'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান' নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ ' তৈরি করো।
উত্তর: 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান' নিয়ে সংলাপ তানজিল: আরিয়ান, তুই কি চ্যাটজিপিটি বা জেমিনাই-এর মতো এআই টুলগুলো ব্যবহার করছিস? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর এই অভাবনীয় উত্থান দেখে আমি তো রীতিমতো অবাক। আরিয়ান: শুধু অবাক হওয়ার কিছু নেই তানজিল, আমরা এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে বাস করছি। এআই এখন আমাদের জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্রে বিপ্লব নিয়ে আসছে- চিকিৎসা থেকে শুরু করে মহাকাশ গবেষণা পর্যন্ত সবখানে এর জয়জয়কার। তানজিল: তা ঠিক, কিন্তু আমার ভয় হয় এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে। অনেকে বলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ভবিষ্যতে লাখ লাখ মানুষ কর্মসংস্থান হারাবে। এমনকি মানুষের সৃজনশীলতাও কি হুমকির মুখে পড়বে না? আরিয়ান: দেখ, প্রতিটি প্রযুক্তিরই দুইটি পিঠ থাকে। কম্পিউটার আসার সময়ও মানুষ ভেবেছিল কাজ কমে যাবে, কিন্তু উলটা নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এআই মানুষের প্রতিস্থাপক নয় বরং এটি মানুষের সক্ষমতা বাড়ানোর একটি যন্ত্র বা টুল। যারা এই প্রযুক্তিতে দক্ষ হবে, তারাই ভবিষ্যতে সফল হবে। তানজিল: কিন্তু সাইবার অপরাধ বা ডিপফেকের মতো বিষয়গুলো তো এআই-এর মাধ্যমেই আরও শক্তিশালী হচ্ছে। মানুষের গোপনীয়তা রক্ষা করা তো এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরিয়ান: তোর আশঙ্কার যথেষ্ট কারণ আছে। এজন্যই 'এথিক্যাল এআই' বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নৈতিক ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তিকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য আন্তর্জাতিক নীতিমালা প্রয়োজন। তবে এর ইতিবাচক দিকগুলোও কম নয়; এআই-এর মাধ্যমে জটিল রোগের রোগ নির্ণয় বা পরিবেশ দূষণ রোধে বড়ো বড়ো সমাধান আসছে। তানজিল: তার মানে, আমাদের এই প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে এবং এর অপব্যবহার রোধে সচেতন হতে হবে। আরিয়ান: একদম তাই। দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে আমাদের উচিত এই প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়া, যাতে আমরা প্রযুক্তির দাস না হয়ে এর নিয়ন্ত্রক হতে পারি। তানজিল: চলো, এআই-এর নতুন কিছু স্কিল নিয়ে আজ থেকে চর্চা শুরু করি।
HSC Bangla 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 2nd Paper · সৃজনশীল
'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান' নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ ' তৈরি করো।
উত্তর