বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে উক্ত ঘটনার প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনা-২ জোয়ার-ভাটা। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার-ভাটার প্রভাব নিচে বিশ্লেষণ করা হলো— i. জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে ভূখণ্ড থেকে আবর্জনাসমূহ নদীর মধ্যে দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পতিত হয়। ii. দৈনিক দুবার জোয়ার-ভাটার ফলে নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না । iii. জোয়ার-ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে নদীখাত গভীর হয়। iv. বহু নদীতে ভাটার স্রোতের বিপরীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় । যেমন— কর্ণফুলী নদীতে সৃষ্ট জলবিদ্যুৎ প্রকল্প । V. জোয়ারের পানি সেচে সহায়তা করে। যেমন : অনেক সময় খাল খনন করে জোয়ারের পানি আটকিয়ে সেচকার্যে ব্যবহার করা হয়। vi. স্থলভাগে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি জোয়ারের সাহায্যে প্রবেশ করে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে তা লবণ ও চিংড়ি চাষে সহায়তা করে। আবার ভূমির লবণাক্ততা বৃদ্ধি চাষাবাদ ক্ষতিগ্রস্ত করে। vii. জোয়ার-ভাটার ফলে নৌযান চলাচলের মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্যের সুবিধা হয়। বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী বাংলাদেশের দুটি প্রধান সমুদ্র বন্দর পতেঙ্গা ও মংলা এবং অন্যান্য উপকূলীয় নদীবন্দর সচল রাখতে জোয়ার-ভাটার ভূমিকা রয়েছে। জোয়ার-ভাটার উপকারিতার পাশাপাশি কিছু ক্ষতিকর প্রভাবও লক্ষণীয় মাঝে মাঝে অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে নদীতে জোয়ারের সময় অনেক সময় বান ডাকে। ফলে নৌকা, লঞ্চ প্রভৃতি ডুবে যায় এবং নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় জানমালের ক্ষতি হয়।
HSC Geography 1st Paper Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা · সৃজনশীল
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে উক্ত ঘটনার প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
উদ্দীপক
Dhaka · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

