কঠিন ও কোমল চৌম্বক পদার্থ নির্ধারণে হিসটেরিসিস লুপের ব্যবহার ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: হিসটেরিসিস লুপ ব্যবহার করে পদার্থের চৌম্বক ধারণ ক্ষমতা,সহনশীলতা ও চৌম্বক গ্রাহীতা নির্ধারণ করা যায়। কঠিন পদার্থ কে বিচুম্বকায়িত করতে যে পরিমাণ পশ্চাত্বর্তী চৃম্বকায়ন ক্ষেত্র প্রয়োজন, কোমল পদার্থের তুলনায় তা অনেক বেশি। হিসটেরেসিস লুপের Y অক্ষের খাণ্ডিতাংশ কোনা পদার্থের চৌম্বক ধারণক্ষমতা নির্দেশ করে। এ থেকে দেখা যায় যে, কৃঠিন পদার্থের চৌম্বক ধারণক্ষমতা কোমল পদাথের চেয়ে অনেক কম। এছাড়াও কোমল পদার্থের চৌম্বক গ্রাহীতা কঠিন পদার্থের চেয়ে অনেক বেশি। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উপরের উল্লেখিত পদার্থের ধর্ম গুলো নির্ধারণে হিসটেরিসিস লুপ ব্যবহার করা যায়।
HSC Physics 2nd Paper Chapter 5: তাড়িত-চৌম্বক আবেশ ও দিক পরিবর্তী প্রবাহ ℹ️ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Physics 2nd Paper · Chapter 5: তাড়িত-চৌম্বক আবেশ ও দিক পরিবর্তী প্রবাহ ℹ️ · সৃজনশীল
কঠিন ও কোমল চৌম্বক পদার্থ নির্ধারণে হিসটেরিসিস লুপের ব্যবহার ব্যাখ্…
উদ্দীপক
Barisal · 2019
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর