণ করলে এবং তা প্রয়োগ করলে প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ করা যাবে। উপর্যুক্ত বিষয়সমূহ ছাড়াও প্রযুক্তির উৎকর্ষ, সংস্কৃতির মান উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে খনিজ সম্পদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বর্ণিত খনিজগুলোসহ অন্যান্য খনিজের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার কীভা…
হলিক্রস কলেজ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উৎস: Investing News Network 2018 and world steel in figures 2017]
বিশ্বব্যাপী লৌহ আকরিকের বণ্টন:
অস্ট্রেলিয়া: এ দেশটি প্রথম স্থানে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার নিউসাউথ ওয়েলস-এর আয়রন মোনার্ক এবং দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার আয়রন নব লৌহ আকৃরিক উত্তোলনের জন্য প্রসিদ্ধ।
ব্রাজিল: এ দেশটি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে দেশটির মটোগ্রাসো, বিলোহরি, জোমটি, বাহিয়া, কোরাম্বা, মিনাসজেরিস, পেট্রোলিনা প্রভৃতি লৌহ উৎপাদনকারী অঞ্চল।
চীন: চীন লৌহ আকরিক উত্তোলনে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশের মাঞ্চুরিয়ার মুকুদেনে, সান্টুং, ইয়াংসিকিয়াং অববাহিকা, হোনান, হোপাই, শানসি প্রভৃতি অঞ্চলে লৌহ আকরিক পাওয়া যায়।
ভারত: ভারত লৌহ আকরিকে ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে। দেশের বিহারের মালভূমি, মিংভূম; উড়িষ্যার কেওনঝাড়, ময়ূরভঞ্জ, বোনাই; মধ্য প্রদেশের দুগ, রায়পুর, বিলাসপুর প্রভৃতি অঞ্চলে লৌহ আকরিক খনি রয়েছে।
রাশিয়া: লৌহ আকরিক উত্তোলনে এদেশ পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। এদেশে ইউরাল, মস্কো-টুলা, ম্যাগনিটোগরস্ক কুজনেৎস্ক প্রভৃতি এলাকায় লৌহ আকরিক খনি রয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা: এ দেশের পোস্টমাসবার্গ, শিসেন, হোটাজেল প্রভৃতি অঞ্চলে লৌহ আকরিক পাওয়া যায়।
ইউক্রেন: লৌহ আকরিকে খনিগুলো এদেশের কৃষ্ণ সাগরের তীরে অবস্থিত ক্লিভয় রগ অঞ্চলে পাওয়া যায়।
কানাডা: এদেশের লরেন্সীয় মালভূমি, লাব্রাডর মালভূমি, নোভা স্কোশিয় উপদ্বীপে লৌহ আকরিক পাওয়া যায়।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের সুপিরিয়র হ্রদ অঞ্চলে লৌহ আকরিক পাওয়া যায়।
সুতরাং বলা যায় যে, উল্লিখিত দেশগুলোতে লৌহ আকরিক খনি রয়েছে।উত্তর

