বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তৃতি ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: জোয়ারভাটা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করে। উপকূল বলতে সমুদ্র আর সমুদ্রের তীরবর্তী অঞ্চলকে বোঝায়। অন্যভাবে বলা যায় স্থলভাগ যেখানে সমুদ্রে গিয়ে মিশেছে সেই সংযোগ স্থলকেই উপকূল বলে। আবার জোয়ারের পানি তীরভূমির সর্বোচ্চ যতদূর উঠতে পারে তাকে উপকূল রেখা বলে । বাংলাদেশে দক্ষিণ ও পূর্ব-দক্ষিণের পশ্চিম অংশ উপকূলে ঘেরা। বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার হলো উপকূলবর্তী জেলা। বাংলাদেশের স্থলভাগের সর্বদক্ষিণ পশ্চিমের হাড়িভাঙ্গা নদীর মোহনা হতে পূর্ব দিকে ফেনী নদীর মোহনা এবং সেখান থেকে চট্টগ্রামের সমুদ্রবর্তী অঞ্চল হতে নাফ নদীর তীর ভাগ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের কূলঘেঁষে ৭১২ কি.মি. উপকূল রেখা।
HSC Geography 1st Paper Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা · সৃজনশীল
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তৃতি ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক

সিলেট সরকারি কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

