ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন রচনা করো।
উত্তর: ডেঙ্গুর প্রকোপ, কারণ ও প্রতিকার স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা, ২০ জুলাই ২০২৬। বর্তমানে ডেঙ্গু এক আতঙ্কের নাম। ডেঙ্গুজ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এডিস মশার কামড়েই মূলত ডেঙ্গুজ্বর হয়ে থাকে। ইদানীং ডেঙ্গুর প্রকোপ অত্যধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক অনেক গুণ বৃদ্ধি করছে। একটু সচেতনতাই আমাদের ডেঙ্গুজ্বরের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। এডিস মশা মূলত দিনের বেলা, সকাল ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। তবে রাতে উজ্জ্বল আলোতেও এডিস মশা কামড়াতে পারে। মশা কামড়ানোর তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে জ্বর আসে এবং পরে টেস্টের মাধ্যমে ডেঙ্গুজ্বর শনাক্ত করা হয়। ডেঙ্গুজ্বরের উপসর্গগুলো হচ্ছে তীব্র জ্বর, পেটব্যথা, মাথাব্যথা, বমি, জয়েন্টে ব্যথা, চোখের পিছনে . ব্যথা, ডায়রিয়া, সারা শরীরে ছোটো ছোটো লাল র্যাশ দেখা যায়। ডেঙ্গুজ্বরের সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। পরিপূর্ণ বিশ্রাম নেওয়া ও প্রচুর পানি পান করার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত সাত দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে যায়। যেহেতু ডেঙ্গু ভাইরাস প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হয়নি। তাই মশক নিধনই বর্তমানে ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায়। এডিস মশা মূলত স্বচ্ছ পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী জায়গাগুলো অর্থাৎ টব, টায়ার, গর্ত, ডাবের খোলসে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করতে হবে। সম্ভব হলে ঘরের দরজা ও জানালায় নেট লাগানো যেতে পারে। মশা মারার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ডেঙ্গুজ্বর বর্তমান সময়ে মহামারি আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। এর মধ্যে অনেক মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই ডেঙ্গুজ্বর। এজন্য ডেঙ্গুজ্বর সন্দেহ হলেই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরও উচিত ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধে ভূমিকা রাখা। তাই সচেতনতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধকল্পে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ একান্ত আবশ্যক।
HSC Bangla 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 2nd Paper · সৃজনশীল
ডেঙ্গুজ্বর প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি প্রতিবেদন রচনা করো।
উত্তর