গৌণ জোয়ারভাটা সৃষ্টিতে কেন্দ্রাভিমুখী শক্তির প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: গৌণ জোয়ারভাটা সৃষ্টিতে কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাব রয়েছে। পৃথিবীর যে অংশে চন্দ্রের আকর্ষণে মুখ্য জোয়ার হয় তার বিপরীত দিকে প্রতিপাদ স্থানে পানির নিচে যে স্থলভাগ রয়েছে তা কেন্দ্রের সাথে সুদৃঢ়ভাবে সংযুক্ত। ফলে সে স্থানে। চন্দ্রের আকর্ষণ কেন্দ্র স্থলের আকর্ষণ সমান। ফলে সেখানে জলভাগ থেকে স্থলভাগ কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় বেশি। এ সময় বিপরীত দিকের পানিরাশির উপর পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব কমে যায়। শুধু কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাবে আশেপাশের পানিরাশি সে স্থানে প্রবাহিত হয়ে গৌণ জোয়ারের সৃষ্টি করে।
HSC Geography 1st Paper Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা · সৃজনশীল
গৌণ জোয়ারভাটা সৃষ্টিতে কেন্দ্রাভিমুখী শক্তির প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপক
Dhaka · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
প্রথম ঘটনাটি পূর্ণিমার রাতের সামুদ্রিক আচরণ, যে সময় ভরাকটাল সংঘটিত হয়। এ সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। তখন তাদের মিলিত শক্তিতে জোয়ারভাটার প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকে। ফলে পূর্ণিমা ও অমাবস্যা তিথিতে উভয়ের মিলিত শক্তিতে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয় ফলে ভরাকটালের সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ঘটনাটি প্রথম ঘটনার ৭-৮ দিন পরে অর্থাৎ অষ্টমী তিথিতে সংঘটিত ঘটনা যা মরাকটাল নামে পরিচিত। ঐ সময় চন্দ্রের আলো কম থাকায় পানির গর্জনশক্তি কম থাকে। অমাবস্যা ও পূর্ণিমার অষ্টমী তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে একই সরলরেখায় অবস্থান না করে উভয়ে পৃথিবীর সাথে পরস্পর সমকোণে অবস্থান করে এবং পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। ফলে এ সময় চাঁদের আকর্ষণে চাঁদের দিকে ও বিপরীত দিকে জোয়ার এবং সূর্যের আকর্ষণে সূর্যের দিকে ও তার বিপরীত দিকে জোয়ার সংঘটিত হওয়ার কথা, কিন্তু দেখা যায় চাঁদের আকর্ষণে চাঁদের দিকে ও তার বিপরীত দিকে জোয়ার এবং সূর্যের দিকে ও সূর্যের বিপরীত দিকে ভাটা সংঘটিত হয়। এরূপ ঘটনাকে মরাকটাল বলে।
