Dhaka বোর্ড 2025 Bangla 2nd Paper

Dhaka শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Bangla 2nd Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Dhaka

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

উদাহরণসহ 'অ' ধ্বনির উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখ।

উত্তর

১। শব্দের আদিতে যদি 'অ' থাকে এবং তারপরে 'ই'-কার, 'উ'-কার, থাকে তবে সে- 'অ' এর উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কারের মতো হয়। যথাঃ অভিধান (ওভিধান), অভিযান (ওভিজান), অতি (ওতি), মতি (মোতি), অতীত (ওতিত্), অধীন (অধীন্) ইত্যাদি। ২। শব্দের আদ্য-'অ' এর পরে 'য'-ফলাযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে সেক্ষেত্রে 'অ'-এর উচ্চারণ প্রায়শ 'ও'-কারের মতো হয়। যেমনঃ অদ্য (ওদ্দো), অন্য (ওন্নো), অত্যাচার (ওত্তাচার), কন্যা (কোন্না), বন্যা (বোন্না) ইত্যাদি। ৩। শব্দের আদ্য-'অ' এর পর 'ক্ষ', 'জ্ঞ', থাকলে, সে 'অ'পের উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কারের মতো হয়ে থাকে। যথাঃ অক্ষ (ওক্খো), দক্ষ (দোক্খো), যক্ষ (জোক্খো), লক্ষণ (লোক্খোন্), যজ্ঞ (জোগ্গোঁ), লক্ষ (লোক্খো), রক্ষা (রোক্খা) ইত্যাদি। ৪। শব্দের প্রথমে যদি 'অ' থাকে এবং তারপর 'ঋ'-কার যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলেও, সেই 'অ'-এর উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কারের মতো হয়। যথাঃ মসৃণ (মোসৃন্), বক্তৃতা (বোক্তৃতা), যকৃত (জোকৃত্)। ৫। শব্দের প্রথমে 'অ' যুক্ত 'র'-ফলা থাকলে সেক্ষেত্রেও আদ্য 'অ'-এর উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কার হয়ে থাকে। যথাঃ ক্রম (ক্রোম), গ্রহ (গ্রোহো), গ্রন্থ (গ্রোন্থো), ব্রত (ব্রোতো) ইত্যাদি।
যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ: অধ্যক্ষ, ইতোমধ্যে, উদ্যোগ, ঐকতান, কল্যাণ, চর্যাপদ, ধন্যবাদ, পদ্ম।

উত্তর

অধ্যক্ষ ওদ্ ধোক্ খো ইতোমধ্যে ইতোমোদ্ ধে উদ্যোগ উদ্ দোগ্ ঐকতান ওই্ কোতান্ কল্যাণ কোল্ ল্যান্ চর্যাপদ চোর্ জাপদ্ ধন্যবাদ ধোন্ নোবাদ্ পদ্ম পদ্ দোঁ

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

উদাহরণসহ 'অ' ধ্বনির উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম লেখ।

উত্তর

১। শব্দের আদিতে যদি 'অ' থাকে এবং তারপরে 'ই'-কার, 'উ'-কার, থাকে তবে সে- 'অ' এর উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কারের মতো হয়। যথাঃ অভিধান (ওভিধান), অভিযান (ওভিজান), অতি (ওতি), মতি (মোতি), অতীত (ওতিত্), অধীন (অধীন্) ইত্যাদি। ২। শব্দের আদ্য-'অ' এর পরে 'য'-ফলাযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে সেক্ষেত্রে 'অ'-এর উচ্চারণ প্রায়শ 'ও'-কারের মতো হয়। যেমনঃ অদ্য (ওদ্দো), অন্য (ওন্নো), অত্যাচার (ওত্তাচার), কন্যা (কোন্না), বন্যা (বোন্না) ইত্যাদি। ৩। শব্দের আদ্য-'অ' এর পর 'ক্ষ', 'জ্ঞ', থাকলে, সে 'অ'পের উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কারের মতো হয়ে থাকে। যথাঃ অক্ষ (ওক্খো), দক্ষ (দোক্খো), যক্ষ (জোক্খো), লক্ষণ (লোক্খোন্), যজ্ঞ (জোগ্গোঁ), লক্ষ (লোক্খো), রক্ষা (রোক্খা) ইত্যাদি। ৪। শব্দের প্রথমে যদি 'অ' থাকে এবং তারপর 'ঋ'-কার যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলেও, সেই 'অ'-এর উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কারের মতো হয়। যথাঃ মসৃণ (মোসৃন্), বক্তৃতা (বোক্তৃতা), যকৃত (জোকৃত্)। ৫। শব্দের প্রথমে 'অ' যুক্ত 'র'-ফলা থাকলে সেক্ষেত্রেও আদ্য 'অ'-এর উচ্চারণ সাধারণত 'ও'-কার হয়ে থাকে। যথাঃ ক্রম (ক্রোম), গ্রহ (গ্রোহো), গ্রন্থ (গ্রোন্থো), ব্রত (ব্রোতো) ইত্যাদি।
যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ লেখ: অধ্যক্ষ, ইতোমধ্যে, উদ্যোগ, ঐকতান, কল্যাণ, চর্যাপদ, ধন্যবাদ, পদ্ম।

উত্তর

অধ্যক্ষ ওদ্ ধোক্ খো ইতোমধ্যে ইতোমোদ্ ধে উদ্যোগ উদ্ দোগ্ ঐকতান ওই্ কোতান্ কল্যাণ কোল্ ল্যান্ চর্যাপদ চোর্ জাপদ্ ধন্যবাদ ধোন্ নোবাদ্ পদ্ম পদ্ দোঁ

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

উদাহরণসহ বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম লেখ।

উত্তর

বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম: বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম উদাহরণসহ নিচে উল্লেখ করা হলো- ১. যেসব তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, উ উভয়ই শুদ্ধ সেসব শব্দে কেবল ই বা উ এবং তার কারচিহ্ন ' ি', ু' ব্যবহৃত হবে। যেমন- কিংবদন্তি, খঞ্জনি, চিৎকার, ধমনি, ধূলি, পঞ্জি, পদবি, ভঙ্গি, মঞ্জুরি, মসি, লহরি, সরণি, সূচিপত্র, উর্ণা, উষা। ২. রেফ-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন- অর্চনা, অর্জন, কার্য, গর্জন, মূর্ছা, কার্তিক, বার্ধক্য, বার্তা, সূর্য। ৩. ক খ গ ঘ পরে থাকলে পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) লেখা যাবে। যেমন- অহংকার, হৃদয়ংগম, সংঘটন। বিকল্পে ভ্ লেখা যাবে। ক্ষ-এর পূর্বে সর্বত্র ভূ হবে। যেমন- আকাঙ্ক্ষা। ৪. ক্ষ-ক্ষীর, ক্ষুর শব্দ খির, খুর না লিখে সংস্কৃত মূল অনুসরণে ক্ষীর ও ক্ষুরই লেখা হবে। তবে অতৎসম শব্দ খুদ, খুদে, খুর, খেত, খেপা, খিদে ইত্যাদি লেখা হবে।. ৫. ই, ঈ, উ, উ: সকল অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দে শুধু 'ই' ও 'উ' এবং এগুলোর কার-চিহ্ন, ব্যবহৃত হবে। এমনকি স্ত্রীবাচক ও জাতিবাচক শব্দের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। যেমন- গাড়ি, পাগলি, ফরাসি, ফারসি ইত্যাদি।
যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ বানান লেখ: অধ্যায়ন, অপরাহ্ন, আমাবস্যা, গ্রামীন, দন্ডবিদি, প্রতিযোগীতা, বিভিসিকা, রেজিষ্ট্রেশন।

