মানব জীবনে উক্ত স্রোতের প্রভাব আলোচনা করো।
উত্তর: নিচে ভারত মহাসাগরের স্রোতগুলোর প্রভাব আলোচনা করা হলো- ভারত মহাসাগরীয় কুমেরু স্রোত মূলত আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় কুমেরু স্রোতচক্রের অন্তর্ভুক্ত। মানবজীবনে এই স্রোতের সরাসরি প্রভাব দেখা যায় না। কেননা, এ শীতল স্রোতটি স্থলভাগে ভিন্ন নাম ধারণ করে। যেমন— ভারত মহাসাগরে কুমেরু স্রোত অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম উপকূলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে উত্তরে প্রবেশ করে। এ স্রোতের উত্তরে তাই পশ্চিম অস্ট্রেলীয় স্রোত সৃষ্টি হয়েছে । অনুরূপভাবে আফ্রিকার উত্তর-পূর্বাংশে রয়েছে সোমালী, মোজাম্বিক, মাদাগাস্কার ও আগুলহাস স্রোত। আফ্রিকার উপকূলে উষ্ণ সোমালী, মোজাম্বিক, মাদাগাস্কার ও আগুলহাস স্রোত প্রবাহিত থাকার কারণে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং এ এলাকাগুলো কৃষিকার্যে যথেষ্ট উন্নত। এই বৃষ্টিপাতের কারণে উক্ত এলাকাগুলোতে বর্ষজীবী উদ্ভিদ জন্মাতে দেখা যায়। উষ্ণ স্রোতের গতিপথে সামুদ্রিক জাহাজগুলোও দ্রুত যাতায়াত করতে পারে। উষ্ণ স্রোত প্রবাহিত থাকার কারণে মিয়ানমার, মালয়েশিয়ায় ও সুমাত্রা উপকূলের জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে এবং উপকূলীয় এলাকার বৃষ্টিপাতে স্রোতগুলো প্রভাব বিস্তার করে । পশ্চিম অস্ট্রেলীয় স্রোতটি পর্যায়ক্রমে উষ্ণতাপ্রাপ্ত হয় বিধায় ঐ উপকূলে বৃষ্টিপাত কম হয়। ফলে উপকূলীয় এলাকায় জলাভূমি সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্রোতের উত্তরাংশে উপকূল এলাকায় বৃষ্টিপাত বেশি বলে ঘন বনাঞ্চল সৃষ্টি হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, ভারত মহাসাগরীয় কুমেরু স্রোত উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু, কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করে থাকে ।
HSC Geography 1st Paper Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 1st Paper · Chapter 8 : সমুদ্রস্রোত ও জোয়ারভাটা · সৃজনশীল
মানব জীবনে উক্ত স্রোতের প্রভাব আলোচনা করো।
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর

