উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনা হলো জোয়ারভাটা। উক্ত জোয়ারভাটা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
জোয়ারের সময় পানি বৃদ্ধি পায় বলে সমুদ্রগামী জাহাজের পক্ষে নদী বন্দরে প্রবেশে সুবিধা হয়।
আবার ভাটার স্রোতের সঙ্গে ঐ জাহাজ অনায়াসে সমুদ্রে এসে পড়ে।
যেমন-চট্টগ্রাম উপকূলে সহজে জাহাজ চলাচল করতে পারে।
জোয়ারভাটার ফলে নদীর পানি নির্মল থাকে। দৈনিক দু'বার করে জোয়ারভাটা হওয়ার ফলে নদীতে সঞ্চিত সব আবর্জনা ধুয়ে মুছে যায়।
জোয়ারভাটার ফলে পলিমাটি পড়ে নদীর মুখ বন্ধ হয়ে যেতে পারে না। ফলে নৌ চলাচলের যোগ্য হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোতে পলি জমতে পারে না।
জোয়ারভাটার ফলে নদীর পানি স্বল্প পরিমাণে লবণাক্ত হওয়ায় শীতে সহজে জমে যায় না। নৌ চলাচলের উপযোগী
জোয়ারভাটার ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক লবণ চাষ করা হয়। জোয়ারের সময় পানি এসে লবণ ক্ষেতে জমা হয়।
সুতরাং বলা যায় যে, জোয়ারভাটার ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাছাড়া কিছু কিছু সময় জোয়ারের পানির কারণে শস্য-ক্ষেত নষ্ট হয়, পশুপাখি ধ্বংস হয়। তাই এ ব্যাপারে সতর্কতা থাকা আবশ্যক।