উত্তর

অধ্যায়ন অধ্যয়ন অপরাহ্ন অপরাহ্ণ আমাবস্যা অমাবস্যা গ্রামীন গ্রামীণ দন্ডবিদি দণ্ডবিধি প্রতিযোগীতা প্রতিযোগিতা বিভিসিকা বিভীষিকা রেজিষ্ট্রেশন রেজিস্ট্রেশন

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

উদাহরণসহ বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানানের পাঁচটি নিয়ম লেখ।

উত্তর

বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম: বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম উদাহরণসহ নিচে উল্লেখ করা হলো- ১. যেসব তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, উ উভয়ই শুদ্ধ সেসব শব্দে কেবল ই বা উ এবং তার কারচিহ্ন ' ি', ু' ব্যবহৃত হবে। যেমন- কিংবদন্তি, খঞ্জনি, চিৎকার, ধমনি, ধূলি, পঞ্জি, পদবি, ভঙ্গি, মঞ্জুরি, মসি, লহরি, সরণি, সূচিপত্র, উর্ণা, উষা। ২. রেফ-এর পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না। যেমন- অর্চনা, অর্জন, কার্য, গর্জন, মূর্ছা, কার্তিক, বার্ধক্য, বার্তা, সূর্য। ৩. ক খ গ ঘ পরে থাকলে পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) লেখা যাবে। যেমন- অহংকার, হৃদয়ংগম, সংঘটন। বিকল্পে ভ্ লেখা যাবে। ক্ষ-এর পূর্বে সর্বত্র ভূ হবে। যেমন- আকাঙ্ক্ষা। ৪. ক্ষ-ক্ষীর, ক্ষুর শব্দ খির, খুর না লিখে সংস্কৃত মূল অনুসরণে ক্ষীর ও ক্ষুরই লেখা হবে। তবে অতৎসম শব্দ খুদ, খুদে, খুর, খেত, খেপা, খিদে ইত্যাদি লেখা হবে।. ৫. ই, ঈ, উ, উ: সকল অতৎসম অর্থাৎ তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র শব্দে শুধু 'ই' ও 'উ' এবং এগুলোর কার-চিহ্ন, ব্যবহৃত হবে। এমনকি স্ত্রীবাচক ও জাতিবাচক শব্দের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য। যেমন- গাড়ি, পাগলি, ফরাসি, ফারসি ইত্যাদি।
যে কোনো পাঁচটি শব্দের শুদ্ধ বানান লেখ: অধ্যায়ন, অপরাহ্ন, আমাবস্যা, গ্রামীন, দন্ডবিদি, প্রতিযোগীতা, বিভিসিকা, রেজিষ্ট্রেশন।

উত্তর

অধ্যায়ন অধ্যয়ন অপরাহ্ন অপরাহ্ণ আমাবস্যা অমাবস্যা গ্রামীন গ্রামীণ দন্ডবিদি দণ্ডবিধি প্রতিযোগীতা প্রতিযোগিতা বিভিসিকা বিভীষিকা রেজিষ্ট্রেশন রেজিস্ট্রেশন

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

উদাহরণসহ ক্রিয়া পদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উত্তর

বাংলা ক্রিয়াপদের শ্রেণিবিভাগ: বাংলা ক্রিয়াপদকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো: ১. অর্থ সম্পর্ক বিচারে, ২. গঠন বৈশিষ্ট্য বিচারে ও ৩. কর্মপদ সংক্রান্ত ভূমিকা অনুসারে। ১. অর্থ সম্পর্ক বিচারের দিক থেকে ক্রিয়াপদ দুই প্রকার: ক. সমাপিকা ক্রিয়া ও খ. অসমাপিকা ক্রিয়া। ক. সমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া বাক্যের অর্থ বা ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন- আজ আমি কাজটা করব। খ. অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া বাক্যের অর্থ বা ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন- আমি বাড়ি এসে...। 'এসে' অসমাপিকা ক্রিয়া। ২. গঠন বৈশিষ্ট্য বিচারে ক্রিয়া চার প্রকার। নিচে এগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো: ক. প্রযোজক ক্রিয়া: প্রযোজক ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যোগ করে যে ক্রিয়া গঠিত হয় তাকে বলে প্রযোজক ক্রিয়া। যেমন-সাপুড়ে সাপ খেলায়। খ. নামধাতুর ক্রিয়া: নামধাতুর সাথে বিভক্তি যোগে যে ক্রিয়া গঠিত হয় তাকে বলে নামধাতুর ক্রিয়া। যেমন- শাসনের জন্য বেতানো ঠিক নয়। গ. যৌগিক ক্রিয়া: একটি অসমাপিকা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়াযোগে যৌগিক ক্রিয়া গঠিত হয়। যেমন- ছেলেরা হেসে ফেলল। ঘ. মিশ্র ক্রিয়া: বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সাথে কর, হ, দে, পা, যা, কাট, ছাড়, ধর, মার প্রভৃতি ধাতুযোগে গঠিত ক্রিয়াকে মিশ্র ক্রিয়া বলে। যেমন-আমরা লালবাগ কেল্লা দর্শন করলাম। ৩. কর্মপদ সংক্রান্ত ভূমিকা অনুসারে : বাক্যে কর্মপদ সংক্রান্ত ভূমিকা অনুসারে ক্রিয়াকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: ক. অকর্মক ক্রিয়া ও খ. সকর্মক ক্রিয়া। ক. অকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে না, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন- মেঘ ডাকে। খ. সকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে যে ক্রিয়ার এক বা একাধিক কর্ম থাকে তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন- সাবু গান করে।
নিম্নরেখ যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি নির্দেশ কর: (i) পয়লা বৈশাখ বাঙালির উৎসবের দিন। (ii) আজ নয় কাল সে আসবেই। (iii) হে বন্ধু, বিদায়। (iv) তুমি যে আমার কবিতা। (v) মোদের গরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা। (vi) দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (vii) আমিন ও সামিন দুই ভাই। (viii) এগিয়ে চলেছে প্রতিবাদী মিছিল।

উত্তর

(i) বিশেষ্য (ii) যোজক (iii) আবেগ (iv) বিশেষ্য (v) সর্বনাম (vi) অনুসর্গ (vii) যোজক (viii) বিশেষ্য

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

উদাহরণসহ ক্রিয়া পদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উত্তর

বাংলা ক্রিয়াপদের শ্রেণিবিভাগ: বাংলা ক্রিয়াপদকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো: ১. অর্থ সম্পর্ক বিচারে, ২. গঠন বৈশিষ্ট্য বিচারে ও ৩. কর্মপদ সংক্রান্ত ভূমিকা অনুসারে। ১. অর্থ সম্পর্ক বিচারের দিক থেকে ক্রিয়াপদ দুই প্রকার: ক. সমাপিকা ক্রিয়া ও খ. অসমাপিকা ক্রিয়া। ক. সমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া বাক্যের অর্থ বা ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন- আজ আমি কাজটা করব। খ. অসমাপিকা ক্রিয়া: যে ক্রিয়া বাক্যের অর্থ বা ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে না, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন- আমি বাড়ি এসে...। 'এসে' অসমাপিকা ক্রিয়া। ২. গঠন বৈশিষ্ট্য বিচারে ক্রিয়া চার প্রকার। নিচে এগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো: ক. প্রযোজক ক্রিয়া: প্রযোজক ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যোগ করে যে ক্রিয়া গঠিত হয় তাকে বলে প্রযোজক ক্রিয়া। যেমন-সাপুড়ে সাপ খেলায়। খ. নামধাতুর ক্রিয়া: নামধাতুর সাথে বিভক্তি যোগে যে ক্রিয়া গঠিত হয় তাকে বলে নামধাতুর ক্রিয়া। যেমন- শাসনের জন্য বেতানো ঠিক নয়। গ. যৌগিক ক্রিয়া: একটি অসমাপিকা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়াযোগে যৌগিক ক্রিয়া গঠিত হয়। যেমন- ছেলেরা হেসে ফেলল। ঘ. মিশ্র ক্রিয়া: বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সাথে কর, হ, দে, পা, যা, কাট, ছাড়, ধর, মার প্রভৃতি ধাতুযোগে গঠিত ক্রিয়াকে মিশ্র ক্রিয়া বলে। যেমন-আমরা লালবাগ কেল্লা দর্শন করলাম। ৩. কর্মপদ সংক্রান্ত ভূমিকা অনুসারে : বাক্যে কর্মপদ সংক্রান্ত ভূমিকা অনুসারে ক্রিয়াকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: ক. অকর্মক ক্রিয়া ও খ. সকর্মক ক্রিয়া। ক. অকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে না, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন- মেঘ ডাকে। খ. সকর্মক ক্রিয়া: বাক্যে যে ক্রিয়ার এক বা একাধিক কর্ম থাকে তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলে। যেমন- সাবু গান করে।
নিম্নরেখ যে-কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাকরণিক শব্দশ্রেণি নির্দেশ কর: (i) পয়লা বৈশাখ বাঙালির উৎসবের দিন। (ii) আজ নয় কাল সে আসবেই। (iii) হে বন্ধু, বিদায়। (iv) তুমি যে আমার কবিতা। (v) মোদের গরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা। (vi) দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (vii) আমিন ও সামিন দুই ভাই। (viii) এগিয়ে চলেছে প্রতিবাদী মিছিল।

উত্তর

(i) বিশেষ্য (ii) যোজক (iii) আবেগ (iv) বিশেষ্য (v) সর্বনাম (vi) অনুসর্গ (vii) যোজক (viii) বিশেষ্য

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

বাংলা ভাষায় উপসর্গের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উপসর্গ ভাষার শব্দ গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে, শব্দের অর্থকে পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন করে এবং শব্দকে আরও স্পষ্ট ও বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে তোলে। উপসর্গের প্রয়োজনীয়তা: ১. নতুন শব্দ গঠন: উপসর্গ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। যেমন, "হার" শব্দের আগে "বি" উপসর্গ যুক্ত হয়ে "বিহার" শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ ভ্রমণ। ২. অর্থের পরিবর্তন: উপসর্গ শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটাতে পারে। যেমন, "জয়" শব্দের আগে "পরা" উপসর্গ যুক্ত হয়ে "পরাজয়" শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ হার। ৩. অর্থের সম্প্রসারণ: উপসর্গ শব্দের অর্থের ব্যাপকতা বৃদ্ধি করে। যেমন, "জ্ঞান" শব্দের আগে "বি" উপসর্গ যুক্ত হয়ে "বিজ্ঞান" শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ বিশেষ জ্ঞান। ৪. অর্থের সংকোচন: উপসর্গ শব্দের অর্থের গভীরতা হ্রাস করে। যেমন, "ঘাত" শব্দের আগে "আ" উপসর্গ যুক্ত হয়ে "আঘাত" শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ হালকা আঘাত। ৫. ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধকরণ: উপসর্গের ব্যবহারের ফলে বাংলা ভাষায় নতুন নতুন শব্দ যুক্ত হয়, যা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করে। ৬. শব্দকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করা: উপসর্গ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দটিকে আরও বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে তোলে। উপসর্গ ভাষার শব্দ গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে, শব্দের অর্থকে পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন করে এবং শব্দকে আরও স্পষ্ট ও বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে তোলে।
যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর: কাগজ-কলম, তেপান্তর, নবীনবরণ, মুখচন্দ্র, গণশিক্ষা, বনবাস, সিংহাসন, কাজলকালো।

