উদ্দীপকে 'ক' বলতে উপসাগরীয় স্রোত ও 'গ' বলতে ল্যাব্রাডর স্রোতকে বোঝানো হয়েছে। নিম্নে স্রোত দুটির মধ্যকার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর হলো-
• উপসাগরীয় স্রোতটি তিনটি স্রোতের শাখা সম্মিলিত রূপ। প্রথমে দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোতের একটি শাখা ক্যারাবিয়ান সাগরে প্রবেশ করে এবং উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত নামক অপর একটি উষ্ণ স্রোতের সাথে মিলিত হয়। এরপর সম্মিলিত স্রোত দুটি আরও প্রবল বেগে ফ্লোরিডা প্রণালি হয়ে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোতের অপর শাখার সাথে মিলিত হয়। পক্ষান্তরে, ল্যাব্রাডর স্রোত দুটি শাখার সম্মিলিত রূপ। উত্তর মহাসাগর হতে আগত দুটি শীতল স্রোত গ্রিনল্যান্ডের পূর্ব ও পশ্চিম পাশ দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে ল্যাব্রাডর উপদ্বীপের নিকট মিলিত হয়। এ মিলিত স্রোত শীতল ল্যাব্রাডর স্রোত নামে পরিচিত।
• উপসাগরীয় স্রোতটি হলো উষ্ণ স্রোত। অন্যদিকে ল্যাব্রাডর স্রোতটি হলো শীতল স্রোত।
• উপসাগরীয় স্রোত দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত হতে আগত তিনটি শাখার সম্মিলিত রূপ। অন্যদিকে ল্যাব্রাডর স্রোত হলো উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের সুমেরু হতে আগত দুটি শাখার সম্মিলিত রূপ।
• উপসাগরীয় স্রোতের সংযোগস্থলে নীল পানি দৃষ্টিগোচর হয়। অন্যদিকে ল্যাব্রাডর স্রোতের সংযোগস্থলে সবুজ পানি দৃষ্টিগোচর হয়।
সুতরাং বলা যায় যে, উক্ত স্রোত দুটির মধ্যে সৃষ্টিগত ও স্থানগত বৈচিত্র্যতা লক্ষ করা যায়।