HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল
উদ্দীপক

Rajshahi · 2017
ক
পর্বত কাকে বলে?
উত্তর
ভূপৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। যেমন- বাংলাদেশের কিওক্রাডং।
খ
মালভূমি কিভাবে গঠিত হয়? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
পর্বত গঠনের সময় ভূআলোড়নের ফলে বিস্তীর্ণ ভূভাগ উঁচু হয়ে মালভূমির সৃষ্টি করে। যেমন- স্পেনের মেসেটা। আবার উঁচু ভূভাগ প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মালভূমিতে পরিণত হয়। যেমন- যুক্তরাষ্ট্রের কাম্বারল্যান্ড। এছাড়াও মহাদেশীয় উঁচু ভূমিতে লাভা সঞ্চিত হয়ে মালভূমি গঠিত হয়ে থাকে। যেমন- ভারতের দাক্ষিণাত্য।
গ
পর্বত হিসাবে 'ক' চিত্রের গঠন ব্যাখ্যা কর।
উত্তর
চিত্র 'ক' তে ভঙ্গিল পর্বত দেখানো হয়েছে। গিরিজনি আলোড়নের ফলে কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়। এ পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ। সমুদ্র তলদেশের অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হয়। এর চাপে অবনমিত স্থান আরো নিচে নেমে যায়। পরবর্তী পর্যায়ে ভূআলোড়ন বা ভূমিকম্পের ফলে এবং পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখণ্ডের প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে ঊর্ধ্ব ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত ভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। যেমন- হিমালয় পর্বতমালা।
ঘ
উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' চিত্রের পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।
উত্তর
চিত্র 'ক' এবং 'খ' তে যথাক্রমে ভঙ্গিল পর্বত এবং আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত দেখানো হয়েছে। ভূপৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত এবং খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। পর্বত নানা প্রকারে গঠিত হয়। তবে উৎপত্তির কারণ ও গঠন অনুসারে পর্বতকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। নিচে ভঙ্গিল পর্বত ও আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বতের পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো:


সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

