চিত্রের 'ক' এবং 'খ' ভূমিরূপ দুটি যথাক্রমে সমভূমি এবং পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি। নিচে ভূমিরূপ দুটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু এবং মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে। যেমন- বাংলাদেশের দিনাজপুর। অপরদিকে, ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হওয়ার সময় সংকোচনজনিত চাপের কারণে পর্বতসমূহের মাঝখানে নিম্নভূমি উঁচু হয়ে যে মালভূমি গঠিত হয় তাকে পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি বলে। যেমন- এশিয়ার মঙ্গোলিয়া ও তারিম। বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন- নদী, হিমবাহ এবং বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয় ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়। ভূআলোড়ন, পাত সঞ্চালন বা সংকোচনজনিত চাপের ফলে ভঙ্গিল পর্বতের মাঝখানে পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি গঠিত হয়। সমভূমি কয়েক মিটার থেকে কয়েক শ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি সাধারণত ৩০০০-৫০০০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।