Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা Geography 1st Paper

HSC Geography 1st Paper এর Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৩৩

প্রশ্ন

Geography 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
জোয়ার কাকে বলে?

উত্তর

কনদী বা সমুদ্রের পানির নিয়মিত ফুলে ওঠাকে জোয়ার বলে।
খ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জোয়ারের সময় নদীর মোহনা ও নদীর অভ্যন্তরে পানি বৃদ্ধি পায় বলে বড় বড় সমুদ্রগামী জাহাজ সমুদ্র উপকূল থেকে দূরবর্তী বন্দর ও পোতাশ্রয়ে যেতে পারে। ফলে জোয়ার প্রভাবিত নদীতীরের বন্দরগুলোতে ব্যবসায়-বাণিজ্য অব্যাহত থাকে। জোয়ার-ভাটার ফলে নদীর পানি নির্মল থাকে। জোয়ার-ভাটায় স্রোতের জন্য নদীখাত গভীর হয়। বহু নদীতে ভাটার স্রোতকে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। নদীর জোয়ার পানি সেচেও সহায়তা করে।
গ
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে কোন ধরনের জোয়ার হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে চন্দ্র, সূর্য এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় ভরা জোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে। অমাবস্যা তিথিতে সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। আবার পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একদিকে সূর্য ও অপরদিকে চন্দ্র থাকে এবং সমসূত্রে অবস্থান করে। ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই সাথে কার্যকরী হয়। উভয়ের মিলিত আকর্ষণ শক্তি প্রবল হয়। পূর্ণিমা ও অমবস্যার ঐ দুই দিন চন্দ্রের আকর্ষণে যে স্থানের জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণেও সে স্থানে জোয়ার হয়। এ দুই দিন চন্দ্র সূর্যের মিলিত শক্তির আকর্ষণের ফলে পৃথিবীর দুই দিকের জলরাশি খুব বেশি মাত্রায় ফুলে ওঠে দুই জোয়ারের মধ্যে সমকোণী অংশে ভাটার পানি খুব দ্রুত নেমে যায়। এ কারণে পূর্ণিমা ও অমবস্যার জোয়ারকে ভরা জোয়ার বা তেজ কাটাল বলে।
ঘ
'ক' ও 'খ' চিত্রের জোয়ারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' চিত্রে চন্দ্র, সূর্য এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় তেজ কটাল বা ভরা জোয়ারের এবং 'খ' চিত্রে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে সমকোণে অবস্থান করায় মরা কটালের সৃষ্টি হয়েছে। পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবী, চন্দ্র ও সূর্য প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। ফলে সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। এর ফলে এ দুই সময়ে জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে। এ ফুলে ওঠাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে। অপরদিকে, অষ্টমী তিথীতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে না থেকে উভয়ে পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। ঐ দিন তারা পৃথিবীকে আড়াআড়িভাবে আকর্ষণ করে বলে আকর্ষণের বেগ অনেক কম হয়। তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। চন্দ্র পৃথিবীর নিকটে থাকায় তার কার্যকরী শক্তি সূর্য অপেক্ষা বেশি। তাই ঐ সময়ে চন্দ্রের দিকে জোয়ার ও সূর্যের দিকে ভাটা হয়। সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি বেশি স্ফীত হতে পারে না বলে এ জাতীয় জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল বলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
জোয়ার কাকে বলে?

উত্তর

কনদী বা সমুদ্রের পানির নিয়মিত ফুলে ওঠাকে জোয়ার বলে।
খ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার ভাটার প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

জোয়ারের সময় নদীর মোহনা ও নদীর অভ্যন্তরে পানি বৃদ্ধি পায় বলে বড় বড় সমুদ্রগামী জাহাজ সমুদ্র উপকূল থেকে দূরবর্তী বন্দর ও পোতাশ্রয়ে যেতে পারে। ফলে জোয়ার প্রভাবিত নদীতীরের বন্দরগুলোতে ব্যবসায়-বাণিজ্য অব্যাহত থাকে। জোয়ার-ভাটার ফলে নদীর পানি নির্মল থাকে। জোয়ার-ভাটায় স্রোতের জন্য নদীখাত গভীর হয়। বহু নদীতে ভাটার স্রোতকে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। নদীর জোয়ার পানি সেচেও সহায়তা করে।
গ
উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে কোন ধরনের জোয়ার হয়- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' চিত্রে চন্দ্র, সূর্য এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় ভরা জোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে। অমাবস্যা তিথিতে সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। আবার পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একদিকে সূর্য ও অপরদিকে চন্দ্র থাকে এবং সমসূত্রে অবস্থান করে। ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই সাথে কার্যকরী হয়। উভয়ের মিলিত আকর্ষণ শক্তি প্রবল হয়। পূর্ণিমা ও অমবস্যার ঐ দুই দিন চন্দ্রের আকর্ষণে যে স্থানের জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণেও সে স্থানে জোয়ার হয়। এ দুই দিন চন্দ্র সূর্যের মিলিত শক্তির আকর্ষণের ফলে পৃথিবীর দুই দিকের জলরাশি খুব বেশি মাত্রায় ফুলে ওঠে দুই জোয়ারের মধ্যে সমকোণী অংশে ভাটার পানি খুব দ্রুত নেমে যায়। এ কারণে পূর্ণিমা ও অমবস্যার জোয়ারকে ভরা জোয়ার বা তেজ কাটাল বলে।
ঘ
'ক' ও 'খ' চিত্রের জোয়ারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' চিত্রে চন্দ্র, সূর্য এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় তেজ কটাল বা ভরা জোয়ারের এবং 'খ' চিত্রে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে সমকোণে অবস্থান করায় মরা কটালের সৃষ্টি হয়েছে। পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে পৃথিবী, চন্দ্র ও সূর্য প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। ফলে সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। এর ফলে এ দুই সময়ে জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে। এ ফুলে ওঠাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে। অপরদিকে, অষ্টমী তিথীতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে না থেকে উভয়ে পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। ঐ দিন তারা পৃথিবীকে আড়াআড়িভাবে আকর্ষণ করে বলে আকর্ষণের বেগ অনেক কম হয়। তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। চন্দ্র পৃথিবীর নিকটে থাকায় তার কার্যকরী শক্তি সূর্য অপেক্ষা বেশি। তাই ঐ সময়ে চন্দ্রের দিকে জোয়ার ও সূর্যের দিকে ভাটা হয়। সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি বেশি স্ফীত হতে পারে না বলে এ জাতীয় জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল বলে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?

উত্তর

শৈবাল সাগর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ। সমুদ্রের উপর দিয়ে বাধাহীনভাবে নিয়ত বায়ু প্রবাহিত হয়। সমুদ্রের পানি এই বায়ু দ্বারা তাড়িত হয়ে একদিক থেকে অন্যদিকে প্রবাহিত হতে থাকে। নিয়ত বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণ করে বেশির ভাগ সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হয়। এভাবে বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে প্রভাবিত করে।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' স্রোতটি হলো উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত। দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের একটি শাখা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূল দিয়ে ক্যারিবিয়ান সাগরে প্রবেশ করে। সেখানে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের একটি শাখা এসে মিলিত হয়। এ মিলিত স্রোত মেক্সিকো উপসাগরে প্রবেশ করে উপসাগরীয় স্রোত নাম ধারণ করে। ফ্লোরিডা প্রণালির মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় স্রোত প্রবল বেগে বের হয়ে আসলে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের আরেকটি শাখার সাথে মিলিত হয়। এই স্রোত যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল দিয়ে অগ্রসর হয়ে সেন্ট হ্যাটেরাল অন্তরীপের নিকট দক্ষিণ-পশ্চিম প্রত্যয়ন বায়ুর প্রভাবে উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। এই বিখ্যাত সমুদ্রস্রোতের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪.৫০ মাইল এবং বিস্তার ৪০-৩০০ মাইল। উষ্ণতা স্থানভেদে ৮৫০-৯০০ ফারেনহাইট।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্রোতের মিলন স্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' স্রোতটি হলো উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত এবং 'খ' স্রোতটি হলো শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত। নিচে উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত ও শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের মিলনস্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা হলো: ল্যাব্রাডর ও উপসাগরীয় স্রোতের মিলনস্থলে ব্যাপক কুয়াশা ও তুষার ঝড়ে জাহাজ চলাচল ছাড়াও স্বাভাবিক কাজকর্ম ও জীবন ধারণে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তবে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের সাথে ভেসে আসা হিমশৈল উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের সংস্পর্শে গলে গিয়ে নিউফাউন্ডল্যান্ডে মগ্নচড়া সৃষ্টি করে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মৎস্যচারণভূমি সৃষ্টি করেছে। এটি গ্রান্ড ব্যাংকস মৎস্যচারণক্ষেত্র নামে পরিচিত। এ ছাড়াও নরওয়ের নিকট ডগার ব্যাংক মৎসচারণক্ষেত্রও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের শাখা উত্তর আটলান্টিক স্রোতের প্রভাবে সুমেরু থেকে ভেসে আসা হিমশৈল গলনের ফল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2017

ক
শৈবাল সাগর কোথায় অবস্থিত?

উত্তর

শৈবাল সাগর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
খ
বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে কিভাবে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ। সমুদ্রের উপর দিয়ে বাধাহীনভাবে নিয়ত বায়ু প্রবাহিত হয়। সমুদ্রের পানি এই বায়ু দ্বারা তাড়িত হয়ে একদিক থেকে অন্যদিকে প্রবাহিত হতে থাকে। নিয়ত বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণ করে বেশির ভাগ সমুদ্রস্রোত প্রবাহিত হয়। এভাবে বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতকে প্রভাবিত করে।
গ
উদ্দীপকের 'ক' স্রোতের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' স্রোতটি হলো উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত। দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের একটি শাখা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূল দিয়ে ক্যারিবিয়ান সাগরে প্রবেশ করে। সেখানে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের একটি শাখা এসে মিলিত হয়। এ মিলিত স্রোত মেক্সিকো উপসাগরে প্রবেশ করে উপসাগরীয় স্রোত নাম ধারণ করে। ফ্লোরিডা প্রণালির মধ্য দিয়ে উপসাগরীয় স্রোত প্রবল বেগে বের হয়ে আসলে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের আরেকটি শাখার সাথে মিলিত হয়। এই স্রোত যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূল দিয়ে অগ্রসর হয়ে সেন্ট হ্যাটেরাল অন্তরীপের নিকট দক্ষিণ-পশ্চিম প্রত্যয়ন বায়ুর প্রভাবে উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। এই বিখ্যাত সমুদ্রস্রোতের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪.৫০ মাইল এবং বিস্তার ৪০-৩০০ মাইল। উষ্ণতা স্থানভেদে ৮৫০-৯০০ ফারেনহাইট।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্রোতের মিলন স্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের 'ক' স্রোতটি হলো উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত এবং 'খ' স্রোতটি হলো শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত। নিচে উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত ও শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের মিলনস্থলের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা হলো: ল্যাব্রাডর ও উপসাগরীয় স্রোতের মিলনস্থলে ব্যাপক কুয়াশা ও তুষার ঝড়ে জাহাজ চলাচল ছাড়াও স্বাভাবিক কাজকর্ম ও জীবন ধারণে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তবে শীতল ল্যাব্রাডর স্রোতের সাথে ভেসে আসা হিমশৈল উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের সংস্পর্শে গলে গিয়ে নিউফাউন্ডল্যান্ডে মগ্নচড়া সৃষ্টি করে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মৎস্যচারণভূমি সৃষ্টি করেছে। এটি গ্রান্ড ব্যাংকস মৎস্যচারণক্ষেত্র নামে পরিচিত। এ ছাড়াও নরওয়ের নিকট ডগার ব্যাংক মৎসচারণক্ষেত্রও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের শাখা উত্তর আটলান্টিক স্রোতের প্রভাবে সুমেরু থেকে ভেসে আসা হিমশৈল গলনের ফল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি মহাসাগর যার পশ্চিম দিকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশটি অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?

উত্তর

সমুদ্রের উপরিভাগের পানিরাশি বায়ুপ্রবাহের একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে এক স্থান হতে অন্য স্থানে প্রবাহিত হওয়াকে সমুদ্রস্রোত বলে।
খ
জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুপ্রবাহ উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প সংগ্রহ করে। যা উপকূল অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। যেমন- উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের পশ্চিম উপকূলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। আবার, শীতল সমুদ্রস্রোতের উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শুষ্ক বলে বৃষ্টিপাত ঘটায় না। সুতরাং বলা যায়, জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি ভারত মহাসাগর। এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর। এর আয়তন প্রায় ৭ কোটি ৩৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। এর তিনদিকেই স্থলভাগ। যেমন- উত্তরে এশিয়া, পূর্বে অস্ট্রেলিয়া ও পশ্চিমে আফ্রিকা। নিচে ভারত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন করা হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটির উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটি ভারত মহাসাগর। এ মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত মৌসুমি বায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হয়। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর ভারত মহাসাগরের উত্তর উপকূল বরাবর যে স্রোত প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমি স্রোত বলে। গ্রীষ্মকালে এটি পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে এবং শীতকালে একই পথে বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়। মৌসুমি স্রোত দুই প্রকার। যথা- গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন মৌসুমি স্রোত। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সোমালি স্রোত আফ্রিকার পূর্ব উপকূল হতে প্রথমে আরব সাগর এবং পরে ভারতের পশ্চিম উপকূল দিয়ে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। পরবর্তীতে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পূর্ব দিক ঘুরে ভারতের পূর্বে উপকূল দিয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করে। এটি গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোত নামে পরিচিত। আবার শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোতটি আর থাকে না। কিন্তু এর পথ অনুসরণ করে একটি বিপরীতমুখী স্রোতের সৃষ্টি হয়। এ স্রোতটি উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর অধীনে চলে যায়। এটি সম্পূর্ণরূপে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোতের পথ অনুসরণ করে আরব সাগর ঘুরে আফ্রিকার সোমলিয়ার দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত অগ্রসর হয়। এটি শীতকালীন মৌসুমি স্রোত নামে পরিচিত। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় বলে ভারত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোতও এ বায়ুপ্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একটি মহাসাগর যার পশ্চিম দিকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বৃহত্তম দেশটি অবস্থিত। উক্ত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে দিক পরিবর্তন করে প্রবাহিত হয়।

Dhaka · 2017

ক
সমুদ্রস্রোত কাকে বলে?

উত্তর

সমুদ্রের উপরিভাগের পানিরাশি বায়ুপ্রবাহের একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে এক স্থান হতে অন্য স্থানে প্রবাহিত হওয়াকে সমুদ্রস্রোত বলে।
খ
জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুপ্রবাহ উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে প্রচুর পরিমাণে জলীয়বাষ্প সংগ্রহ করে। যা উপকূল অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। যেমন- উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের পশ্চিম উপকূলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। আবার, শীতল সমুদ্রস্রোতের উপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শুষ্ক বলে বৃষ্টিপাত ঘটায় না। সুতরাং বলা যায়, জলবায়ুর উপর সমুদ্রস্রোতের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মহাসাগরটি ভারত মহাসাগর। এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাসাগর। এর আয়তন প্রায় ৭ কোটি ৩৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। এর তিনদিকেই স্থলভাগ। যেমন- উত্তরে এশিয়া, পূর্বে অস্ট্রেলিয়া ও পশ্চিমে আফ্রিকা। নিচে ভারত মহাসাগরটি মানচিত্রে প্রদর্শন করা হলো- question image
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটির উত্তর অংশের স্রোত ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মহাসাগরটি ভারত মহাসাগর। এ মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোত মৌসুমি বায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হয়। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর ভারত মহাসাগরের উত্তর উপকূল বরাবর যে স্রোত প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমি স্রোত বলে। গ্রীষ্মকালে এটি পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে এবং শীতকালে একই পথে বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়। মৌসুমি স্রোত দুই প্রকার। যথা- গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন মৌসুমি স্রোত। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সোমালি স্রোত আফ্রিকার পূর্ব উপকূল হতে প্রথমে আরব সাগর এবং পরে ভারতের পশ্চিম উপকূল দিয়ে দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়। পরবর্তীতে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পূর্ব দিক ঘুরে ভারতের পূর্বে উপকূল দিয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করে। এটি গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোত নামে পরিচিত। আবার শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোতটি আর থাকে না। কিন্তু এর পথ অনুসরণ করে একটি বিপরীতমুখী স্রোতের সৃষ্টি হয়। এ স্রোতটি উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর অধীনে চলে যায়। এটি সম্পূর্ণরূপে গ্রীষ্মকালীন মৌসুমি স্রোতের পথ অনুসরণ করে আরব সাগর ঘুরে আফ্রিকার সোমলিয়ার দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত অগ্রসর হয়। এটি শীতকালীন মৌসুমি স্রোত নামে পরিচিত। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় বলে ভারত মহাসাগরের উত্তর অংশের স্রোতও এ বায়ুপ্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক হতে প্রবাহিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো