মানচিত্রে চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজটির পাঁচটি ক্ষেত্রের বর্ননা দাও।
উত্তর: মানচিত্রে চিহ্নিত অঞ্চলটি হলো সিলেট। অঞ্চলটিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের আধিক্য রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। এদের মধ্যে প্রধান ৫টি গ্যাসক্ষেত্র হলো হরিপুর, রশিদপুর, কৈলাশটিলা, তিতাস ও হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র। নিচে এগুলোর বর্ণনা করা হলো- ১. হরিপুর বা সিলেট গ্যাসক্ষেত্র: সিলেটের হরিপুরে ১৯৫৫ সালে তেলের জন্য পরীক্ষামূলক কূপ খনন করার সময় বাংরাদেশে প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাস আবিষ্কৃত হয়। এ গ্যাস খুবই উন্নতমানের এবং এতে মিথেনের পরিমাণ শতকরা ৯৯.০৫%। এ খনি হতে বার্ষিক প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস উত্তোলিত হয়। এ খনির গ্যাসের সাথে সামান্য তেল, উত্তেলিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে উৎপাদনের পরিমাণ ১.৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ রয়েছে ১০০.৯৫ বিলিয়ন ঘনফুট। এই গ্যাস ক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপসংখ্যা ১টি। ২. রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬০ সালে মৌলভীবজার জেলার রশিদপুরে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এ গ্যাস খুবই উন্নতমানের। এতে মিথেনের পরিমাণ ৯৮.২০%। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ৭.৫৩ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ ১৭৭৩.৫২ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ৫টি। ৩. কৈলাশটিলা গাসক্ষেত্র: ১৯৬২ সালে সিলেটে কৈলাশটিলাতে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এ গ্যাসও উন্নতমানের এবং এতে মিথেনের পরিমাণ প্রায় ৯৫.৭০%। এ খনিজ গ্যাসের সাথে সামান্য তেল উত্তোলিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ২০.১৮ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ার ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ ২০২৬.৩২ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ৩টি। ৪. তিতাস গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নামক স্থানে এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। এটিই বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এতে সঞ্চিত গ্যাসের পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট। এটি দেশে মোট সঞ্চিত গ্যাসের প্রায় ২৩%। এখান হতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হয়। এ গ্যাসের মান খুবই উৎকৃষ্ট। এতে মিথেনের পরিমাণ ৯৬.২৭%। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ১৫৩.৪৯ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ রয়েছে ১৪৩৫.৫৪ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ২৪টি। ৫. হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: ১৯৬৩ সালে হবিগঞ্জ জেলায় এ গ্যাসক্ষেত্রটি আবিস্কৃত হয়। এ গ্যাসও উন্নতমানের এবং এতে মিথেনের পরিমাণ ৯৭.৮০%। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদনের পরিমাণ ৬৭.৮৮ বিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত গ্যাসের মজুদ রয়েছে ৭২.৯৫ বিলিয়ন ঘনফুট। এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ৮টি।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 5 : খনিজ ও শক্তি সম্পদ · সৃজনশীল
মানচিত্রে চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজটির পাঁচটি ক্ষেত্রের বর্ননা দাও।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