উত্তর

কাগজ-কলম = কাগজ ও কলম = দ্বন্দ্ব সমাস। তেপান্তর = তিন প্রান্তরের সমাহার = দ্বিগু সমাস। নবীনবরণ = নবীনদের বরণ = ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। মুখচন্দ্র = মুখ চন্দ্রের ন্যায় = উপমিত কর্মধারয় সমাস। গণশিক্ষা = গণের শিক্ষা / গণের নিমিত্তে শিক্ষা = ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস/ চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। বনবাস = বনে বাস = সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস। সিংহাসন = সিংহ চিহ্নিত আসন = মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। কাজলকালো = কাজলের ন্যায় কালো = উপমান কর্মধারয় সমাস।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

বাংলা ভাষায় উপসর্গের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উপসর্গ ভাষার শব্দ গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে, শব্দের অর্থকে পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন করে এবং শব্দকে আরও স্পষ্ট ও বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে তোলে। উপসর্গের প্রয়োজনীয়তা: ১. নতুন শব্দ গঠন: উপসর্গ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। যেমন, "হার" শব্দের আগে "বি" উপসর্গ যুক্ত হয়ে "বিহার" শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ ভ্রমণ। ২. অর্থের পরিবর্তন: উপসর্গ শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটাতে পারে। যেমন, "জয়" শব্দের আগে "পরা" উপসর্গ যুক্ত হয়ে "পরাজয়" শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ হার। ৩. অর্থের সম্প্রসারণ: উপসর্গ শব্দের অর্থের ব্যাপকতা বৃদ্ধি করে। যেমন, "জ্ঞান" শব্দের আগে "বি" উপসর্গ যুক্ত হয়ে "বিজ্ঞান" শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ বিশেষ জ্ঞান। ৪. অর্থের সংকোচন: উপসর্গ শব্দের অর্থের গভীরতা হ্রাস করে। যেমন, "ঘাত" শব্দের আগে "আ" উপসর্গ যুক্ত হয়ে "আঘাত" শব্দটি গঠিত হয়, যার অর্থ হালকা আঘাত। ৫. ভাষার শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধকরণ: উপসর্গের ব্যবহারের ফলে বাংলা ভাষায় নতুন নতুন শব্দ যুক্ত হয়, যা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করে। ৬. শব্দকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করা: উপসর্গ শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে শব্দটিকে আরও বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে তোলে। উপসর্গ ভাষার শব্দ গঠনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে, শব্দের অর্থকে পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন করে এবং শব্দকে আরও স্পষ্ট ও বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে তোলে।
যে কোনো পাঁচটি শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় কর: কাগজ-কলম, তেপান্তর, নবীনবরণ, মুখচন্দ্র, গণশিক্ষা, বনবাস, সিংহাসন, কাজলকালো।

উত্তর

কাগজ-কলম = কাগজ ও কলম = দ্বন্দ্ব সমাস। তেপান্তর = তিন প্রান্তরের সমাহার = দ্বিগু সমাস। নবীনবরণ = নবীনদের বরণ = ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস। মুখচন্দ্র = মুখ চন্দ্রের ন্যায় = উপমিত কর্মধারয় সমাস। গণশিক্ষা = গণের শিক্ষা / গণের নিমিত্তে শিক্ষা = ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস/ চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। বনবাস = বনে বাস = সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস। সিংহাসন = সিংহ চিহ্নিত আসন = মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। কাজলকালো = কাজলের ন্যায় কালো = উপমান কর্মধারয় সমাস।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উত্তর

বাক্য: বাক্যের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে মুনীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী বলেন- “যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দিয়ে কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে।” গঠন অনুসারে বাংলা বাক্যের প্রকারভেদ: গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার। যথা- ১. সরল বাক্য, ২. জটিল বাক্য ও ৩. যৌগিক বাক্য। ১. সরল বাক্য: যে বাক্যের একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে তাকেই সরল বাক্য বলে। যেমন- কালাম রহিমকে ভালোবাসে। এখানে 'কালাম' উদ্দেশ্য ও 'ভালোবাসে' বিধেয়। ২. জটিল বা মিশ্রবাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক নির্ভরশীল বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বলে। যেমন- আমি যে তোমার অদর্শনে কত যন্ত্রণা ভোগ করেছি তা তুমি একবারও ভাবনি। ৩. যৌগিক বাক্য পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয়ের সাহায্যে মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন- হাসান মেধাবী ছাত্র কিন্তু চঞ্চল।
নির্দেশ অনুসারে যে-কোনো পাঁচটি বাক্যান্তর কর: (i) জাদুঘর আমাদের আনন্দ দেয়। (প্রশ্নবোধক) (ii) সর্বদা তার মনে দুঃখ। (বিস্ময়বোধক) (iii) তিনি ধনী কিন্তু দাতা নন। (সরল) (iv) সূর্যোদয়ে পদ্ম ফুটে। (জটিল) (v) তাদের ভুলটা ভাঙতে দেরি হয় না। (অস্তিবাচক) (vi) কী ভয়ংকর ঘটনা! (নির্দেশাত্মক) (vii) মানুষ মরণশীল। (নেতিবাচক) (viii) জ্ঞানী বলেই তিনি বিনয়ী ছিলেন। (যৌগিক)

উত্তর

(i) জাদুঘর কি আমাদের আনন্দ দেয় না? (ii) কী দুঃখই না তার মনে! (iii) তিনি ধনী হলেও দাতা নন। (iv) যখন সূর্যোদয় হয়, তখন পদ্ম ফোটে। (v) তাদের ভুলটা যথাসময়ে ভাঙে। (vi) ঘটনাটি অত্যন্ত ভয়ংকর। (vii) মানুষ অমর নয়। (viii) তিনি জ্ঞানী এবং বিনয়ী ছিলেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

বাক্যের গঠনগত শ্রেণিবিভাগ আলোচনা কর।

উত্তর

বাক্য: বাক্যের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে মুনীর চৌধুরী ও মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী বলেন- “যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দিয়ে কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে।” গঠন অনুসারে বাংলা বাক্যের প্রকারভেদ: গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার। যথা- ১. সরল বাক্য, ২. জটিল বাক্য ও ৩. যৌগিক বাক্য। ১. সরল বাক্য: যে বাক্যের একটিমাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে তাকেই সরল বাক্য বলে। যেমন- কালাম রহিমকে ভালোবাসে। এখানে 'কালাম' উদ্দেশ্য ও 'ভালোবাসে' বিধেয়। ২. জটিল বা মিশ্রবাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক নির্ভরশীল বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে জটিল বাক্য বলে। যেমন- আমি যে তোমার অদর্শনে কত যন্ত্রণা ভোগ করেছি তা তুমি একবারও ভাবনি। ৩. যৌগিক বাক্য পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয়ের সাহায্যে মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন- হাসান মেধাবী ছাত্র কিন্তু চঞ্চল।
নির্দেশ অনুসারে যে-কোনো পাঁচটি বাক্যান্তর কর: (i) জাদুঘর আমাদের আনন্দ দেয়। (প্রশ্নবোধক) (ii) সর্বদা তার মনে দুঃখ। (বিস্ময়বোধক) (iii) তিনি ধনী কিন্তু দাতা নন। (সরল) (iv) সূর্যোদয়ে পদ্ম ফুটে। (জটিল) (v) তাদের ভুলটা ভাঙতে দেরি হয় না। (অস্তিবাচক) (vi) কী ভয়ংকর ঘটনা! (নির্দেশাত্মক) (vii) মানুষ মরণশীল। (নেতিবাচক) (viii) জ্ঞানী বলেই তিনি বিনয়ী ছিলেন। (যৌগিক)

উত্তর

(i) জাদুঘর কি আমাদের আনন্দ দেয় না? (ii) কী দুঃখই না তার মনে! (iii) তিনি ধনী হলেও দাতা নন। (iv) যখন সূর্যোদয় হয়, তখন পদ্ম ফোটে। (v) তাদের ভুলটা যথাসময়ে ভাঙে। (vi) ঘটনাটি অত্যন্ত ভয়ংকর। (vii) মানুষ অমর নয়। (viii) তিনি জ্ঞানী এবং বিনয়ী ছিলেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগ সংশোধন কর: নিরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান শোনায়। অনুভূতির কান দ্বারা সে গান শুনিতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জিবনের মানে বৃদ্ধি, ধম্মের মানে ও তাই।

উত্তর

নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই।
যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ: (i) আমিনা বুদ্ধিমান মেয়ে। (ii) সব ছাত্ররা উপস্থিত আছে। (iii) তিনি স্বপরিবারে অনুষ্ঠানে উপস্থিত। (iv) সে এ মোকদ্দমায় সাক্ষী দিয়েছে। (v) অশ্রুজলে বুক ভেসে গেল। (vi) পরবর্তীতে আপনি আবার আসবেন। (vii) মাদকাশক্তি ভালো নয়। (viii) সাবধান পূর্বক চলবে।

উত্তর

(i) আমিনা বুদ্ধিমতী মেয়ে। (ii) সব ছাত্র উপস্থিত আছে। / ছাত্ররা উপস্থিত আছে। (iii) তিনি সপরিবারে অনুষ্ঠানে উপস্থিত। (iv) সে এ মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দিয়েছে। (v) অশ্রুতে বুক ভেসে গেল।/চোখের জলে বুক ভেসে গেল (vi) পরবর্তী সময়ে/পরবর্তী কালে আপনি আবার আসবেন। (vii) মাদকাসক্তি ভালো নয়। (viii) সাবধানে চলবে।/সাবধানতা পূর্বক চলবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 2nd Paperসৃজনশীল

Dhaka · 2025

নিচের অনুচ্ছেদের অপপ্রয়োগ সংশোধন কর: নিরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান শোনায়। অনুভূতির কান দ্বারা সে গান শুনিতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জিবনের মানে বৃদ্ধি, ধম্মের মানে ও তাই।

উত্তর

নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের সার্থকতার গান গেয়ে শোনায়। অনুভূতির কান দিয়ে সে গান শুনতে হবে। তাহলে বুঝতে পারা যাবে জীবনের মানে বৃদ্ধি, ধর্মের মানেও তাই।
যে কোনো পাঁচটি বাক্য শুদ্ধ করে লেখ: (i) আমিনা বুদ্ধিমান মেয়ে। (ii) সব ছাত্ররা উপস্থিত আছে। (iii) তিনি স্বপরিবারে অনুষ্ঠানে উপস্থিত। (iv) সে এ মোকদ্দমায় সাক্ষী দিয়েছে। (v) অশ্রুজলে বুক ভেসে গেল। (vi) পরবর্তীতে আপনি আবার আসবেন। (vii) মাদকাশক্তি ভালো নয়। (viii) সাবধান পূর্বক চলবে।

উত্তর

(i) আমিনা বুদ্ধিমতী মেয়ে। (ii) সব ছাত্র উপস্থিত আছে। / ছাত্ররা উপস্থিত আছে। (iii) তিনি সপরিবারে অনুষ্ঠানে উপস্থিত। (iv) সে এ মোকদ্দমায় সাক্ষ্য দিয়েছে। (v) অশ্রুতে বুক ভেসে গেল।/চোখের জলে বুক ভেসে গেল (vi) পরবর্তী সময়ে/পরবর্তী কালে আপনি আবার আসবেন। (vii) মাদকাসক্তি ভালো নয়। (viii) সাবধানে চলবে।/সাবধানতা পূর্বক চলবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো