শেয়ারFacebookWhatsApp

'তিন শূন্যের পৃথিবী'-এই শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য, একটি প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর: তিন শূন্যের পৃথিবী নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ১০ জুন ২০২৬। বর্তমান বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জলবায়ু সংকট, সম্পদ বৈষম্য এবং বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে এক নতুন দর্শনের নাম 'তিন শূন্যের পৃথিবী'। এই নামে ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি বইও প্রকাশ করেছেন। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত এই ধারণা এখন কেবল তাত্ত্বিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই বরং এটি বিশ্বজুড়ে একটি টেকসই ও মানবিক অর্থব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রধান রূপরেখা হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। দারিদ্র্য ও পরিবেশগত বিপর্যয়মুক্ত একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যেই এই দর্শনের উৎপত্তি। 'তিন শূন্যের পৃথিবী' মূলত তিনটি প্রধান লক্ষ্য অর্জনের উপর গুরুত্বারোপ করে। এগুলো হলো- শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty), শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ (Zero Net Carbon Emission)। শূন্য দারিদ্র্য: ড. মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, দারিদ্র্য মানবসৃষ্ট কোনো বিপর্যয় নয় বরং এটি আমাদের সমাজে প্রচলিত ত্রুটিপূর্ণ অর্থনৈতিক কাঠামোর ফল। সম্পদের পুঞ্জীভূতকরণ বন্ধ করে সামাজিক ব্যাবসার মাধ্যমে নিম্নস্তরের মানুষের কাছে পুঁজি পৌঁছে দিতে পারলে বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য চিরতরে নির্মূল করা সম্ভব। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দারিদ্র্য জয়ের প্রধান অস্ত্র। শূন্য বেকারত্ব: বেকারত্বকে একটি কৃত্রিম সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে এই দর্শনে বলা হয়েছে যে, মানুষ জন্মগতভাবেই একজন উদ্যোক্তা। চাকরিজীবী হওয়ার মানসিকতা ত্যাগ করে তরুণ প্রজন্ম যদি সামাজিক ব্যাবসার মাধ্যমে নিজের কর্মসংস্থান নিজেই তৈরি করে, তবে বেকারত্ব নামক শব্দটি অভিধান থেকে মুছে যাবে। 'চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেবো'- এই মূলমন্ত্রই বেকারমুক্ত পৃথিবী গড়ার মূলভিত্তি। শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ: বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো হুমকি হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। মুনাফালোভী অর্থব্যবস্থা পরিবেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। 'তিন শূন্যের পৃথিবী' গড়তে হলে আমাদের এমন একটি জীবনধারা ও প্রযুক্তি গ্রহণ করতে হবে যা পরিবেশের ক্ষতি করবে না। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব ব্যাবসার প্রসারের মাধ্যমে পৃথিবীকে কার্বনমুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই দর্শনে। তিন শূন্যের পৃথিবী কেবল একটি স্বপ্ন নয়, এটি বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ। ড. ইউনূস তরুণ সমাজকে 'তিন শূন্যের পৃথিবী' গড়ার অগ্রদূত হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, আজকের তরুণরা যদি তাদের মেধা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে কেবল নিজের ভাগ্য নয় বরং সামাজিক সমস্যা সমাধানে ব্যয় করে, তবে খুব দ্রুতই আমরা একটি সমতাভিত্তিক পৃথিবী দেখতে পাব।

HSC Bangla 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 2nd Paper · সৃজনশীল

'তিন শূন্যের পৃথিবী'-এই শিরোনামে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য, একটি প্রতিবেদন রচনা করো।

উত্তর

তিন শূন্যের পৃথিবী নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ১০ জুন ২০২৬। বর্তমান বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জলবায়ু সংকট, সম্পদ বৈষম্য এবং বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে এক নতুন দর্শনের নাম 'তিন শূন্যের পৃথিবী'। এই নামে ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি বইও প্রকাশ করেছেন। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রবর্তিত এই ধারণা এখন কেবল তাত্ত্বিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই বরং এটি বিশ্বজুড়ে একটি টেকসই ও মানবিক অর্থব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রধান রূপরেখা হিসেবে আলোচিত হচ্ছে। দারিদ্র্য ও পরিবেশগত বিপর্যয়মুক্ত একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যেই এই দর্শনের উৎপত্তি। 'তিন শূন্যের পৃথিবী' মূলত তিনটি প্রধান লক্ষ্য অর্জনের উপর গুরুত্বারোপ করে। এগুলো হলো- শূন্য দারিদ্র্য (Zero Poverty), শূন্য বেকারত্ব (Zero Unemployment) এবং শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ (Zero Net Carbon Emission)। শূন্য দারিদ্র্য: ড. মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, দারিদ্র্য মানবসৃষ্ট কোনো বিপর্যয় নয় বরং এটি আমাদের সমাজে প্রচলিত ত্রুটিপূর্ণ অর্থনৈতিক কাঠামোর ফল। সম্পদের পুঞ্জীভূতকরণ বন্ধ করে সামাজিক ব্যাবসার মাধ্যমে নিম্নস্তরের মানুষের কাছে পুঁজি পৌঁছে দিতে পারলে বিশ্ব থেকে দারিদ্র্য চিরতরে নির্মূল করা সম্ভব। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যেই উদ্যোক্তা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দারিদ্র্য জয়ের প্রধান অস্ত্র। শূন্য বেকারত্ব: বেকারত্বকে একটি কৃত্রিম সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে এই দর্শনে বলা হয়েছে যে, মানুষ জন্মগতভাবেই একজন উদ্যোক্তা। চাকরিজীবী হওয়ার মানসিকতা ত্যাগ করে তরুণ প্রজন্ম যদি সামাজিক ব্যাবসার মাধ্যমে নিজের কর্মসংস্থান নিজেই তৈরি করে, তবে বেকারত্ব নামক শব্দটি অভিধান থেকে মুছে যাবে। 'চাকরি খুঁজব না, চাকরি দেবো'- এই মূলমন্ত্রই বেকারমুক্ত পৃথিবী গড়ার মূলভিত্তি। শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ: বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো হুমকি হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। মুনাফালোভী অর্থব্যবস্থা পরিবেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। 'তিন শূন্যের পৃথিবী' গড়তে হলে আমাদের এমন একটি জীবনধারা ও প্রযুক্তি গ্রহণ করতে হবে যা পরিবেশের ক্ষতি করবে না। নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব ব্যাবসার প্রসারের মাধ্যমে পৃথিবীকে কার্বনমুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে এই দর্শনে। তিন শূন্যের পৃথিবী কেবল একটি স্বপ্ন নয়, এটি বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ। ড. ইউনূস তরুণ সমাজকে 'তিন শূন্যের পৃথিবী' গড়ার অগ্রদূত হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, আজকের তরুণরা যদি তাদের মেধা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে কেবল নিজের ভাগ্য নয় বরং সামাজিক সমস্যা সমাধানে ব্যয় করে, তবে খুব দ্রুতই আমরা একটি সমতাভিত্তিক পৃথিবী দেখতে পাব।
HSCBangla 2nd Paperরাজশাহী ক্যাডেট কলেজ 2026
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'বইয়ের ফেরিওয়ালা' শিরোনামে খুদে গল্প রচনা করো: গল্পসংকেত: আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ় বয়সেও...

জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট · 2026

প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'বইয়ের ফেরিওয়ালা' শিরোনামে খুদে গল্প রচনা করো: গল্পসংকেত: আশরাফ সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও তিনি মনে করেন দেশের জন্য অনেক কাজ করার বাকি রয়ে গেছে। তাই এই প্রৌঢ় বয়সেও...

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান' নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ ' তৈরি করো।

জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সিলেট · 2026

'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান' নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ ' তৈরি করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মোবাইল ফোনে বন্ধুত্বের পরিণাম বিষয়ক একটি খুদে গল্প রচনা করো।

সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2026

মোবাইল ফোনে বন্ধুত্বের পরিণাম বিষয়ক একটি খুদে গল্প রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।

সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2026

সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.একজন প্রতিবন্ধী মানুষের বেঁচে থাকা নিয়ে খুদেগল্প লেখো।

ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, মোমেনশাহী, ময়মনসিংহ · 2026

একজন প্রতিবন্ধী মানুষের বেঁচে থাকা নিয়ে খুদেগল্প লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.পরীক্ষার পর করণীয় সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, মোমেনশাহী, ময়মনসিংহ · 2026

পরীক্ষার পর করণীয় সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.'দেশপ্রেম' শিরোনামে একটি খুদেগল্প রচনা করো।

মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা · 2026

'দেশপ্রেম' শিরোনামে একটি খুদেগল্প রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে দুইজন সচেতন অভিভাবকের সংলাপ রচনা করো।

মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা · 2026

যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে দুইজন সচেতন অভিভাবকের সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের উদ্দীপক অনুসরণে একটি খুদেগল্প রচনা করো: পড়ন্ত বিকেলে ঢাকার ফুটপাতে হাঁটতে হাঁটতে রাজু ভাবে, কালের প্রবহমান স্রোত জীবনকে আজ কতদূরে নিয়ে এসেছে! কিন্তু শৈশবের স্মৃতিগুলো আজও ldots..

ঢাকা কলেজ · 2026

নিচের উদ্দীপক অনুসরণে একটি খুদেগল্প রচনা করো: পড়ন্ত বিকেলে ঢাকার ফুটপাতে হাঁটতে হাঁটতে রাজু ভাবে, কালের প্রবহমান স্রোত জীবনকে আজ কতদূরে নিয়ে এসেছে! কিন্তু শৈশবের স্মৃতিগুলো আজও ldots..

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার কথোপকথন তুলে ধরো।

ঢাকা কলেজ · 2026

'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার কথোপকথন তুলে ধরো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'মানুষ মানুষের জন্য' শীর্ষক একটি খুদেগল্প রচনা করো।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2026

'মানুষ মানুষের জন্য' শীর্ষক একটি খুদেগল্প রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মনে করো, তুমি সাকিব, তোমার বন্ধুর নাম লিমন। 'নিরাপদ সড়ক চাই' বিষয়ে তোমাদের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ · 2026

মনে করো, তুমি সাকিব, তোমার বন্ধুর নাম লিমন। 'নিরাপদ সড়ক চাই' বিষয়ে তোমাদের মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

প্রদত্ত সংকেত অনুসরণে 'বইয়ের ফেরিওয়ালা' শিরোনামে খুদে গল্প রচনা করো: গল্পসংকেত: 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান' নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ ' তৈরি করো।মোবাইল ফোনে বন্ধুত্বের পরিণাম বিষয়ক একটি খুদে গল্প রচনা করো।সম্প্রতি পড়া একটি বই সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে একটি সংলাপ রচনা করো।একজন প্রতিবন্ধী মানুষের বেঁচে থাকা নিয়ে খুদেগল্প লেখো।পরীক্ষার পর করণীয় সম্পর্কে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা করো।'দেশপ্রেম' শিরোনামে একটি খুদেগল্প রচনা করো।যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে দুইজন সচেতন অভিভাবকের সংলাপ রচনা করো।নিচের উদ্দীপক অনুসরণে একটি খুদেগল্প রচনা করো: পড়ন্ত বিকেলে ঢাকার ফুটপাতে হাঁটতে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যকার কথোপকথন তুলে ধরো।'মানুষ মানুষের জন্য' শীর্ষক একটি খুদেগল্প রচনা করো।মনে করো, তুমি সাকিব, তোমার বন্ধুর নাম লিমন। 'নিরাপদ সড়ক চাই' বিষয়ে তোমাদের মধ্যে

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।