উদ্দীপকের প্রথমোক্ত সময়ে পানির গর্জন কেন সৃষ্টি হয়েছিল ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের প্রথম সময়ে পানির গর্জন সৃষ্টি হয়েছিল চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণে সৃষ্ট জোয়ারের ফলে যা ভরাকটাল নামে পরিচিত। তরুণ ও কচি চন্দ্র মাসের শেষ দিনে অর্থাৎ পূর্ণিমার রাতে কুয়াকাটায় পানির গর্জন ও চাঁদের আলোয় পানির সৌন্দর্য দেখে বিমোহিত হয়েছিল। অর্থাৎ তখন ভরাকটাল সংঘটিত হয়েছিল। পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একদিকে সূর্য ও অন্যদিকে চন্দ্র থাকে এবং তারা সমসূত্রে অবস্থান করে। ফলে সূর্য ও চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি একই সাথে কার্যকরী হয়। এ দিনে চন্দ্রের আকর্ষণে যে স্থানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণেও সেই স্থানে জোয়ার হয়। তাই পূর্ণিমার রাত অর্থাৎ চন্দ্র মাসের শেষ দিনে ঐ স্থানে সমুদ্র এলাকায় প্রবল বেগে জোয়ার সংঘটিত হয়।
HSC Geography 1st Paper Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা · সৃজনশীল
উদ্দীপকের প্রথমোক্ত সময়ে পানির গর্জন কেন সৃষ্টি হয়েছিল ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
Dhaka · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
প্রথম ঘটনাটি পূর্ণিমার রাতের সামুদ্রিক আচরণ, যে সময় ভরাকটাল সংঘটিত হয়। এ সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। তখন তাদের মিলিত শক্তিতে জোয়ারভাটার প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকে। ফলে পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে উভয়ের মিলিত শক্তিতে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয় ফলে ভরাকটালের সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ঘটনাটি প্রথম ঘটনার ৭-৮ দিন পরে অর্থাৎ অষ্টমী তিথিতে সংঘটিত ঘটনা যা মরাকটাল নামে পরিচিত। ঐ সময় চন্দ্রের আলো কম থাকায় পানির গর্জনশক্তি কম থাকে। অমাবস্যা ও পূর্ণিমার অষ্টমী তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে একই সরলরেখায় অবস্থান না করে উভয়ে পৃথিবীর সাথে পরস্পর সমকোণে অবস্থান করে এবং পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। ফলে এ সময় চাঁদের আকর্ষণে চাঁদের দিকে ও বিপরীত দিকে জোয়ার এবং সূর্যের আকর্ষণে সূর্যের দিকে ও তার বিপরীত দিকে জোয়ার সংঘটিত হওয়ার কথা, কিন্তু দেখা যায় চাঁদের আকর্ষণে চাঁদের দিকে ও তার বিপরীত দিকে জোয়ার এবং সূর্যের দিকে ও সূর্যের বিপরীত দিকে ভাটা সংঘটিত হয়। এরূপ ঘটনাকে মরাকটাল বলে।
