উদ্দীপকে 'খ' চিহ্নিত অঞ্চলের প্রধান খনিজ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস। এদেশের প্রাকৃতিক গ্যাস উচ্চ মাত্রার মিথেন (CH₁) সমৃদ্ধ এবং উন্নতমানের। ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। এ পর্যন্ত এ দেশে সর্বমোট ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এদেশের প্রধান প্রধান গ্যাসক্ষেত্রগুরো হচ্ছে (১) হরিপুর (২) রশিদপুর (৩) কৈলাশটিলা, (৪) তিতাস, (৫) হবিগঞ্জ, (৬) বাখরাবাদ, (৭) বিয়ানিবাজার, (৮) জালালাবাদ, (৯) মেঘনা, (১০) নরসিংদী, (১১) সাঙ্গু, (১২) সালদানদী, (১৩) মৌলভীবাজার, (১৪) ফেঞ্চুগঞ্জ, (১৫) বাঙ্গুরা, (১৬) বিবিয়ানা, (১৭) বেগমগঞ্জ, (১৮) শ্রীকাইল, (১৯) সুন্দলপুর, (২০) সেমুতাং ইত্যাদি গ্যাসক্ষেত্র। বাংলাদেশের সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুযায়ী, এদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট প্রাথমিক উত্তোলনযোগ্য মজুদের পরিমাণ ৩৯.৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিতে উৎপাদন প্রায় ১৮.২৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট এবং অবশিষ্ট গ্যাসের মজুদের পরিমাণ প্রায় ১০.০৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।