Chittagong বোর্ড 2025 Economics 1st Paper

Chittagong শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Economics 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Chittagong

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

Chittagong · 2025

নির্বাচন কী?

উত্তর

অর্থনীতিতে নির্বাচন বলতে একাধিক অভাবের মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ অভাব বাছাই করাকে বোঝায়।
ব্যষ্টিক অর্থনীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ব্যষ্টিক অর্থনীতি'ও সামষ্টিক অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। অর্থনীতির প্রত্যেকটি বিশেষ অংশের পৃথক আলোচনা ব্যষ্টিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত। পক্ষান্তরে, অর্থনীতির সামগ্রিক ক্রিয়া সামষ্টিক তাই বলা যায়, ব্যষ্টিক অর্থনীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত। অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক।
উদ্দীপক থেকে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে হতে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন করা হলো- চিত্রে ভূমি অক্ষে X-দ্রব্য এবং লম্ব অক্ষে Y-দ্রব্য নির্দেশ করা হয়েছে। উদ্দীপকের নির্দিষ্ট সম্পদ দ্বারা D বিন্দুতে X দ্রব্য উৎপাদিত হয় 50 একক এবং Y দ্রব্য শূন্য (০) একক নির্ধারিত হয়। এখন Y দ্রব্য উৎপাদন যথাক্রমে 20, 40 ও 50 একক করতে হলে X দ্রব্য উৎপাদন কমিয়ে যথাক্রমে 40, 20 ও ০ একক করতে হবে। এদের সমন্বয় বিন্দু C, B ও A হয়। এখন A, B, C ও D বিন্দু যুক্ত করে যে রেখাটি পাওয়া যায়। উক্ত রেখাই হলো উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে অঙ্কিত উৎপাদন - সম্ভাবনা রেখা।
X দ্রব্যের উৎপাদন 40 একক অবস্থায় Y দ্রব্য 40 একক উৎপাদন সম্ভব কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত শর্তসাপেক্ষে একই সঙ্গে X দ্রব্যের 40 একক এবং Y দ্রব্যের 40 উৎপাদন করা সম্ভব নয়। নিচে আমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলো- এখন বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ( X = 40 একক, Y = 40 একক) সংমিশ্রণটি উৎপাদন করা যৌক্তিক হবে কিনা তা দেখা যাক। এ উদ্দেশ্যে উক্ত সংমিশ্রণটি চিত্রে উপস্থাপন করলে সংমিশ্রণসূচক বিন্দু E পাওয়া যায়। দেখা যায়, E বিন্দুটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখার বাইরের অঞ্চলে অবস্থান করে। E বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। কারণ সমাজের সম্পদ ও প্রযুক্তি AD রেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ। AD রেখার বাইরের কোনো বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব হবে না। তবে AD রেখার যেকোনো বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব। পরিশেষে বলা যায়, একই সঙ্গে X দ্রব্যের 40 একক এবং Y দ্রব্যের 40 একক উৎপাদন করা সম্ভব নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

Chittagong · 2025

নির্বাচন কী?

উত্তর

অর্থনীতিতে নির্বাচন বলতে একাধিক অভাবের মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ অভাব বাছাই করাকে বোঝায়।
ব্যষ্টিক অর্থনীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ব্যষ্টিক অর্থনীতি'ও সামষ্টিক অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। অর্থনীতির প্রত্যেকটি বিশেষ অংশের পৃথক আলোচনা ব্যষ্টিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত। পক্ষান্তরে, অর্থনীতির সামগ্রিক ক্রিয়া সামষ্টিক তাই বলা যায়, ব্যষ্টিক অর্থনীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত। অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক।
উদ্দীপক থেকে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে হতে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন করা হলো- চিত্রে ভূমি অক্ষে X-দ্রব্য এবং লম্ব অক্ষে Y-দ্রব্য নির্দেশ করা হয়েছে। উদ্দীপকের নির্দিষ্ট সম্পদ দ্বারা D বিন্দুতে X দ্রব্য উৎপাদিত হয় 50 একক এবং Y দ্রব্য শূন্য (০) একক নির্ধারিত হয়। এখন Y দ্রব্য উৎপাদন যথাক্রমে 20, 40 ও 50 একক করতে হলে X দ্রব্য উৎপাদন কমিয়ে যথাক্রমে 40, 20 ও ০ একক করতে হবে। এদের সমন্বয় বিন্দু C, B ও A হয়। এখন A, B, C ও D বিন্দু যুক্ত করে যে রেখাটি পাওয়া যায়। উক্ত রেখাই হলো উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে অঙ্কিত উৎপাদন - সম্ভাবনা রেখা।
X দ্রব্যের উৎপাদন 40 একক অবস্থায় Y দ্রব্য 40 একক উৎপাদন সম্ভব কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত শর্তসাপেক্ষে একই সঙ্গে X দ্রব্যের 40 একক এবং Y দ্রব্যের 40 উৎপাদন করা সম্ভব নয়। নিচে আমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলো- এখন বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ( X = 40 একক, Y = 40 একক) সংমিশ্রণটি উৎপাদন করা যৌক্তিক হবে কিনা তা দেখা যাক। এ উদ্দেশ্যে উক্ত সংমিশ্রণটি চিত্রে উপস্থাপন করলে সংমিশ্রণসূচক বিন্দু E পাওয়া যায়। দেখা যায়, E বিন্দুটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখার বাইরের অঞ্চলে অবস্থান করে। E বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। কারণ সমাজের সম্পদ ও প্রযুক্তি AD রেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ। AD রেখার বাইরের কোনো বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব হবে না। তবে AD রেখার যেকোনো বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব। পরিশেষে বলা যায়, একই সঙ্গে X দ্রব্যের 40 একক এবং Y দ্রব্যের 40 একক উৎপাদন করা সম্ভব নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব নাসির 'AA^{\prime} দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসে কর্মরত। তিনি লক্ষ করলেন, 'AA^{\prime} দেশে সকল সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রের হাতে। সে দেশের নাগরিকগণ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করেন এবং কাজের পরিমাণ অনুযায়ী মজুরি পান। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে উৎপাদন ও বণ্টন পরিচালিত হয়। অথচ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানার পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা বিদ্যমান।

Chittagong · 2025

দুষ্প্রাপ্যতা কী?

উত্তর

মানবজীবনে অসংখ্য অভাবের তুলনায় সম্পদের স্বল্পতাকে অর্থনীতিতে দুষ্প্রাপ্যতা বলে।
"সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় শ্রেণি বৈষম্য সৃষ্টি করে।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ধনতান্ত্রিক সমাজে ব্যক্তিগত মালিকানাকে স্বীকার করে নেওয়ায় সেখানে সকলের সম্পদের পরিমাণ সমান হয় না। ব্যক্তিগত সম্পদ ও সম্পত্তি অর্জনের ভিত্তিতে সমাজে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ইত্যাদি বিভিন্ন শ্রেণির উদ্ভব হয়। পুঁজিবাদের কারণে সৃষ্ট এ শ্রেণিবিভাজনের ফলে সমাজে বিভিন্ন বৈষম্য তৈরি হয়। যেমন- উচ্চবিত্তের সন্তানের উন্নত শিক্ষালাভের সুযোগ পায় আর হতদরিদ্ররা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়। তাই বলা যায়, সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় শ্রেণি বৈষম্য সৃষ্টি করে।
'AA^{\prime} দেশে কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

A দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা নির্দেশমূলক বা সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থা হলো এমন এক ধরনের অর্থব্যবস্থা যেখানে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকে এবং সম্পদের মালিকানা ব্যক্তির পরিবর্তে রাষ্ট্রেরও উৎপাদিত পণ্য সমাজের মানুষের কাজের পরিমাণ ও যোগ্যতা অনুযায়ী বষ্টিত হয়। অর্থনীতিবিদ Paul A. Samuelson-এর মতে, "নির্দেশমূলক অর্থনীতি হলো এমনি এক ধরনের অর্থনীতি যেখানে শ্রম ব্যতীত অন্যান্য উপকরণের মালিকানা সমাজের হাতে থাকে। এ সমাজে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পিত অর্থনীতি বিভক্ত করে। বিশুদ্ধ নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থায় উপকরণের ব্যক্তিমালিকানা নেই। একটা অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষে কোন কোন দ্রব্য ও সেবা কী পরিমাণে কোথায় এবং কীভাবে উৎপাদিত হবে তা নির্ধারণ কর। আবার দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষেত্রে সম্পদের বণ্টন এবং উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বণ্টন একই কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতিও বলা হয়।উদ্দীপকে A দেশে সকল সম্পদের মালিক রাষ্ট্র। নাগরিকগণ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করেন এবং পরিমাণ অনুযায়ী মজুরি পান। এসবই সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য বহন করে। তাই বলা যায়, এ দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'AA^{\prime} দেশে বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলন করতে হলে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে তুমি মনে কর?

উত্তর

উদ্দীপকে A দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হলো সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি হলো মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।A দেশে বাংলাদেশের মতো অনুরূপ ব্যবস্থা প্রচলন করতে হলে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। যেমন-১. A দেশের অর্থনীতিতে সম্পদের শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থব্যবস্থা প্রচলনে রাষ্ট্রীয় মালিকানার পাশাপাশি ব্যক্তিগত মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।২. বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যক্তির স্বাধীনতা নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও পছন্দের স্বাধীনতা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের মতো A দেশের অর্থনীতিতেও এরূপ মৌলিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে হবে। ৩. বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থার দরুন A দেশের অর্থব্যবস্থায় সরকারি বিনিয়োগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ প্রচলন করতে হবে।৪. A দেশে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা প্রচলন করতে হবে।৫. দ্রব্যসামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় ও উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো A দেশের ভোক্তার সার্বভৌমত্ব প্রসারিত করতে হবে।৬. বাংলাদেশের অর্থনীতির মতো A দেশের পেশা নির্বাচন ও অর্থনৈতিক উদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।৭. A দেশে শুধুমাত্র সরকার জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।কিন্তু বাংলাদেশে ব্যক্তিগত উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন কর্মসূচিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরকার জাতীয় পরিকল্পনার সাথে সমন্বয় করে।সুতরাং উপরিউক্ত বিষয়সমূহের পরিবর্তন সাধিত হলে A এদেশের অর্থনীতিতেও বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থব্যবস্থা প্রচলন করা সহজ হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব নাসির 'AA^{\prime} দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসে কর্মরত। তিনি লক্ষ করলেন, 'AA^{\prime} দেশে সকল সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রের হাতে। সে দেশের নাগরিকগণ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করেন এবং কাজের পরিমাণ অনুযায়ী মজুরি পান। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে উৎপাদন ও বণ্টন পরিচালিত হয়। অথচ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানার পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা বিদ্যমান।

Chittagong · 2025

দুষ্প্রাপ্যতা কী?

উত্তর

মানবজীবনে অসংখ্য অভাবের তুলনায় সম্পদের স্বল্পতাকে অর্থনীতিতে দুষ্প্রাপ্যতা বলে।
"সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় শ্রেণি বৈষম্য সৃষ্টি করে।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ধনতান্ত্রিক সমাজে ব্যক্তিগত মালিকানাকে স্বীকার করে নেওয়ায় সেখানে সকলের সম্পদের পরিমাণ সমান হয় না। ব্যক্তিগত সম্পদ ও সম্পত্তি অর্জনের ভিত্তিতে সমাজে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ইত্যাদি বিভিন্ন শ্রেণির উদ্ভব হয়। পুঁজিবাদের কারণে সৃষ্ট এ শ্রেণিবিভাজনের ফলে সমাজে বিভিন্ন বৈষম্য তৈরি হয়। যেমন- উচ্চবিত্তের সন্তানের উন্নত শিক্ষালাভের সুযোগ পায় আর হতদরিদ্ররা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়। তাই বলা যায়, সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় শ্রেণি বৈষম্য সৃষ্টি করে।
'AA^{\prime} দেশে কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

A দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা নির্দেশমূলক বা সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থা হলো এমন এক ধরনের অর্থব্যবস্থা যেখানে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকে এবং সম্পদের মালিকানা ব্যক্তির পরিবর্তে রাষ্ট্রেরও উৎপাদিত পণ্য সমাজের মানুষের কাজের পরিমাণ ও যোগ্যতা অনুযায়ী বষ্টিত হয়। অর্থনীতিবিদ Paul A. Samuelson-এর মতে, "নির্দেশমূলক অর্থনীতি হলো এমনি এক ধরনের অর্থনীতি যেখানে শ্রম ব্যতীত অন্যান্য উপকরণের মালিকানা সমাজের হাতে থাকে। এ সমাজে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পিত অর্থনীতি বিভক্ত করে। বিশুদ্ধ নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থায় উপকরণের ব্যক্তিমালিকানা নেই। একটা অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষে কোন কোন দ্রব্য ও সেবা কী পরিমাণে কোথায় এবং কীভাবে উৎপাদিত হবে তা নির্ধারণ কর। আবার দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষেত্রে সম্পদের বণ্টন এবং উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বণ্টন একই কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতিও বলা হয়।উদ্দীপকে A দেশে সকল সম্পদের মালিক রাষ্ট্র। নাগরিকগণ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করেন এবং পরিমাণ অনুযায়ী মজুরি পান। এসবই সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য বহন করে। তাই বলা যায়, এ দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'AA^{\prime} দেশে বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলন করতে হলে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে তুমি মনে কর?

উত্তর

উদ্দীপকে A দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হলো সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি হলো মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।A দেশে বাংলাদেশের মতো অনুরূপ ব্যবস্থা প্রচলন করতে হলে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। যেমন-১. A দেশের অর্থনীতিতে সম্পদের শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থব্যবস্থা প্রচলনে রাষ্ট্রীয় মালিকানার পাশাপাশি ব্যক্তিগত মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।২. বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যক্তির স্বাধীনতা নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও পছন্দের স্বাধীনতা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের মতো A দেশের অর্থনীতিতেও এরূপ মৌলিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে হবে। ৩. বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থার দরুন A দেশের অর্থব্যবস্থায় সরকারি বিনিয়োগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ প্রচলন করতে হবে।৪. A দেশে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা প্রচলন করতে হবে।৫. দ্রব্যসামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় ও উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো A দেশের ভোক্তার সার্বভৌমত্ব প্রসারিত করতে হবে।৬. বাংলাদেশের অর্থনীতির মতো A দেশের পেশা নির্বাচন ও অর্থনৈতিক উদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।৭. A দেশে শুধুমাত্র সরকার জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।কিন্তু বাংলাদেশে ব্যক্তিগত উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন কর্মসূচিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরকার জাতীয় পরিকল্পনার সাথে সমন্বয় করে।সুতরাং উপরিউক্ত বিষয়সমূহের পরিবর্তন সাধিত হলে A এদেশের অর্থনীতিতেও বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থব্যবস্থা প্রচলন করা সহজ হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

Chittagong · 2025

নির্বাচন কী?

উত্তর

অর্থনীতিতে নির্বাচন বলতে একাধিক অভাবের মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ অভাব বাছাই করাকে বোঝায়।
ব্যষ্টিক অর্থনীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ব্যষ্টিক অর্থনীতি'ও সামষ্টিক অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। অর্থনীতির প্রত্যেকটি বিশেষ অংশের পৃথক আলোচনা ব্যষ্টিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত। পক্ষান্তরে, অর্থনীতির সামগ্রিক ক্রিয়া সামষ্টিক তাই বলা যায়, ব্যষ্টিক অর্থনীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত। অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক।
উদ্দীপক থেকে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে হতে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন করা হলো- চিত্রে ভূমি অক্ষে X-দ্রব্য এবং লম্ব অক্ষে Y-দ্রব্য নির্দেশ করা হয়েছে। উদ্দীপকের নির্দিষ্ট সম্পদ দ্বারা D বিন্দুতে X দ্রব্য উৎপাদিত হয় 50 একক এবং Y দ্রব্য শূন্য (০) একক নির্ধারিত হয়। এখন Y দ্রব্য উৎপাদন যথাক্রমে 20, 40 ও 50 একক করতে হলে X দ্রব্য উৎপাদন কমিয়ে যথাক্রমে 40, 20 ও ০ একক করতে হবে। এদের সমন্বয় বিন্দু C, B ও A হয়। এখন A, B, C ও D বিন্দু যুক্ত করে যে রেখাটি পাওয়া যায়। উক্ত রেখাই হলো উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে অঙ্কিত উৎপাদন - সম্ভাবনা রেখা।
X দ্রব্যের উৎপাদন 40 একক অবস্থায় Y দ্রব্য 40 একক উৎপাদন সম্ভব কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত শর্তসাপেক্ষে একই সঙ্গে X দ্রব্যের 40 একক এবং Y দ্রব্যের 40 উৎপাদন করা সম্ভব নয়। নিচে আমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলো- এখন বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ( X = 40 একক, Y = 40 একক) সংমিশ্রণটি উৎপাদন করা যৌক্তিক হবে কিনা তা দেখা যাক। এ উদ্দেশ্যে উক্ত সংমিশ্রণটি চিত্রে উপস্থাপন করলে সংমিশ্রণসূচক বিন্দু E পাওয়া যায়। দেখা যায়, E বিন্দুটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখার বাইরের অঞ্চলে অবস্থান করে। E বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। কারণ সমাজের সম্পদ ও প্রযুক্তি AD রেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ। AD রেখার বাইরের কোনো বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব হবে না। তবে AD রেখার যেকোনো বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব। পরিশেষে বলা যায়, একই সঙ্গে X দ্রব্যের 40 একক এবং Y দ্রব্যের 40 একক উৎপাদন করা সম্ভব নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

Chittagong · 2025

নির্বাচন কী?

উত্তর

অর্থনীতিতে নির্বাচন বলতে একাধিক অভাবের মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ অভাব বাছাই করাকে বোঝায়।
ব্যষ্টিক অর্থনীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ব্যষ্টিক অর্থনীতি'ও সামষ্টিক অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। অর্থনীতির প্রত্যেকটি বিশেষ অংশের পৃথক আলোচনা ব্যষ্টিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত। পক্ষান্তরে, অর্থনীতির সামগ্রিক ক্রিয়া সামষ্টিক তাই বলা যায়, ব্যষ্টিক অর্থনীতি ও সামষ্টিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত। অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক।
উদ্দীপক থেকে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন কর।

উত্তর

উদ্দীপকে হতে একটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা অঙ্কন করা হলো- চিত্রে ভূমি অক্ষে X-দ্রব্য এবং লম্ব অক্ষে Y-দ্রব্য নির্দেশ করা হয়েছে। উদ্দীপকের নির্দিষ্ট সম্পদ দ্বারা D বিন্দুতে X দ্রব্য উৎপাদিত হয় 50 একক এবং Y দ্রব্য শূন্য (০) একক নির্ধারিত হয়। এখন Y দ্রব্য উৎপাদন যথাক্রমে 20, 40 ও 50 একক করতে হলে X দ্রব্য উৎপাদন কমিয়ে যথাক্রমে 40, 20 ও ০ একক করতে হবে। এদের সমন্বয় বিন্দু C, B ও A হয়। এখন A, B, C ও D বিন্দু যুক্ত করে যে রেখাটি পাওয়া যায়। উক্ত রেখাই হলো উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে অঙ্কিত উৎপাদন - সম্ভাবনা রেখা।
X দ্রব্যের উৎপাদন 40 একক অবস্থায় Y দ্রব্য 40 একক উৎপাদন সম্ভব কি? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত শর্তসাপেক্ষে একই সঙ্গে X দ্রব্যের 40 একক এবং Y দ্রব্যের 40 উৎপাদন করা সম্ভব নয়। নিচে আমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলো- এখন বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ( X = 40 একক, Y = 40 একক) সংমিশ্রণটি উৎপাদন করা যৌক্তিক হবে কিনা তা দেখা যাক। এ উদ্দেশ্যে উক্ত সংমিশ্রণটি চিত্রে উপস্থাপন করলে সংমিশ্রণসূচক বিন্দু E পাওয়া যায়। দেখা যায়, E বিন্দুটি উৎপাদন সম্ভাবনা রেখার বাইরের অঞ্চলে অবস্থান করে। E বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। কারণ সমাজের সম্পদ ও প্রযুক্তি AD রেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ। AD রেখার বাইরের কোনো বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব হবে না। তবে AD রেখার যেকোনো বিন্দুতে উৎপাদন করা সম্ভব। পরিশেষে বলা যায়, একই সঙ্গে X দ্রব্যের 40 একক এবং Y দ্রব্যের 40 একক উৎপাদন করা সম্ভব নয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব নাসির 'AA^{\prime} দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসে কর্মরত। তিনি লক্ষ করলেন, 'AA^{\prime} দেশে সকল সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রের হাতে। সে দেশের নাগরিকগণ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করেন এবং কাজের পরিমাণ অনুযায়ী মজুরি পান। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে উৎপাদন ও বণ্টন পরিচালিত হয়। অথচ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানার পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা বিদ্যমান।

Chittagong · 2025

দুষ্প্রাপ্যতা কী?

উত্তর

মানবজীবনে অসংখ্য অভাবের তুলনায় সম্পদের স্বল্পতাকে অর্থনীতিতে দুষ্প্রাপ্যতা বলে।
"সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় শ্রেণি বৈষম্য সৃষ্টি করে।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ধনতান্ত্রিক সমাজে ব্যক্তিগত মালিকানাকে স্বীকার করে নেওয়ায় সেখানে সকলের সম্পদের পরিমাণ সমান হয় না। ব্যক্তিগত সম্পদ ও সম্পত্তি অর্জনের ভিত্তিতে সমাজে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ইত্যাদি বিভিন্ন শ্রেণির উদ্ভব হয়। পুঁজিবাদের কারণে সৃষ্ট এ শ্রেণিবিভাজনের ফলে সমাজে বিভিন্ন বৈষম্য তৈরি হয়। যেমন- উচ্চবিত্তের সন্তানের উন্নত শিক্ষালাভের সুযোগ পায় আর হতদরিদ্ররা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়। তাই বলা যায়, সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় শ্রেণি বৈষম্য সৃষ্টি করে।
'AA^{\prime} দেশে কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

A দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা নির্দেশমূলক বা সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থা হলো এমন এক ধরনের অর্থব্যবস্থা যেখানে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকে এবং সম্পদের মালিকানা ব্যক্তির পরিবর্তে রাষ্ট্রেরও উৎপাদিত পণ্য সমাজের মানুষের কাজের পরিমাণ ও যোগ্যতা অনুযায়ী বষ্টিত হয়। অর্থনীতিবিদ Paul A. Samuelson-এর মতে, "নির্দেশমূলক অর্থনীতি হলো এমনি এক ধরনের অর্থনীতি যেখানে শ্রম ব্যতীত অন্যান্য উপকরণের মালিকানা সমাজের হাতে থাকে। এ সমাজে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পিত অর্থনীতি বিভক্ত করে। বিশুদ্ধ নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থায় উপকরণের ব্যক্তিমালিকানা নেই। একটা অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষে কোন কোন দ্রব্য ও সেবা কী পরিমাণে কোথায় এবং কীভাবে উৎপাদিত হবে তা নির্ধারণ কর। আবার দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষেত্রে সম্পদের বণ্টন এবং উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বণ্টন একই কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতিও বলা হয়।উদ্দীপকে A দেশে সকল সম্পদের মালিক রাষ্ট্র। নাগরিকগণ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করেন এবং পরিমাণ অনুযায়ী মজুরি পান। এসবই সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য বহন করে। তাই বলা যায়, এ দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'AA^{\prime} দেশে বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলন করতে হলে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে তুমি মনে কর?

উত্তর

উদ্দীপকে A দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হলো সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি হলো মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।A দেশে বাংলাদেশের মতো অনুরূপ ব্যবস্থা প্রচলন করতে হলে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। যেমন-১. A দেশের অর্থনীতিতে সম্পদের শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থব্যবস্থা প্রচলনে রাষ্ট্রীয় মালিকানার পাশাপাশি ব্যক্তিগত মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।২. বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যক্তির স্বাধীনতা নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও পছন্দের স্বাধীনতা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের মতো A দেশের অর্থনীতিতেও এরূপ মৌলিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে হবে। ৩. বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থার দরুন A দেশের অর্থব্যবস্থায় সরকারি বিনিয়োগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ প্রচলন করতে হবে।৪. A দেশে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা প্রচলন করতে হবে।৫. দ্রব্যসামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় ও উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো A দেশের ভোক্তার সার্বভৌমত্ব প্রসারিত করতে হবে।৬. বাংলাদেশের অর্থনীতির মতো A দেশের পেশা নির্বাচন ও অর্থনৈতিক উদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।৭. A দেশে শুধুমাত্র সরকার জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।কিন্তু বাংলাদেশে ব্যক্তিগত উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন কর্মসূচিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরকার জাতীয় পরিকল্পনার সাথে সমন্বয় করে।সুতরাং উপরিউক্ত বিষয়সমূহের পরিবর্তন সাধিত হলে A এদেশের অর্থনীতিতেও বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থব্যবস্থা প্রচলন করা সহজ হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCEconomics 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

জনাব নাসির 'AA^{\prime} দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসে কর্মরত। তিনি লক্ষ করলেন, 'AA^{\prime} দেশে সকল সম্পদের মালিকানা রাষ্ট্রের হাতে। সে দেশের নাগরিকগণ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করেন এবং কাজের পরিমাণ অনুযায়ী মজুরি পান। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে উৎপাদন ও বণ্টন পরিচালিত হয়। অথচ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানার পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানা বিদ্যমান।

Chittagong · 2025

দুষ্প্রাপ্যতা কী?

উত্তর

মানবজীবনে অসংখ্য অভাবের তুলনায় সম্পদের স্বল্পতাকে অর্থনীতিতে দুষ্প্রাপ্যতা বলে।
"সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় শ্রেণি বৈষম্য সৃষ্টি করে।"- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ধনতান্ত্রিক সমাজে ব্যক্তিগত মালিকানাকে স্বীকার করে নেওয়ায় সেখানে সকলের সম্পদের পরিমাণ সমান হয় না। ব্যক্তিগত সম্পদ ও সম্পত্তি অর্জনের ভিত্তিতে সমাজে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ইত্যাদি বিভিন্ন শ্রেণির উদ্ভব হয়। পুঁজিবাদের কারণে সৃষ্ট এ শ্রেণিবিভাজনের ফলে সমাজে বিভিন্ন বৈষম্য তৈরি হয়। যেমন- উচ্চবিত্তের সন্তানের উন্নত শিক্ষালাভের সুযোগ পায় আর হতদরিদ্ররা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়। তাই বলা যায়, সম্পদের ব্যক্তিমালিকানা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় শ্রেণি বৈষম্য সৃষ্টি করে।
'AA^{\prime} দেশে কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

A দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা নির্দেশমূলক বা সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থা হলো এমন এক ধরনের অর্থব্যবস্থা যেখানে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকে এবং সম্পদের মালিকানা ব্যক্তির পরিবর্তে রাষ্ট্রেরও উৎপাদিত পণ্য সমাজের মানুষের কাজের পরিমাণ ও যোগ্যতা অনুযায়ী বষ্টিত হয়। অর্থনীতিবিদ Paul A. Samuelson-এর মতে, "নির্দেশমূলক অর্থনীতি হলো এমনি এক ধরনের অর্থনীতি যেখানে শ্রম ব্যতীত অন্যান্য উপকরণের মালিকানা সমাজের হাতে থাকে। এ সমাজে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পিত অর্থনীতি বিভক্ত করে। বিশুদ্ধ নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থায় উপকরণের ব্যক্তিমালিকানা নেই। একটা অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষে কোন কোন দ্রব্য ও সেবা কী পরিমাণে কোথায় এবং কীভাবে উৎপাদিত হবে তা নির্ধারণ কর। আবার দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের ক্ষেত্রে সম্পদের বণ্টন এবং উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বণ্টন একই কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতিও বলা হয়।উদ্দীপকে A দেশে সকল সম্পদের মালিক রাষ্ট্র। নাগরিকগণ যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করেন এবং পরিমাণ অনুযায়ী মজুরি পান। এসবই সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য বহন করে। তাই বলা যায়, এ দেশে প্রচলিত অর্থব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
'AA^{\prime} দেশে বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলন করতে হলে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে তুমি মনে কর?

উত্তর

উদ্দীপকে A দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হলো সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি হলো মিশ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা।A দেশে বাংলাদেশের মতো অনুরূপ ব্যবস্থা প্রচলন করতে হলে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। যেমন-১. A দেশের অর্থনীতিতে সম্পদের শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থব্যবস্থা প্রচলনে রাষ্ট্রীয় মালিকানার পাশাপাশি ব্যক্তিগত মালিকানা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।২. বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্যক্তির স্বাধীনতা নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও পছন্দের স্বাধীনতা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের মতো A দেশের অর্থনীতিতেও এরূপ মৌলিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করতে হবে। ৩. বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থার দরুন A দেশের অর্থব্যবস্থায় সরকারি বিনিয়োগের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ প্রচলন করতে হবে।৪. A দেশে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় দাম ব্যবস্থা প্রচলন করতে হবে।৫. দ্রব্যসামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় ও উৎপাদন ও ভোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো A দেশের ভোক্তার সার্বভৌমত্ব প্রসারিত করতে হবে।৬. বাংলাদেশের অর্থনীতির মতো A দেশের পেশা নির্বাচন ও অর্থনৈতিক উদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।৭. A দেশে শুধুমাত্র সরকার জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।কিন্তু বাংলাদেশে ব্যক্তিগত উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন কর্মসূচিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরকার জাতীয় পরিকল্পনার সাথে সমন্বয় করে।সুতরাং উপরিউক্ত বিষয়সমূহের পরিবর্তন সাধিত হলে A এদেশের অর্থনীতিতেও বাংলাদেশের অনুরূপ অর্থব্যবস্থা প্রচলন করা সহজ হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো