উদ্দীপকের আলোকে নিম্নে মিশরের ফারাও রাজাদের সমাধি সংরক্ষণের বিবরণ তুলে ধরা হলো: উদ্দীপকে তুলে ধরা হয়েছে হোয়াংহো নদীর তীরে গড়ে ওঠে চীনা সভ্যতা। সেসময় চীনারা তাদের রাজাদের মৃতদেহ মমি করে রাখত। আর এই মমি রাখার জন্য ত্রিকোণাকার ঘর নির্মাণ করে এবং সেখানে সংরক্ষণ করে। মিশরীয়রা মৃত্যুর পরের জীবনে বিশ্বাস করত। তারা বিশ্বাস করত, তাদের রাজা তথা ফারাওদের মৃত্যুর পর তাদের আত্মা স্বর্গে চলে যায় এবং সেখান থেকে দেবতা হিসেবে আবির্ভূত হয়। কিন্তু মৃত ফারাওদের শরীর পচে গেলে সমস্যা হতে পারে। এজন্য তারা ফারাওদের মৃতদেহ প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করত। মৃতদেহ যেখানে কবর দেয়া হবে সেসব স্থান আগে থেকেই তৈরি করে রাখা হতো। আর এসব কবরে দেয়া হতো সিন্দুক ভর্তি অমূল্য গহনা, ধাতব তৈজসপত্র, মুদ্রা, দামি কাপড় ইত্যাদি। আর তাদের এই বিশ্বাসের ছাপ পড়েছিল তাদের স্থাপত্যিক নিদর্শনে। কেননা তারা মৃত ফারাওদের দেহ ও মূল্যবান সামগ্রী নিরাপত্তার জন্য বড় বড় পাথরখণ্ড কেটে পিরামিড নির্মাণ করত। আর এই পিরামিড গুলো ছিল জ্যামিতিক ত্রিভুজ আকৃতিতে তৈরি উঁচু একটি সমাধিসৌধ।তাই বলা যায়, উদ্দীপাকে যেমন চীনারা তাদের রাজাদের মৃত দেহ সংরক্ষণ করতে এবং সে সেটি সংরক্ষণের জন্য আলাদা ঘর তৈরি করত তেমনি মিশরীয়রাও ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে তাদের রাজাদের আপনিতো দেহ সংরক্ষণ করতে এবং এটির সুরক্ষার জন্য পিরামিড তৈরি করেছিল।