Dhaka বোর্ড 2025 Bangla 1st Paper

Dhaka শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Bangla 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Dhaka

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুমন ও নীলিমা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। তারা পরস্পরকে খুব ভালোবাসে। তারা বিয়ে করে সংসারী হতে চায়। নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে পারেনি বলে সুমনের পরিবার তাকে মেনে নিতে চায় না। সুমন পরিবারের ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে। কিন্তু নীলিমা এটিকে অপমানজনক মনে করে আর বিয়ে করে না। অতঃপর শিক্ষকতায় নিবেদিত হয়ে নীলিমা তার বাকি জীবন অতিবাহিত করে।

Dhaka · 2025

কল্যাণীর বাবার পেশা কী?

উত্তর

কল্যাণীর বাবার পেশা হলো চিকিৎসা।
"এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি"- উক্তিটির মাধ্যমে অনুপম আত্মতুষ্টি লাভের প্রয়াস পেয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের মামার লোভী ও হীন মানসিকতার কারণে কল্যাণীর সঙ্গে অনুপমের বিয়ে ভেঙে গেলে সে বিরহে জর্জরিত হয়। একারণেই পরবর্তী সময়ে মনস্তাপে ভেঙে পড়া অনুপম কল্যাণীকে বিয়ে করতে না পারলেও তার কাছাকাছি থাকতে চেয়েছে। বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর একদিন মাকে নিয়ে তীর্থে যাওয়ার পথে কল্যাণীকে দেখে মুগ্ধ হয় অনুপম। এরপর তার কাছে ও তার পিতার কাছে ক্ষমা চায় অনুপম। সবকিছু ছেড়ে সে বছরের পর বছর কানপুরে কল্যাণীর কাছাকাছি থাকে। কল্যাণী তাকে ক্ষমা করে দিলেও বিয়েতে রাজি হয়নি। তবুও অনুপম তার দেখা পায়, কণ্ঠ শোনে, সুবিধামতো তার কাজ করে দিয়ে নিজের একটা অবস্থান তৈরি করে। কল্যাণীকে আশ্রয় করে সেই আনন্দেই সে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেছে।
উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধর।

উত্তর

উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য মূলত তাদের ব্যক্তিত্বহীনতায়। 'অপরিচিতা' গল্পের কথক অনুপম বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকের যুদ্ধসংলগ্ন সময়ের এক বাঙালি যুবক, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর উপাধি অর্জন করেও ব্যক্তিত্বরহিত, পরিবারতন্ত্রের কাছে অসহায় পুতুলমাত্র। সে যেন মায়ের কোলসংলগ্ন শিশুর মতো। উদ্দীপকের সুমন ও নীলিমা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। তারা পরস্পরকে ভালোবেসে বিয়ে করতে চায়। নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হলে সুমনের পরিবার তাকে মেনে নেয় না এবং সুমন পরিবারের ইচ্ছায়- অন্যত্র বিয়ে করে। উদ্দীপকের সুমনের এই ব্যক্তিত্বহীনতার দিকটি 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রেও পরিলক্ষিত হয়। নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত সে নিজে নিতে পারেনি, তার বিয়েতে মামাই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিয়ে শুরুর আগে তার মামা কনের গহনা যাচাই ও পরিমাণ মাপার মতো অপমানজনক বিষয়টি দেখেও অনুপম নীরব দর্শক হয়ে থেকেছে। সে নিজের পছন্দকে মূল্যায়ন, ন্যায় ও সত্যের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেওয়ার মতো ব্যক্তিত্ববান হয়ে ওঠেনি। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য মূলত ব্যক্তিত্বহীনতায়। তারা তাদের নিজেদের পছন্দের মূল্যায়ন করতে পারেনি। যৌতুকের মতো অন্যায় বিষয়ের বিপক্ষেও দাঁড়াতে পারেনি। তারা দুজনেই বিয়েতে ব্যক্তিত্বহীন মেরুদণ্ডহীনের মতো আচরণ করেছে।
"উদ্দীপকের নীলিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃঢ় ব্যক্তিত্ব ও আত্মমর্যাদার বিবেচনায় "উদ্দীপকের নীলিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যৌতুকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও দেশচেতনায় ঋদ্ধ এক প্রখর ব্যক্তিত্বময়ী নারীর চিত্র তুলে ধরেছেন কল্যাণী চরিত্রের মাধ্যমে। কল্যাণী আত্মমর্যাদাশীল নারী, তাই সে আর বিয়েতে মত দেয়নি, বরং দেশের নারীদের শিক্ষার মাধ্যমে মর্যাদাশীল করে তুলতে পদক্ষেপ নিয়েছে। উদ্দীপকে উচ্চশিক্ষিত সুমন ও নীলিমার কথা বলা হয়েছে। তারা - পরস্পরকে ভালোবাসে এবং সংসারী হতে চায়। কিন্তু নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হলে সুমনের পরিবার নীলিমাকে মেনে নেয় না। সুমনও কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে পরিবারের ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে। নীলিমা এটিকে অপমান মনে করে আর বিয়ে করে না এবং শিক্ষকতায় নিবেদিত হয়ে বাকি জীবন অতিবাহিত করে। এই 'নীলিমা যেন 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি। 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে ভেঙে যায় পাত্র অনুপমের নির্লিপ্ততা আর তার মামার যৌতুকলোভী মানসিকতার কারণে। অনুপম তার মামার অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ না করায় কল্যাণীর বাবা মর্মাহত হন। অনুপমের ব্যক্তিত্বহীনতা এবং তার মামার হীন মানসিকতা দেখে তিনি মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেন। বাবার সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে কল্যাণী সারা জীবন বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে। পরবর্তী সময়ে অনুপম ভুল স্বীকার করে তার জীবনে আসতে চাইলেও সে আর রাজি হয় না। কল্যাণীর এই দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্ব উদ্দীপকের নীলিমার মধ্যেও পরিলক্ষিত হয়। সেও আত্মমর্যদায় বলীয়ান হয়ে আর বিয়ে না করে শিক্ষকতা করে জীবন পার করেছে। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুমন ও নীলিমা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। তারা পরস্পরকে খুব ভালোবাসে। তারা বিয়ে করে সংসারী হতে চায়। নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে পারেনি বলে সুমনের পরিবার তাকে মেনে নিতে চায় না। সুমন পরিবারের ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে। কিন্তু নীলিমা এটিকে অপমানজনক মনে করে আর বিয়ে করে না। অতঃপর শিক্ষকতায় নিবেদিত হয়ে নীলিমা তার বাকি জীবন অতিবাহিত করে।

Dhaka · 2025

কল্যাণীর বাবার পেশা কী?

উত্তর

কল্যাণীর বাবার পেশা হলো চিকিৎসা।
"এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি"- উক্তিটির মাধ্যমে অনুপম আত্মতুষ্টি লাভের প্রয়াস পেয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের মামার লোভী ও হীন মানসিকতার কারণে কল্যাণীর সঙ্গে অনুপমের বিয়ে ভেঙে গেলে সে বিরহে জর্জরিত হয়। একারণেই পরবর্তী সময়ে মনস্তাপে ভেঙে পড়া অনুপম কল্যাণীকে বিয়ে করতে না পারলেও তার কাছাকাছি থাকতে চেয়েছে। বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর একদিন মাকে নিয়ে তীর্থে যাওয়ার পথে কল্যাণীকে দেখে মুগ্ধ হয় অনুপম। এরপর তার কাছে ও তার পিতার কাছে ক্ষমা চায় অনুপম। সবকিছু ছেড়ে সে বছরের পর বছর কানপুরে কল্যাণীর কাছাকাছি থাকে। কল্যাণী তাকে ক্ষমা করে দিলেও বিয়েতে রাজি হয়নি। তবুও অনুপম তার দেখা পায়, কণ্ঠ শোনে, সুবিধামতো তার কাজ করে দিয়ে নিজের একটা অবস্থান তৈরি করে। কল্যাণীকে আশ্রয় করে সেই আনন্দেই সে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেছে।
উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধর।

উত্তর

উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য মূলত তাদের ব্যক্তিত্বহীনতায়। 'অপরিচিতা' গল্পের কথক অনুপম বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকের যুদ্ধসংলগ্ন সময়ের এক বাঙালি যুবক, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর উপাধি অর্জন করেও ব্যক্তিত্বরহিত, পরিবারতন্ত্রের কাছে অসহায় পুতুলমাত্র। সে যেন মায়ের কোলসংলগ্ন শিশুর মতো। উদ্দীপকের সুমন ও নীলিমা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। তারা পরস্পরকে ভালোবেসে বিয়ে করতে চায়। নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হলে সুমনের পরিবার তাকে মেনে নেয় না এবং সুমন পরিবারের ইচ্ছায়- অন্যত্র বিয়ে করে। উদ্দীপকের সুমনের এই ব্যক্তিত্বহীনতার দিকটি 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রেও পরিলক্ষিত হয়। নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত সে নিজে নিতে পারেনি, তার বিয়েতে মামাই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিয়ে শুরুর আগে তার মামা কনের গহনা যাচাই ও পরিমাণ মাপার মতো অপমানজনক বিষয়টি দেখেও অনুপম নীরব দর্শক হয়ে থেকেছে। সে নিজের পছন্দকে মূল্যায়ন, ন্যায় ও সত্যের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেওয়ার মতো ব্যক্তিত্ববান হয়ে ওঠেনি। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য মূলত ব্যক্তিত্বহীনতায়। তারা তাদের নিজেদের পছন্দের মূল্যায়ন করতে পারেনি। যৌতুকের মতো অন্যায় বিষয়ের বিপক্ষেও দাঁড়াতে পারেনি। তারা দুজনেই বিয়েতে ব্যক্তিত্বহীন মেরুদণ্ডহীনের মতো আচরণ করেছে।
"উদ্দীপকের নীলিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃঢ় ব্যক্তিত্ব ও আত্মমর্যাদার বিবেচনায় "উদ্দীপকের নীলিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যৌতুকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও দেশচেতনায় ঋদ্ধ এক প্রখর ব্যক্তিত্বময়ী নারীর চিত্র তুলে ধরেছেন কল্যাণী চরিত্রের মাধ্যমে। কল্যাণী আত্মমর্যাদাশীল নারী, তাই সে আর বিয়েতে মত দেয়নি, বরং দেশের নারীদের শিক্ষার মাধ্যমে মর্যাদাশীল করে তুলতে পদক্ষেপ নিয়েছে। উদ্দীপকে উচ্চশিক্ষিত সুমন ও নীলিমার কথা বলা হয়েছে। তারা - পরস্পরকে ভালোবাসে এবং সংসারী হতে চায়। কিন্তু নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হলে সুমনের পরিবার নীলিমাকে মেনে নেয় না। সুমনও কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে পরিবারের ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে। নীলিমা এটিকে অপমান মনে করে আর বিয়ে করে না এবং শিক্ষকতায় নিবেদিত হয়ে বাকি জীবন অতিবাহিত করে। এই 'নীলিমা যেন 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি। 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে ভেঙে যায় পাত্র অনুপমের নির্লিপ্ততা আর তার মামার যৌতুকলোভী মানসিকতার কারণে। অনুপম তার মামার অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ না করায় কল্যাণীর বাবা মর্মাহত হন। অনুপমের ব্যক্তিত্বহীনতা এবং তার মামার হীন মানসিকতা দেখে তিনি মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেন। বাবার সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে কল্যাণী সারা জীবন বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে। পরবর্তী সময়ে অনুপম ভুল স্বীকার করে তার জীবনে আসতে চাইলেও সে আর রাজি হয় না। কল্যাণীর এই দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্ব উদ্দীপকের নীলিমার মধ্যেও পরিলক্ষিত হয়। সেও আত্মমর্যদায় বলীয়ান হয়ে আর বিয়ে না করে শিক্ষকতা করে জীবন পার করেছে। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুমন ও নীলিমা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। তারা পরস্পরকে খুব ভালোবাসে। তারা বিয়ে করে সংসারী হতে চায়। নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে পারেনি বলে সুমনের পরিবার তাকে মেনে নিতে চায় না। সুমন পরিবারের ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে। কিন্তু নীলিমা এটিকে অপমানজনক মনে করে আর বিয়ে করে না। অতঃপর শিক্ষকতায় নিবেদিত হয়ে নীলিমা তার বাকি জীবন অতিবাহিত করে।

Dhaka · 2025

কল্যাণীর বাবার পেশা কী?

উত্তর

কল্যাণীর বাবার পেশা হলো চিকিৎসা।
"এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি"- উক্তিটির মাধ্যমে অনুপম আত্মতুষ্টি লাভের প্রয়াস পেয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের মামার লোভী ও হীন মানসিকতার কারণে কল্যাণীর সঙ্গে অনুপমের বিয়ে ভেঙে গেলে সে বিরহে জর্জরিত হয়। একারণেই পরবর্তী সময়ে মনস্তাপে ভেঙে পড়া অনুপম কল্যাণীকে বিয়ে করতে না পারলেও তার কাছাকাছি থাকতে চেয়েছে। বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর একদিন মাকে নিয়ে তীর্থে যাওয়ার পথে কল্যাণীকে দেখে মুগ্ধ হয় অনুপম। এরপর তার কাছে ও তার পিতার কাছে ক্ষমা চায় অনুপম। সবকিছু ছেড়ে সে বছরের পর বছর কানপুরে কল্যাণীর কাছাকাছি থাকে। কল্যাণী তাকে ক্ষমা করে দিলেও বিয়েতে রাজি হয়নি। তবুও অনুপম তার দেখা পায়, কণ্ঠ শোনে, সুবিধামতো তার কাজ করে দিয়ে নিজের একটা অবস্থান তৈরি করে। কল্যাণীকে আশ্রয় করে সেই আনন্দেই সে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেছে।
উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধর।

উত্তর

উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য মূলত তাদের ব্যক্তিত্বহীনতায়। 'অপরিচিতা' গল্পের কথক অনুপম বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকের যুদ্ধসংলগ্ন সময়ের এক বাঙালি যুবক, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর উপাধি অর্জন করেও ব্যক্তিত্বরহিত, পরিবারতন্ত্রের কাছে অসহায় পুতুলমাত্র। সে যেন মায়ের কোলসংলগ্ন শিশুর মতো। উদ্দীপকের সুমন ও নীলিমা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। তারা পরস্পরকে ভালোবেসে বিয়ে করতে চায়। নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হলে সুমনের পরিবার তাকে মেনে নেয় না এবং সুমন পরিবারের ইচ্ছায়- অন্যত্র বিয়ে করে। উদ্দীপকের সুমনের এই ব্যক্তিত্বহীনতার দিকটি 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রেও পরিলক্ষিত হয়। নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত সে নিজে নিতে পারেনি, তার বিয়েতে মামাই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিয়ে শুরুর আগে তার মামা কনের গহনা যাচাই ও পরিমাণ মাপার মতো অপমানজনক বিষয়টি দেখেও অনুপম নীরব দর্শক হয়ে থেকেছে। সে নিজের পছন্দকে মূল্যায়ন, ন্যায় ও সত্যের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেওয়ার মতো ব্যক্তিত্ববান হয়ে ওঠেনি। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য মূলত ব্যক্তিত্বহীনতায়। তারা তাদের নিজেদের পছন্দের মূল্যায়ন করতে পারেনি। যৌতুকের মতো অন্যায় বিষয়ের বিপক্ষেও দাঁড়াতে পারেনি। তারা দুজনেই বিয়েতে ব্যক্তিত্বহীন মেরুদণ্ডহীনের মতো আচরণ করেছে।
"উদ্দীপকের নীলিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃঢ় ব্যক্তিত্ব ও আত্মমর্যাদার বিবেচনায় "উদ্দীপকের নীলিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যৌতুকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও দেশচেতনায় ঋদ্ধ এক প্রখর ব্যক্তিত্বময়ী নারীর চিত্র তুলে ধরেছেন কল্যাণী চরিত্রের মাধ্যমে। কল্যাণী আত্মমর্যাদাশীল নারী, তাই সে আর বিয়েতে মত দেয়নি, বরং দেশের নারীদের শিক্ষার মাধ্যমে মর্যাদাশীল করে তুলতে পদক্ষেপ নিয়েছে। উদ্দীপকে উচ্চশিক্ষিত সুমন ও নীলিমার কথা বলা হয়েছে। তারা - পরস্পরকে ভালোবাসে এবং সংসারী হতে চায়। কিন্তু নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হলে সুমনের পরিবার নীলিমাকে মেনে নেয় না। সুমনও কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে পরিবারের ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে। নীলিমা এটিকে অপমান মনে করে আর বিয়ে করে না এবং শিক্ষকতায় নিবেদিত হয়ে বাকি জীবন অতিবাহিত করে। এই 'নীলিমা যেন 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি। 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে ভেঙে যায় পাত্র অনুপমের নির্লিপ্ততা আর তার মামার যৌতুকলোভী মানসিকতার কারণে। অনুপম তার মামার অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ না করায় কল্যাণীর বাবা মর্মাহত হন। অনুপমের ব্যক্তিত্বহীনতা এবং তার মামার হীন মানসিকতা দেখে তিনি মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেন। বাবার সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে কল্যাণী সারা জীবন বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে। পরবর্তী সময়ে অনুপম ভুল স্বীকার করে তার জীবনে আসতে চাইলেও সে আর রাজি হয় না। কল্যাণীর এই দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্ব উদ্দীপকের নীলিমার মধ্যেও পরিলক্ষিত হয়। সেও আত্মমর্যদায় বলীয়ান হয়ে আর বিয়ে না করে শিক্ষকতা করে জীবন পার করেছে। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সুমন ও নীলিমা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। তারা পরস্পরকে খুব ভালোবাসে। তারা বিয়ে করে সংসারী হতে চায়। নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে পারেনি বলে সুমনের পরিবার তাকে মেনে নিতে চায় না। সুমন পরিবারের ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে। কিন্তু নীলিমা এটিকে অপমানজনক মনে করে আর বিয়ে করে না। অতঃপর শিক্ষকতায় নিবেদিত হয়ে নীলিমা তার বাকি জীবন অতিবাহিত করে।

Dhaka · 2025

কল্যাণীর বাবার পেশা কী?

উত্তর

কল্যাণীর বাবার পেশা হলো চিকিৎসা।
"এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

"এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি"- উক্তিটির মাধ্যমে অনুপম আত্মতুষ্টি লাভের প্রয়াস পেয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পে অনুপমের মামার লোভী ও হীন মানসিকতার কারণে কল্যাণীর সঙ্গে অনুপমের বিয়ে ভেঙে গেলে সে বিরহে জর্জরিত হয়। একারণেই পরবর্তী সময়ে মনস্তাপে ভেঙে পড়া অনুপম কল্যাণীকে বিয়ে করতে না পারলেও তার কাছাকাছি থাকতে চেয়েছে। বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর একদিন মাকে নিয়ে তীর্থে যাওয়ার পথে কল্যাণীকে দেখে মুগ্ধ হয় অনুপম। এরপর তার কাছে ও তার পিতার কাছে ক্ষমা চায় অনুপম। সবকিছু ছেড়ে সে বছরের পর বছর কানপুরে কল্যাণীর কাছাকাছি থাকে। কল্যাণী তাকে ক্ষমা করে দিলেও বিয়েতে রাজি হয়নি। তবুও অনুপম তার দেখা পায়, কণ্ঠ শোনে, সুবিধামতো তার কাজ করে দিয়ে নিজের একটা অবস্থান তৈরি করে। কল্যাণীকে আশ্রয় করে সেই আনন্দেই সে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেছে।
উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধর।

উত্তর

উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য মূলত তাদের ব্যক্তিত্বহীনতায়। 'অপরিচিতা' গল্পের কথক অনুপম বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকের যুদ্ধসংলগ্ন সময়ের এক বাঙালি যুবক, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর উপাধি অর্জন করেও ব্যক্তিত্বরহিত, পরিবারতন্ত্রের কাছে অসহায় পুতুলমাত্র। সে যেন মায়ের কোলসংলগ্ন শিশুর মতো। উদ্দীপকের সুমন ও নীলিমা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। তারা পরস্পরকে ভালোবেসে বিয়ে করতে চায়। নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হলে সুমনের পরিবার তাকে মেনে নেয় না এবং সুমন পরিবারের ইচ্ছায়- অন্যত্র বিয়ে করে। উদ্দীপকের সুমনের এই ব্যক্তিত্বহীনতার দিকটি 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রেও পরিলক্ষিত হয়। নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত সে নিজে নিতে পারেনি, তার বিয়েতে মামাই সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিয়ে শুরুর আগে তার মামা কনের গহনা যাচাই ও পরিমাণ মাপার মতো অপমানজনক বিষয়টি দেখেও অনুপম নীরব দর্শক হয়ে থেকেছে। সে নিজের পছন্দকে মূল্যায়ন, ন্যায় ও সত্যের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেওয়ার মতো ব্যক্তিত্ববান হয়ে ওঠেনি। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সুমন আর 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য মূলত ব্যক্তিত্বহীনতায়। তারা তাদের নিজেদের পছন্দের মূল্যায়ন করতে পারেনি। যৌতুকের মতো অন্যায় বিষয়ের বিপক্ষেও দাঁড়াতে পারেনি। তারা দুজনেই বিয়েতে ব্যক্তিত্বহীন মেরুদণ্ডহীনের মতো আচরণ করেছে।
"উদ্দীপকের নীলিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃঢ় ব্যক্তিত্ব ও আত্মমর্যাদার বিবেচনায় "উদ্দীপকের নীলিমা 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি"- মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যৌতুকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও দেশচেতনায় ঋদ্ধ এক প্রখর ব্যক্তিত্বময়ী নারীর চিত্র তুলে ধরেছেন কল্যাণী চরিত্রের মাধ্যমে। কল্যাণী আত্মমর্যাদাশীল নারী, তাই সে আর বিয়েতে মত দেয়নি, বরং দেশের নারীদের শিক্ষার মাধ্যমে মর্যাদাশীল করে তুলতে পদক্ষেপ নিয়েছে। উদ্দীপকে উচ্চশিক্ষিত সুমন ও নীলিমার কথা বলা হয়েছে। তারা - পরস্পরকে ভালোবাসে এবং সংসারী হতে চায়। কিন্তু নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হলে সুমনের পরিবার নীলিমাকে মেনে নেয় না। সুমনও কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে পরিবারের ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে। নীলিমা এটিকে অপমান মনে করে আর বিয়ে করে না এবং শিক্ষকতায় নিবেদিত হয়ে বাকি জীবন অতিবাহিত করে। এই 'নীলিমা যেন 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি। 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণীর বিয়ে ভেঙে যায় পাত্র অনুপমের নির্লিপ্ততা আর তার মামার যৌতুকলোভী মানসিকতার কারণে। অনুপম তার মামার অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ না করায় কল্যাণীর বাবা মর্মাহত হন। অনুপমের ব্যক্তিত্বহীনতা এবং তার মামার হীন মানসিকতা দেখে তিনি মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেন। বাবার সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে কল্যাণী সারা জীবন বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে। পরবর্তী সময়ে অনুপম ভুল স্বীকার করে তার জীবনে আসতে চাইলেও সে আর রাজি হয় না। কল্যাণীর এই দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্ব উদ্দীপকের নীলিমার মধ্যেও পরিলক্ষিত হয়। সেও আত্মমর্যদায় বলীয়ান হয়ে আর বিয়ে না করে শিক্ষকতা করে জীবন পার করেছে। সুতরাং প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st PaperMCQ
'বাবুরা, আমাকে একটিবার ছেড়ে দাও'-বিলাসী কেন একথা বলেছিল?
  • .প্রহারের ভয়ে
  • .মৃত্যুঞ্জয়কে দেখতে
  • .রুটিগুলো ঘরে দেয়ার জন্য
  • .ন্যাড়াকে দেখতে চেয়ে

উত্তর: রুটিগুলো ঘরে দেয়ার জন্য

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st PaperMCQ
উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:ফাঁসির মঞ্চে জীবনের জয়গান গেয়েছেন ক্ষুদিরাম। তিনি দেশের জন্য আত্মবিসর্জন দিয়েছেন তবু বিদেশিদের কাছে মাথা নত করেননি।প্রশ্ন: উক্ত বৈশিষ্ট্যে বিদ্যমান ভাব প্রকাশ পেয়েছে যে অংশ-
i. অভিশাপ রথের সারথি
ii. আমার পথ দেখাবে আমার সত্য
iii. সত্যের দম্ভে ক্ষতির শিকারনিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .i ও iii
  • .ii ও iii
  • .i, ii ও iii

উত্তর: i ও ii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st PaperMCQ
উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নের উত্তর দাও:ফাঁসির মঞ্চে জীবনের জয়গান গেয়েছেন ক্ষুদিরাম। তিনি দেশের জন্য আত্মবিসর্জন দিয়েছেন তবু বিদেশিদের কাছে মাথা নত করেননি।প্রশ্ন: 'আমার পথ' প্রবন্ধ অনুসারে উদ্দীপকে ক্ষুদিরামের মধ্যে কোন বৈশিষ্ট্যটি বিদ্যমান?
  • .মহাপুরুষে ভক্তি
  • .স্বনির্ভরতা
  • .সত্যে বলীয়ান
  • .সম্প্রীতি

উত্তর: সত্যে বলীয়ান

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st PaperMCQ
'আমার পথ' প্রবন্ধ অবলম্বনে মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত হলে-
i. সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা যাবে
ii. ধর্মে-ধর্মে বিরোধ মিটে যাবে
iii. ধর্মের সত্য উন্মোচিত হবেনিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .i ও iii
  • .ii ও iii
  • .i, ii ও iii

উত্তর: i, ii ও iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st PaperMCQ
মাসি-পিসি আহ্লাদিকে প্রতিকূল পরিবেশ থেকে বাঁচাতে সক্ষম হয়েছিল যে শক্তির দ্বারা, তা হচ্ছে一
i. ঐক্য
ii. পেশি শক্তি
iii. সাহসনিচের কোনটি সঠিক?
  • .i ও ii
  • .ii ও iii
  • .i ও iii
  • .i, ii ও iii

উত্তর: i ও iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st PaperMCQ
'মাসি-পিসি' গল্পে-"রসুই চালায় ঝাঁপ এঁটে মাসি-পিসি বাইরে যায়।"এখানে 'রসুই চালায়' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  • .ড্রয়িং রুম
  • .রান্নার ঘর
  • .শোয়ার ঘর
  • .জিনিসপত্রের ঘর

উত্তর: রান্নার ঘর

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো