Chapter 2 : পৃথিবীর গঠন Geography 1st Paper

HSC Geography 1st Paper এর Chapter 2 : পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৯৪

প্রশ্ন

Geography 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
পর্বত কাকে বলে?

উত্তর

ভূপৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। যেমন- বাংলাদেশের কিওক্রাডং।
খ
মালভূমি কিভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পর্বত গঠনের সময় ভূআলোড়নের ফলে বিস্তীর্ণ ভূভাগ উঁচু হয়ে মালভূমির সৃষ্টি করে। যেমন- স্পেনের মেসেটা। আবার উঁচু ভূভাগ প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মালভূমিতে পরিণত হয়। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রের কাম্বারল্যান্ড। এছাড়াও মহাদেশীয় উঁচু ভূমিতে লাভা সঞ্চিত হয়ে মালভূমি গঠিত হয়ে থাকে। যেমন- ভারতের দাক্ষিণাত্য।
গ
পর্বত হিসাবে 'ক' চিত্রের গঠন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র 'ক' তে ভঙ্গিল পর্বত দেখানো হয়েছে। গিরিজনি আলোড়নের ফলে কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। এ পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ। সমুদ্র তলদেশের অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হয়। এর চাপে অবনমিত স্থান আরো নিচে নেমে যায়। পরবর্তী পর্যায়ে ভূআলোড়ন বা ভূমিকম্পের ফলে এবং পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখণ্ডের প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে ঊর্ধ্ব ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত ভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। যেমন- হিমালয় পর্বতমালা।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' চিত্রের পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্র 'ক' এবং 'খ' তে যথাক্রমে ভঙ্গিল পর্বত এবং আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত দেখানো হয়েছে। ভূপৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত এবং খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। পর্বত নানা প্রকারে গঠিত হয়। তবে উৎপত্তির কারণ ও গঠন অনুসারে পর্বতকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। নিচে ভঙ্গিল পর্বত ও আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বতের পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো: question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
পর্বত কাকে বলে?

উত্তর

ভূপৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। যেমন- বাংলাদেশের কিওক্রাডং।
খ
মালভূমি কিভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পর্বত গঠনের সময় ভূআলোড়নের ফলে বিস্তীর্ণ ভূভাগ উঁচু হয়ে মালভূমির সৃষ্টি করে। যেমন- স্পেনের মেসেটা। আবার উঁচু ভূভাগ প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মালভূমিতে পরিণত হয়। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রের কাম্বারল্যান্ড। এছাড়াও মহাদেশীয় উঁচু ভূমিতে লাভা সঞ্চিত হয়ে মালভূমি গঠিত হয়ে থাকে। যেমন- ভারতের দাক্ষিণাত্য।
গ
পর্বত হিসাবে 'ক' চিত্রের গঠন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র 'ক' তে ভঙ্গিল পর্বত দেখানো হয়েছে। গিরিজনি আলোড়নের ফলে কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। এ পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ। সমুদ্র তলদেশের অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হয়। এর চাপে অবনমিত স্থান আরো নিচে নেমে যায়। পরবর্তী পর্যায়ে ভূআলোড়ন বা ভূমিকম্পের ফলে এবং পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখণ্ডের প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে ঊর্ধ্ব ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত ভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। যেমন- হিমালয় পর্বতমালা।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' চিত্রের পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্র 'ক' এবং 'খ' তে যথাক্রমে ভঙ্গিল পর্বত এবং আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত দেখানো হয়েছে। ভূপৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত এবং খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। পর্বত নানা প্রকারে গঠিত হয়। তবে উৎপত্তির কারণ ও গঠন অনুসারে পর্বতকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। নিচে ভঙ্গিল পর্বত ও আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বতের পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো: question image

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
ভূ-ত্বকের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

পৃথিবীর উপরিভাগের পাতলা কঠিন আবরণই ভূ-ত্বক।
খ
জৈবিক বিচূর্ণীভবন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জৈবিক বিচূর্ণীভবন সাধারণত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দ্বারা সংঘটিত হয়। মানুষ ও অন্যান্য জীবজন্তু, কীটপতঙ্গ, বৃক্ষলতাদি প্রতিনিয়ত ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়সাধন ও পরিবর্তন করছে। প্রাণী ও উদ্ভিদের কাজকর্মের দ্বারা ভূপৃষ্ঠ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় বলে এ প্রক্রিয়াকে জৈবিক বিচূর্ণীভবন বলে। যেমন- ইদুরের মাটি খনন।
গ
চিত্রে প্রদর্শিত 'ক' ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্রে প্রদর্শিত 'ক' ভূমিরূপটি হলো সমভূমি। সমুদ্রপৃষ্ঠের সাথে প্রায় সমউচ্চতাবিশিষ্ট বিস্তীর্ণ এবং মৃদু ঢালবিশিষ্ট বিস্তৃত এলাকাকে সমভূমি বলে। সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ- i. এটা কখনও খাড়া ঢালবিশিষ্ট হয় না; ii. এর উপরিভাগ প্রায় সমতল বা ক্রমশ নিম্ন অথবা সামান্য উঁচু-নিচু বা তরঙ্গায়িত হয়; ii. এখানে কোনো সুবিস্তৃত নিম্ন বা উচ্চভূমি থাকে না; iv. এর মাটির স্তর খুবই গভীর এবং ভূমি উর্বর হয়; v. কৃষি এবং মানুষের বসবাসের কাজে এ ভূমি অধিক ব্যবহৃত হয়; vi. পৃথিবীর ৫৮ ভাগ ভূমিরূপ সমভূমির আওতাভুক্ত।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' এবং 'খ' ভূমিরূপের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্রের 'ক' এবং 'খ' ভূমিরূপ দুটি যথাক্রমে সমভূমি এবং পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি। নিচে ভূমিরূপ দুটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু এবং মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে। যেমন- বাংলাদেশের দিনাজপুর। অপরদিকে, ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হওয়ার সময় সংকোচনজনিত চাপের কারণে পর্বতসমূহের মাঝখানে নিম্নভূমি উঁচু হয়ে যে মালভূমি গঠিত হয় তাকে পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি বলে। যেমন- এশিয়ার মঙ্গোলিয়া ও তারিম। বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন- নদী, হিমবাহ এবং বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয় ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়। ভূআলোড়ন, পাত সঞ্চালন বা সংকোচনজনিত চাপের ফলে ভঙ্গিল পর্বতের মাঝখানে পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি গঠিত হয়। সমভূমি কয়েক মিটার থেকে কয়েক শ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি সাধারণত ৩০০০-৫০০০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
ভূ-ত্বকের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

পৃথিবীর উপরিভাগের পাতলা কঠিন আবরণই ভূ-ত্বক।
খ
জৈবিক বিচূর্ণীভবন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জৈবিক বিচূর্ণীভবন সাধারণত উদ্ভিদ ও প্রাণীর দ্বারা সংঘটিত হয়। মানুষ ও অন্যান্য জীবজন্তু, কীটপতঙ্গ, বৃক্ষলতাদি প্রতিনিয়ত ভূপৃষ্ঠের ক্ষয়সাধন ও পরিবর্তন করছে। প্রাণী ও উদ্ভিদের কাজকর্মের দ্বারা ভূপৃষ্ঠ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় বলে এ প্রক্রিয়াকে জৈবিক বিচূর্ণীভবন বলে। যেমন- ইদুরের মাটি খনন।
গ
চিত্রে প্রদর্শিত 'ক' ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্রে প্রদর্শিত 'ক' ভূমিরূপটি হলো সমভূমি। সমুদ্রপৃষ্ঠের সাথে প্রায় সমউচ্চতাবিশিষ্ট বিস্তীর্ণ এবং মৃদু ঢালবিশিষ্ট বিস্তৃত এলাকাকে সমভূমি বলে। সমভূমির বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ- i. এটা কখনও খাড়া ঢালবিশিষ্ট হয় না; ii. এর উপরিভাগ প্রায় সমতল বা ক্রমশ নিম্ন অথবা সামান্য উঁচু-নিচু বা তরঙ্গায়িত হয়; ii. এখানে কোনো সুবিস্তৃত নিম্ন বা উচ্চভূমি থাকে না; iv. এর মাটির স্তর খুবই গভীর এবং ভূমি উর্বর হয়; v. কৃষি এবং মানুষের বসবাসের কাজে এ ভূমি অধিক ব্যবহৃত হয়; vi. পৃথিবীর ৫৮ ভাগ ভূমিরূপ সমভূমির আওতাভুক্ত।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' এবং 'খ' ভূমিরূপের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্রের 'ক' এবং 'খ' ভূমিরূপ দুটি যথাক্রমে সমভূমি এবং পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি। নিচে ভূমিরূপ দুটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু এবং মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে। যেমন- বাংলাদেশের দিনাজপুর। অপরদিকে, ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হওয়ার সময় সংকোচনজনিত চাপের কারণে পর্বতসমূহের মাঝখানে নিম্নভূমি উঁচু হয়ে যে মালভূমি গঠিত হয় তাকে পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি বলে। যেমন- এশিয়ার মঙ্গোলিয়া ও তারিম। বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন- নদী, হিমবাহ এবং বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয় ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়। ভূআলোড়ন, পাত সঞ্চালন বা সংকোচনজনিত চাপের ফলে ভঙ্গিল পর্বতের মাঝখানে পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি গঠিত হয়। সমভূমি কয়েক মিটার থেকে কয়েক শ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি সাধারণত ৩০০০-৫০০০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
ভিসুভিয়াস কোন ধরনের পর্বত?

উত্তর

ভিসুভিয়াস আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত।
খ
ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ভঙ্গিল পর্বত প্রধানত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। তবে পরিচালন স্রোতের মাধ্যমে বিভিন্ন পাতের চলনই ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রধান কারণ। দীর্ঘদিন ধরে অগভীর সমুদ্র বা মহাখাত অঞ্চলের তলদেশে পলি সঞ্চিত হয়ে পাললিক শিলার সৃষ্টি হয়। পরে এ পাললিক শিলা বিভিন্ন পার্শ্বচাপ ও প্রাকৃতিক ক্রিয়ায় ফলে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি করে। নেপালের হিমালয় ভঙ্গিল পর্বতের অন্তর্ভুক্ত।
গ
উদ্দীপকে ক চিহ্নিত স্তরটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্রের 'ক' স্তরটি অশ্মমণ্ডল। পৃথিবীর উপরের কঠিন ও পাতলা শিলাস্তরকে অশ্মমণ্ডল বলে। ভূপৃষ্ঠের নানা প্রকার শিলা দ্বারা গঠিত কঠিন বহিরাবরণকে অশ্মমণ্ডল বলে। 'অশ্ম' শব্দের অর্থ হলো শিলা। যে কারণে এ মণ্ডলকে শিলামণ্ডলও বলা হয়। এ মণ্ডলের গভীরতা ৩ কি.মি. হতে ৪০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। গড় গভীরতা ২০ কি.মি.। এ স্তরের আপেক্ষিক গুরুত্ব পানির চেয়ে ২/৩ গুণ ভারী। এ শিলামণ্ডল সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম, কোয়ার্টজ, ফেলসপার, গ্রানাইট ও কিছু ব্যাসল্ট উপাদান দ্বারা গঠিত। অশ্মমণ্ডলের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এ স্তরটি দুটি স্তরে বিভক্ত। উপরের স্তরটি হালকা। এ স্তরকে সিয়াল স্তর বলে। নিচের স্তরটি ভারী। এ স্তরকে সিমা স্তর বলে।
ঘ
উদ্দীপকের খ ও গ চিহ্নিত স্তর দুটোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্রের 'খ' ও 'গ' চিহ্নিত স্তর দুটি যথাক্রমে গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল। বৈশিষ্ট্যগতভাবে এদের মধ্যে কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় যা নিচে আলোচনা করা হলো- অশ্মমণ্ডলের নিচের স্তরকে গুরুমণ্ডল বলে। গুরুমণ্ডল স্তরের গভীরতা ১৫ কিমি. থেকে ২,৮৮৫ কিমি পর্যন্ত। এটি মূলত ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত। গুরুমণ্ডলকে বহিঃগুরুমণ্ডল ও অন্তঃগুরুমণ্ডল এ দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বহিঃগুরুমণ্ডল স্তরটি ১০০ কিমি. থেকে ৭০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্তঃগুরুমণ্ডল স্তরটি ৭০০ কিমি. থেকে ২,৮৮৫ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে পৃথিবীর কেন্দ্রের চারিদিকে প্রায় ৩,৪৮৬ কিমি. ব্যাসার্ধের এক গোলক অবস্থিত। এ গোলকটির নাম কেন্দ্রমণ্ডল। কেন্দ্রমণ্ডলটি গুরুমণ্ডল (২৮৮৫ কিমি) থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র (৬,৩৭১ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত। গুটেনবার্গ বিযুক্তি থেকে এর গভীরতা ৩,৪৮৬ কিমি। এর মূল উপাদান নিকেল ও লোহা। তবে পারদ ও সিসার মতো ভারী ধাতুও কেন্দ্রমণ্ডলে বিদ্যমান। এর তাপমাত্রা স্থানভেদে ৩,০০০°-৫,০০০° সে. বা তারও বেশি। এ থেকে বোঝা যায়, গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমন্ডলের বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা আছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2018

ক
ভিসুভিয়াস কোন ধরনের পর্বত?

উত্তর

ভিসুভিয়াস আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত।
খ
ভঙ্গিল পর্বত কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ভঙ্গিল পর্বত প্রধানত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। তবে পরিচালন স্রোতের মাধ্যমে বিভিন্ন পাতের চলনই ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রধান কারণ। দীর্ঘদিন ধরে অগভীর সমুদ্র বা মহাখাত অঞ্চলের তলদেশে পলি সঞ্চিত হয়ে পাললিক শিলার সৃষ্টি হয়। পরে এ পাললিক শিলা বিভিন্ন পার্শ্বচাপ ও প্রাকৃতিক ক্রিয়ায় ফলে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি করে। নেপালের হিমালয় ভঙ্গিল পর্বতের অন্তর্ভুক্ত।
গ
উদ্দীপকে ক চিহ্নিত স্তরটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্রের 'ক' স্তরটি অশ্মমণ্ডল। পৃথিবীর উপরের কঠিন ও পাতলা শিলাস্তরকে অশ্মমণ্ডল বলে। ভূপৃষ্ঠের নানা প্রকার শিলা দ্বারা গঠিত কঠিন বহিরাবরণকে অশ্মমণ্ডল বলে। 'অশ্ম' শব্দের অর্থ হলো শিলা। যে কারণে এ মণ্ডলকে শিলামণ্ডলও বলা হয়। এ মণ্ডলের গভীরতা ৩ কি.মি. হতে ৪০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। গড় গভীরতা ২০ কি.মি.। এ স্তরের আপেক্ষিক গুরুত্ব পানির চেয়ে ২/৩ গুণ ভারী। এ শিলামণ্ডল সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম, কোয়ার্টজ, ফেলসপার, গ্রানাইট ও কিছু ব্যাসল্ট উপাদান দ্বারা গঠিত। অশ্মমণ্ডলের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এ স্তরটি দুটি স্তরে বিভক্ত। উপরের স্তরটি হালকা। এ স্তরকে সিয়াল স্তর বলে। নিচের স্তরটি ভারী। এ স্তরকে সিমা স্তর বলে।
ঘ
উদ্দীপকের খ ও গ চিহ্নিত স্তর দুটোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

চিত্রের 'খ' ও 'গ' চিহ্নিত স্তর দুটি যথাক্রমে গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল। বৈশিষ্ট্যগতভাবে এদের মধ্যে কিছু পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় যা নিচে আলোচনা করা হলো- অশ্মমণ্ডলের নিচের স্তরকে গুরুমণ্ডল বলে। গুরুমণ্ডল স্তরের গভীরতা ১৫ কিমি. থেকে ২,৮৮৫ কিমি পর্যন্ত। এটি মূলত ব্যাসল্ট শিলায় গঠিত। গুরুমণ্ডলকে বহিঃগুরুমণ্ডল ও অন্তঃগুরুমণ্ডল এ দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। বহিঃগুরুমণ্ডল স্তরটি ১০০ কিমি. থেকে ৭০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্তঃগুরুমণ্ডল স্তরটি ৭০০ কিমি. থেকে ২,৮৮৫ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে পৃথিবীর কেন্দ্রের চারিদিকে প্রায় ৩,৪৮৬ কিমি. ব্যাসার্ধের এক গোলক অবস্থিত। এ গোলকটির নাম কেন্দ্রমণ্ডল। কেন্দ্রমণ্ডলটি গুরুমণ্ডল (২৮৮৫ কিমি) থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র (৬,৩৭১ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত। গুটেনবার্গ বিযুক্তি থেকে এর গভীরতা ৩,৪৮৬ কিমি। এর মূল উপাদান নিকেল ও লোহা। তবে পারদ ও সিসার মতো ভারী ধাতুও কেন্দ্রমণ্ডলে বিদ্যমান। এর তাপমাত্রা স্থানভেদে ৩,০০০°-৫,০০০° সে. বা তারও বেশি। এ থেকে বোঝা যায়, গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমন্ডলের বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা আছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো