Barisal বোর্ড 2025 Bangla 1st Paper

Barisal শিক্ষা বোর্ড 2025 সালের HSC Bangla 1st Paper বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

12

প্রশ্ন

Barisal

বোর্ড

2025

সাল

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম (আইনশাস্ত্রে) পাশ করেছে। ইতোমধ্যে তার বয়স ছাব্বিশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। সে সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় অনেক পরীক্ষা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, ডাক্তার পাত্র অজয়ের সাথে বিশ লক্ষ টাকা পণ ধার্য করে তার বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের দিন রুনার বাবা পণের জন্য পনেরো লক্ষ টাকা জোগাড় করতে সক্ষম হন। কিন্তু বাকি পাঁচ লক্ষ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বিয়ের কাজ সম্পন্ন হবে না বলে জানিয়ে দেন ডাক্তার অজয়ের বাবা। বিষয়টি রুনার ব্যক্তিত্বে আঘাত করে। সে ব্যথিত হয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়। স্বাবলম্বী না হয়ে বিয়ে করবে না বলে সে তার বাবা ইন্দ্র বাবুকে জানিয়ে দেয়। বিয়ে ভাঙার ছয় মাস পর রুনা বিচারকের চাকরি পায়।

Barisal · 2025

অনুপমের বাবার পেশা কী ছিল?

উত্তর

অনুপমের বাবার পেশা ছিল ওকালতি।
"একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ।"-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা সমাজে বিয়ের বাজারে যোগ্য পাত্রের কদর এবং পণের টাকার পরিমাণকে নির্দেশ করা হয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পে যোগ্য পাত্রের জন্য কনের অভিভাবকদের অবস্থা নির্দেশিত হয়েছে। সেকালে শিক্ষিত পাত্রের অতিমাত্রায় কদর থাকায় পণের টাকার পরিমাণও বেশি ছিল। আর যোগ্য পাত্রের জন্য কনের পিতা সেই ধনুক-ভাঙা পণ দিতেও কুণ্ঠাবোধ করতেন না। কল্যাণীর পিতা শম্ভুনাথ সেন মেয়েকে যেন-তেন পাত্রের হাতে তুলে দিয়ে দায় সারতে চাননি। তিনি ধৈর্য ধারণ করে উপযুক্ত পাত্রের জন্য অপেক্ষায় থেকেছেন। এর ফলে দিন দিন মেয়ের বয়স বেড়েই গিয়েছে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মাধ্যমে উপযুক্ত পাত্রের অত্যধিক কদর ও অত্যধিক পণের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাথে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য দেখাও।

উত্তর

অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সঙ্গে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য উভয়ই রয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পের নায়িকা কল্যাণী একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী। অপমানজনক যৌতুকপ্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সে নারী শিক্ষার ব্রত গ্রহণ করেছে। একপর্যায়ে জীবনে আর বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয় সে। উদ্দীপকের রুনার মাঝেও ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন মানসিকতার পরিচয় ঘটেছে। অপমানজনক যৌতুকের শর্তে বিয়েকে সে অস্বীকার করেছে। নিজেকে স্বাবলম্বী করার ব্রত গ্রহণের মাধ্যমে সে ব্যক্তিত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীও বাবার ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে এবং নিজেকে নারীর উন্নয়নের কান্ডারিরূপে তৈরি করেছে। এ দিক থেকে গল্পের কল্যাণীর সঙ্গে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য রয়েছে। তবে উদ্দীপকের স্বাবলম্বী হয়ে বিয়ে করার কথা বললেও, আলোচ্য গল্পের কল্যাণী বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে - একেবারেই সরে দাঁড়ায়। এদিক থেকে কল্যাণীর সঙ্গে রুনার বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
"অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক"- মন্তব্যটির যথার্থতা নির্ণয় কর।

উত্তর

সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিক থেকে ""অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক।"-মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী উনিশ শতকের সংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের এক নারী চরিত্র। বিবাহ সভায় বরপক্ষের যৌতুক সম্পর্কীয় দাবি-. দাওয়ার প্রতিবাদে তার বাবা বিয়ে ভেঙে দেন। বাবার সিদ্ধান্তকে সেও সাদরে গ্রহণ করে। উদ্দীপকের রুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণকারী একজন আধুনিক নারী। ডাক্তার পাত্রের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক হলে বরপক্ষ বিশ লক্ষ টাকার যৌতুক দাবি করে। পনেরো লক্ষ টাকা জোগাড় হলেও তাতে বরপক্ষ টালবাহানা শুরু করে। এতে ব্যথিত হয়ে রুনা বিয়ে ভেঙে দেয় এবং নিজে স্বাবলম্বী না হয়ে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ছয় মাসের মধ্যেই সে বিচারক হিসেবে চাকরি পায়। অন্যদিকে 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণী আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তিত্বময়ী নারী হলেও উদ্দীপকের রুনার মতো বলিষ্ঠ ও সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারেনি। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী নিজে বিয়ে ভাঙার দুঃসাহসিকতা দেখায়নি। বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তার বাবার। বিয়ে ভাঙার পরে নিজেকে আত্মউন্নয়ন তথা স্বাবলম্বী হওয়ার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং সে বিয়ে না করার প্রতিজ্ঞা করে, যা মোটেই আধুনিক মনোভাবের পরিচয় নয়। পক্ষান্তরে উদ্দীপকের রুনা বরপক্ষের অন্যায় আবদারের বিরুদ্ধে নিজে সোচ্চার হয়েছে, নিজেই বিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ছয় মাসের মধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাই বলা যায়, 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম (আইনশাস্ত্রে) পাশ করেছে। ইতোমধ্যে তার বয়স ছাব্বিশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। সে সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় অনেক পরীক্ষা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, ডাক্তার পাত্র অজয়ের সাথে বিশ লক্ষ টাকা পণ ধার্য করে তার বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের দিন রুনার বাবা পণের জন্য পনেরো লক্ষ টাকা জোগাড় করতে সক্ষম হন। কিন্তু বাকি পাঁচ লক্ষ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বিয়ের কাজ সম্পন্ন হবে না বলে জানিয়ে দেন ডাক্তার অজয়ের বাবা। বিষয়টি রুনার ব্যক্তিত্বে আঘাত করে। সে ব্যথিত হয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়। স্বাবলম্বী না হয়ে বিয়ে করবে না বলে সে তার বাবা ইন্দ্র বাবুকে জানিয়ে দেয়। বিয়ে ভাঙার ছয় মাস পর রুনা বিচারকের চাকরি পায়।

Barisal · 2025

অনুপমের বাবার পেশা কী ছিল?

উত্তর

অনুপমের বাবার পেশা ছিল ওকালতি।
"একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ।"-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা সমাজে বিয়ের বাজারে যোগ্য পাত্রের কদর এবং পণের টাকার পরিমাণকে নির্দেশ করা হয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পে যোগ্য পাত্রের জন্য কনের অভিভাবকদের অবস্থা নির্দেশিত হয়েছে। সেকালে শিক্ষিত পাত্রের অতিমাত্রায় কদর থাকায় পণের টাকার পরিমাণও বেশি ছিল। আর যোগ্য পাত্রের জন্য কনের পিতা সেই ধনুক-ভাঙা পণ দিতেও কুণ্ঠাবোধ করতেন না। কল্যাণীর পিতা শম্ভুনাথ সেন মেয়েকে যেন-তেন পাত্রের হাতে তুলে দিয়ে দায় সারতে চাননি। তিনি ধৈর্য ধারণ করে উপযুক্ত পাত্রের জন্য অপেক্ষায় থেকেছেন। এর ফলে দিন দিন মেয়ের বয়স বেড়েই গিয়েছে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মাধ্যমে উপযুক্ত পাত্রের অত্যধিক কদর ও অত্যধিক পণের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাথে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য দেখাও।

উত্তর

অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সঙ্গে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য উভয়ই রয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পের নায়িকা কল্যাণী একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী। অপমানজনক যৌতুকপ্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সে নারী শিক্ষার ব্রত গ্রহণ করেছে। একপর্যায়ে জীবনে আর বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয় সে। উদ্দীপকের রুনার মাঝেও ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন মানসিকতার পরিচয় ঘটেছে। অপমানজনক যৌতুকের শর্তে বিয়েকে সে অস্বীকার করেছে। নিজেকে স্বাবলম্বী করার ব্রত গ্রহণের মাধ্যমে সে ব্যক্তিত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীও বাবার ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে এবং নিজেকে নারীর উন্নয়নের কান্ডারিরূপে তৈরি করেছে। এ দিক থেকে গল্পের কল্যাণীর সঙ্গে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য রয়েছে। তবে উদ্দীপকের স্বাবলম্বী হয়ে বিয়ে করার কথা বললেও, আলোচ্য গল্পের কল্যাণী বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে - একেবারেই সরে দাঁড়ায়। এদিক থেকে কল্যাণীর সঙ্গে রুনার বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
"অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক"- মন্তব্যটির যথার্থতা নির্ণয় কর।

উত্তর

সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিক থেকে ""অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক।"-মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী উনিশ শতকের সংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের এক নারী চরিত্র। বিবাহ সভায় বরপক্ষের যৌতুক সম্পর্কীয় দাবি-. দাওয়ার প্রতিবাদে তার বাবা বিয়ে ভেঙে দেন। বাবার সিদ্ধান্তকে সেও সাদরে গ্রহণ করে। উদ্দীপকের রুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণকারী একজন আধুনিক নারী। ডাক্তার পাত্রের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক হলে বরপক্ষ বিশ লক্ষ টাকার যৌতুক দাবি করে। পনেরো লক্ষ টাকা জোগাড় হলেও তাতে বরপক্ষ টালবাহানা শুরু করে। এতে ব্যথিত হয়ে রুনা বিয়ে ভেঙে দেয় এবং নিজে স্বাবলম্বী না হয়ে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ছয় মাসের মধ্যেই সে বিচারক হিসেবে চাকরি পায়। অন্যদিকে 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণী আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তিত্বময়ী নারী হলেও উদ্দীপকের রুনার মতো বলিষ্ঠ ও সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারেনি। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী নিজে বিয়ে ভাঙার দুঃসাহসিকতা দেখায়নি। বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তার বাবার। বিয়ে ভাঙার পরে নিজেকে আত্মউন্নয়ন তথা স্বাবলম্বী হওয়ার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং সে বিয়ে না করার প্রতিজ্ঞা করে, যা মোটেই আধুনিক মনোভাবের পরিচয় নয়। পক্ষান্তরে উদ্দীপকের রুনা বরপক্ষের অন্যায় আবদারের বিরুদ্ধে নিজে সোচ্চার হয়েছে, নিজেই বিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ছয় মাসের মধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাই বলা যায়, 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম (আইনশাস্ত্রে) পাশ করেছে। ইতোমধ্যে তার বয়স ছাব্বিশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। সে সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় অনেক পরীক্ষা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, ডাক্তার পাত্র অজয়ের সাথে বিশ লক্ষ টাকা পণ ধার্য করে তার বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের দিন রুনার বাবা পণের জন্য পনেরো লক্ষ টাকা জোগাড় করতে সক্ষম হন। কিন্তু বাকি পাঁচ লক্ষ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বিয়ের কাজ সম্পন্ন হবে না বলে জানিয়ে দেন ডাক্তার অজয়ের বাবা। বিষয়টি রুনার ব্যক্তিত্বে আঘাত করে। সে ব্যথিত হয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়। স্বাবলম্বী না হয়ে বিয়ে করবে না বলে সে তার বাবা ইন্দ্র বাবুকে জানিয়ে দেয়। বিয়ে ভাঙার ছয় মাস পর রুনা বিচারকের চাকরি পায়।

Barisal · 2025

অনুপমের বাবার পেশা কী ছিল?

উত্তর

অনুপমের বাবার পেশা ছিল ওকালতি।
"একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ।"-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা সমাজে বিয়ের বাজারে যোগ্য পাত্রের কদর এবং পণের টাকার পরিমাণকে নির্দেশ করা হয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পে যোগ্য পাত্রের জন্য কনের অভিভাবকদের অবস্থা নির্দেশিত হয়েছে। সেকালে শিক্ষিত পাত্রের অতিমাত্রায় কদর থাকায় পণের টাকার পরিমাণও বেশি ছিল। আর যোগ্য পাত্রের জন্য কনের পিতা সেই ধনুক-ভাঙা পণ দিতেও কুণ্ঠাবোধ করতেন না। কল্যাণীর পিতা শম্ভুনাথ সেন মেয়েকে যেন-তেন পাত্রের হাতে তুলে দিয়ে দায় সারতে চাননি। তিনি ধৈর্য ধারণ করে উপযুক্ত পাত্রের জন্য অপেক্ষায় থেকেছেন। এর ফলে দিন দিন মেয়ের বয়স বেড়েই গিয়েছে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মাধ্যমে উপযুক্ত পাত্রের অত্যধিক কদর ও অত্যধিক পণের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাথে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য দেখাও।

উত্তর

অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সঙ্গে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য উভয়ই রয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পের নায়িকা কল্যাণী একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী। অপমানজনক যৌতুকপ্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সে নারী শিক্ষার ব্রত গ্রহণ করেছে। একপর্যায়ে জীবনে আর বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয় সে। উদ্দীপকের রুনার মাঝেও ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন মানসিকতার পরিচয় ঘটেছে। অপমানজনক যৌতুকের শর্তে বিয়েকে সে অস্বীকার করেছে। নিজেকে স্বাবলম্বী করার ব্রত গ্রহণের মাধ্যমে সে ব্যক্তিত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীও বাবার ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে এবং নিজেকে নারীর উন্নয়নের কান্ডারিরূপে তৈরি করেছে। এ দিক থেকে গল্পের কল্যাণীর সঙ্গে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য রয়েছে। তবে উদ্দীপকের স্বাবলম্বী হয়ে বিয়ে করার কথা বললেও, আলোচ্য গল্পের কল্যাণী বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে - একেবারেই সরে দাঁড়ায়। এদিক থেকে কল্যাণীর সঙ্গে রুনার বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
"অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক"- মন্তব্যটির যথার্থতা নির্ণয় কর।

উত্তর

সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিক থেকে ""অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক।"-মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী উনিশ শতকের সংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের এক নারী চরিত্র। বিবাহ সভায় বরপক্ষের যৌতুক সম্পর্কীয় দাবি-. দাওয়ার প্রতিবাদে তার বাবা বিয়ে ভেঙে দেন। বাবার সিদ্ধান্তকে সেও সাদরে গ্রহণ করে। উদ্দীপকের রুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণকারী একজন আধুনিক নারী। ডাক্তার পাত্রের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক হলে বরপক্ষ বিশ লক্ষ টাকার যৌতুক দাবি করে। পনেরো লক্ষ টাকা জোগাড় হলেও তাতে বরপক্ষ টালবাহানা শুরু করে। এতে ব্যথিত হয়ে রুনা বিয়ে ভেঙে দেয় এবং নিজে স্বাবলম্বী না হয়ে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ছয় মাসের মধ্যেই সে বিচারক হিসেবে চাকরি পায়। অন্যদিকে 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণী আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তিত্বময়ী নারী হলেও উদ্দীপকের রুনার মতো বলিষ্ঠ ও সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারেনি। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী নিজে বিয়ে ভাঙার দুঃসাহসিকতা দেখায়নি। বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তার বাবার। বিয়ে ভাঙার পরে নিজেকে আত্মউন্নয়ন তথা স্বাবলম্বী হওয়ার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং সে বিয়ে না করার প্রতিজ্ঞা করে, যা মোটেই আধুনিক মনোভাবের পরিচয় নয়। পক্ষান্তরে উদ্দীপকের রুনা বরপক্ষের অন্যায় আবদারের বিরুদ্ধে নিজে সোচ্চার হয়েছে, নিজেই বিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ছয় মাসের মধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাই বলা যায়, 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম (আইনশাস্ত্রে) পাশ করেছে। ইতোমধ্যে তার বয়স ছাব্বিশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। সে সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় অনেক পরীক্ষা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, ডাক্তার পাত্র অজয়ের সাথে বিশ লক্ষ টাকা পণ ধার্য করে তার বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের দিন রুনার বাবা পণের জন্য পনেরো লক্ষ টাকা জোগাড় করতে সক্ষম হন। কিন্তু বাকি পাঁচ লক্ষ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বিয়ের কাজ সম্পন্ন হবে না বলে জানিয়ে দেন ডাক্তার অজয়ের বাবা। বিষয়টি রুনার ব্যক্তিত্বে আঘাত করে। সে ব্যথিত হয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়। স্বাবলম্বী না হয়ে বিয়ে করবে না বলে সে তার বাবা ইন্দ্র বাবুকে জানিয়ে দেয়। বিয়ে ভাঙার ছয় মাস পর রুনা বিচারকের চাকরি পায়।

Barisal · 2025

অনুপমের বাবার পেশা কী ছিল?

উত্তর

অনুপমের বাবার পেশা ছিল ওকালতি।
"একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ।"-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা সমাজে বিয়ের বাজারে যোগ্য পাত্রের কদর এবং পণের টাকার পরিমাণকে নির্দেশ করা হয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পে যোগ্য পাত্রের জন্য কনের অভিভাবকদের অবস্থা নির্দেশিত হয়েছে। সেকালে শিক্ষিত পাত্রের অতিমাত্রায় কদর থাকায় পণের টাকার পরিমাণও বেশি ছিল। আর যোগ্য পাত্রের জন্য কনের পিতা সেই ধনুক-ভাঙা পণ দিতেও কুণ্ঠাবোধ করতেন না। কল্যাণীর পিতা শম্ভুনাথ সেন মেয়েকে যেন-তেন পাত্রের হাতে তুলে দিয়ে দায় সারতে চাননি। তিনি ধৈর্য ধারণ করে উপযুক্ত পাত্রের জন্য অপেক্ষায় থেকেছেন। এর ফলে দিন দিন মেয়ের বয়স বেড়েই গিয়েছে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মাধ্যমে উপযুক্ত পাত্রের অত্যধিক কদর ও অত্যধিক পণের বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।
'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সাথে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য দেখাও।

উত্তর

অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর সঙ্গে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য উভয়ই রয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পের নায়িকা কল্যাণী একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী। অপমানজনক যৌতুকপ্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সে নারী শিক্ষার ব্রত গ্রহণ করেছে। একপর্যায়ে জীবনে আর বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয় সে। উদ্দীপকের রুনার মাঝেও ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন মানসিকতার পরিচয় ঘটেছে। অপমানজনক যৌতুকের শর্তে বিয়েকে সে অস্বীকার করেছে। নিজেকে স্বাবলম্বী করার ব্রত গ্রহণের মাধ্যমে সে ব্যক্তিত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীও বাবার ব্যক্তিত্ববোধসম্পন্ন সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে এবং নিজেকে নারীর উন্নয়নের কান্ডারিরূপে তৈরি করেছে। এ দিক থেকে গল্পের কল্যাণীর সঙ্গে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য রয়েছে। তবে উদ্দীপকের স্বাবলম্বী হয়ে বিয়ে করার কথা বললেও, আলোচ্য গল্পের কল্যাণী বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে - একেবারেই সরে দাঁড়ায়। এদিক থেকে কল্যাণীর সঙ্গে রুনার বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।
"অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক"- মন্তব্যটির যথার্থতা নির্ণয় কর।

উত্তর

সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিক থেকে ""অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক।"-মন্তব্যটি যথার্থ। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী উনিশ শতকের সংস্কারাচ্ছন্ন সমাজের এক নারী চরিত্র। বিবাহ সভায় বরপক্ষের যৌতুক সম্পর্কীয় দাবি-. দাওয়ার প্রতিবাদে তার বাবা বিয়ে ভেঙে দেন। বাবার সিদ্ধান্তকে সেও সাদরে গ্রহণ করে। উদ্দীপকের রুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণকারী একজন আধুনিক নারী। ডাক্তার পাত্রের সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক হলে বরপক্ষ বিশ লক্ষ টাকার যৌতুক দাবি করে। পনেরো লক্ষ টাকা জোগাড় হলেও তাতে বরপক্ষ টালবাহানা শুরু করে। এতে ব্যথিত হয়ে রুনা বিয়ে ভেঙে দেয় এবং নিজে স্বাবলম্বী না হয়ে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ছয় মাসের মধ্যেই সে বিচারক হিসেবে চাকরি পায়। অন্যদিকে 'অপরিচিতা' গল্পে কল্যাণী আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তিত্বময়ী নারী হলেও উদ্দীপকের রুনার মতো বলিষ্ঠ ও সাহসী পদক্ষেপ নিতে পারেনি। 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণী নিজে বিয়ে ভাঙার দুঃসাহসিকতা দেখায়নি। বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তার বাবার। বিয়ে ভাঙার পরে নিজেকে আত্মউন্নয়ন তথা স্বাবলম্বী হওয়ার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং সে বিয়ে না করার প্রতিজ্ঞা করে, যা মোটেই আধুনিক মনোভাবের পরিচয় নয়। পক্ষান্তরে উদ্দীপকের রুনা বরপক্ষের অন্যায় আবদারের বিরুদ্ধে নিজে সোচ্চার হয়েছে, নিজেই বিয়ে ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ছয় মাসের মধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাই বলা যায়, 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের রুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্রহ্মপূত্র নদের বুকে একটি চর জেগেছে। সেই চরে আশেপাশের ভূমিহীন অনেক কৃষক বসতি স্থাপন করে। পাশাপাশি তারা ধান, শাকসবজি ইত্যাদি চাষাবাদে মনোযোগ দেয়। ধান ও শাকসবজির ব্যাপক উৎপাদন দেখে স্থানীয় ভূমিখেকো জহিরুলের মধ্যে অসীম লোভের সঞ্চার হয়। এক সময় সে ভূমিহীন কৃষকদের তাড়িয়ে দিয়ে চরটিকে দখল করে নেয়। এখন কৃষকদের পাশে দাঁড়ায় যুবক সাইফুল কবির। তিনি সবাইকে তার সাথে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলেন। এ বিষয়ে তারাও একমত পোষণ করলেন। তারা বললেন, 'আমাদের সাহস আছে। চলুন, আমরা চর উদ্ধার করব।' অবশেষে সকলে মিলে চর উদ্ধার করল।

Barisal · 2025

'রাজবন্দির জবানবন্দি' কোন জাতীয় রচনা?

উত্তর

প্রবন্ধ
কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার সত্য' বলতে কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'আমার সত্য' বলতে নিজের ভেতরের আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং সত্যনিষ্ঠাকে বুঝিয়েছেন। তাঁর মতে, নিজের আত্মাকে চিনতে পারা, নিজের বিবেক ও নীতিকে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করা এবং কোনো ভয় বা মিথ্যা বিনয়ের কাছে মাথা নত না করাই হলো 'আমার সত্য'। এই আত্ম-উপলব্ধি মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলে এবং তাকে নির্ভীকভাবে সঠিক পথে পরিচালিত করে।
উদ্দীপকের ভূমিহীন কৃষকদের 'সাথে "আমার পথ' প্রবন্ধের বৈসাদৃশ্য দেখাও।

উত্তর

কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার পথ' প্রবন্ধটি মূলত আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং সত্যনিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করে। এটি ব্যক্তির ভেতরের মিথ্যা, ভয় ও পরনির্ভরশীলতা দূর করে আত্মিক মুক্তি ও স্বাবলম্বন অর্জনের একটি দার্শনিক ও আদর্শিক আহ্বান। প্রবন্ধটি আত্মাকে চেনা এবং নিজের সত্যকে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করার কথা বলে, যা মূলত একটি মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ। অন্যদিকে, উদ্দীপকের ভূমিহীন কৃষকদের সংগ্রামটি প্রধানত বাহ্যিক ও আর্থ-সামাজিক। তারা ভূমিখেকো জহিরুলের দ্বারা বাস্তুচ্যুত হয়ে তাদের হারানো জমি পুনরুদ্ধারের জন্য সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের এই সংগ্রাম একটি সুনির্দিষ্ট সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে শারীরিক ও সম্মিলিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের বাস্তব উদাহরণ। সুতরাং, 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল প্রতিপাদ্য যেখানে আত্মিক ও আদর্শিক মুক্তি এবং আত্মনির্ভরশীলতার উপর জোর দেয়, সেখানে উদ্দীপকের কৃষকদের সংগ্রামটি একটি বাস্তব সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সম্মিলিত বাহ্যিক প্রতিরোধের চিত্র তুলে ধরে। প্রবন্ধটি যেখানে আত্ম-অনুসন্ধান ও অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের কথা বলে, কৃষকদের ঘটনা সেখানে বাহ্যিক প্রতিকূলতা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধতার গুরুত্বকে প্রকাশ করে। এটিই প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের মধ্যে প্রধান বৈসাদৃশ্য।
"আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে"- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিচার কর।

উত্তর

“আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে” – উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার পথ' প্রবন্ধের একটি মূল প্রতিপাদ্য বিষয় এবং উদ্দীপকের ঘটনার সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস ও সত্যনিষ্ঠার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নিজেকে চিনতে পারলে, নিজের ভেতরের সত্যকে উপলব্ধি করতে পারলে মানুষের মনে আপনা-আপনি এক বিশাল শক্তি ও সাহস আসে। এই আত্ম-উপলব্ধি মানুষকে পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলে। লেখক পরাধীনতার মূল কারণ হিসেবে আত্মবিশ্বাসের অভাব ও পরাবলম্বনকে চিহ্নিত করেছেন এবং আত্মাকে চেনার মাধ্যমেই প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে বলে বিশ্বাস করেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, ভূমিহীন কৃষকরা প্রথমে ভূমিখেকো জহিরুলের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। কিন্তু যুবক সাইফুল কবিরের আহ্বানে তারা সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের এই সিদ্ধান্ত, “আমাদের সাহস আছে। চলুন, আমরা চর উদ্ধার করব” – উক্তিটি তাদের আত্মাকে চেনা এবং নিজেদের সম্মিলিত শক্তির উপর বিশ্বাস স্থাপনেরই প্রমাণ। তারা অন্যের উপর নির্ভর না করে নিজেদের সাহস ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে চর পুনরুদ্ধার করে, যা তাদের আত্মনির্ভরশীলতারই বহিঃপ্রকাশ। সুতরাং, উদ্দীপকের কৃষকদের নিজেদের শক্তি ও সাহসকে উপলব্ধি করে সম্মিলিতভাবে অধিকার আদায়ের ঘটনা এবং 'আমার পথ' প্রবন্ধের আত্মাকে চেনা ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান – উভয়ই একই সত্যকে তুলে ধরে। আত্মাকে চিনলে যে আত্মনির্ভরতা আসে এবং এর মাধ্যমেই যে যেকোনো প্রতিকূলতা জয় করা সম্ভব, এই মন্তব্যটি উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে যথার্থভাবে প্রমাণিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্রহ্মপূত্র নদের বুকে একটি চর জেগেছে। সেই চরে আশেপাশের ভূমিহীন অনেক কৃষক বসতি স্থাপন করে। পাশাপাশি তারা ধান, শাকসবজি ইত্যাদি চাষাবাদে মনোযোগ দেয়। ধান ও শাকসবজির ব্যাপক উৎপাদন দেখে স্থানীয় ভূমিখেকো জহিরুলের মধ্যে অসীম লোভের সঞ্চার হয়। এক সময় সে ভূমিহীন কৃষকদের তাড়িয়ে দিয়ে চরটিকে দখল করে নেয়। এখন কৃষকদের পাশে দাঁড়ায় যুবক সাইফুল কবির। তিনি সবাইকে তার সাথে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলেন। এ বিষয়ে তারাও একমত পোষণ করলেন। তারা বললেন, 'আমাদের সাহস আছে। চলুন, আমরা চর উদ্ধার করব।' অবশেষে সকলে মিলে চর উদ্ধার করল।

Barisal · 2025

'রাজবন্দির জবানবন্দি' কোন জাতীয় রচনা?

উত্তর

প্রবন্ধ
কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার সত্য' বলতে কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'আমার সত্য' বলতে নিজের ভেতরের আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং সত্যনিষ্ঠাকে বুঝিয়েছেন। তাঁর মতে, নিজের আত্মাকে চিনতে পারা, নিজের বিবেক ও নীতিকে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করা এবং কোনো ভয় বা মিথ্যা বিনয়ের কাছে মাথা নত না করাই হলো 'আমার সত্য'। এই আত্ম-উপলব্ধি মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলে এবং তাকে নির্ভীকভাবে সঠিক পথে পরিচালিত করে।
উদ্দীপকের ভূমিহীন কৃষকদের 'সাথে "আমার পথ' প্রবন্ধের বৈসাদৃশ্য দেখাও।

উত্তর

কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার পথ' প্রবন্ধটি মূলত আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং সত্যনিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করে। এটি ব্যক্তির ভেতরের মিথ্যা, ভয় ও পরনির্ভরশীলতা দূর করে আত্মিক মুক্তি ও স্বাবলম্বন অর্জনের একটি দার্শনিক ও আদর্শিক আহ্বান। প্রবন্ধটি আত্মাকে চেনা এবং নিজের সত্যকে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করার কথা বলে, যা মূলত একটি মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ। অন্যদিকে, উদ্দীপকের ভূমিহীন কৃষকদের সংগ্রামটি প্রধানত বাহ্যিক ও আর্থ-সামাজিক। তারা ভূমিখেকো জহিরুলের দ্বারা বাস্তুচ্যুত হয়ে তাদের হারানো জমি পুনরুদ্ধারের জন্য সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের এই সংগ্রাম একটি সুনির্দিষ্ট সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে শারীরিক ও সম্মিলিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের বাস্তব উদাহরণ। সুতরাং, 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল প্রতিপাদ্য যেখানে আত্মিক ও আদর্শিক মুক্তি এবং আত্মনির্ভরশীলতার উপর জোর দেয়, সেখানে উদ্দীপকের কৃষকদের সংগ্রামটি একটি বাস্তব সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সম্মিলিত বাহ্যিক প্রতিরোধের চিত্র তুলে ধরে। প্রবন্ধটি যেখানে আত্ম-অনুসন্ধান ও অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের কথা বলে, কৃষকদের ঘটনা সেখানে বাহ্যিক প্রতিকূলতা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধতার গুরুত্বকে প্রকাশ করে। এটিই প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের মধ্যে প্রধান বৈসাদৃশ্য।
"আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে"- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিচার কর।

উত্তর

“আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে” – উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার পথ' প্রবন্ধের একটি মূল প্রতিপাদ্য বিষয় এবং উদ্দীপকের ঘটনার সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস ও সত্যনিষ্ঠার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নিজেকে চিনতে পারলে, নিজের ভেতরের সত্যকে উপলব্ধি করতে পারলে মানুষের মনে আপনা-আপনি এক বিশাল শক্তি ও সাহস আসে। এই আত্ম-উপলব্ধি মানুষকে পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলে। লেখক পরাধীনতার মূল কারণ হিসেবে আত্মবিশ্বাসের অভাব ও পরাবলম্বনকে চিহ্নিত করেছেন এবং আত্মাকে চেনার মাধ্যমেই প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে বলে বিশ্বাস করেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, ভূমিহীন কৃষকরা প্রথমে ভূমিখেকো জহিরুলের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। কিন্তু যুবক সাইফুল কবিরের আহ্বানে তারা সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের এই সিদ্ধান্ত, “আমাদের সাহস আছে। চলুন, আমরা চর উদ্ধার করব” – উক্তিটি তাদের আত্মাকে চেনা এবং নিজেদের সম্মিলিত শক্তির উপর বিশ্বাস স্থাপনেরই প্রমাণ। তারা অন্যের উপর নির্ভর না করে নিজেদের সাহস ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে চর পুনরুদ্ধার করে, যা তাদের আত্মনির্ভরশীলতারই বহিঃপ্রকাশ। সুতরাং, উদ্দীপকের কৃষকদের নিজেদের শক্তি ও সাহসকে উপলব্ধি করে সম্মিলিতভাবে অধিকার আদায়ের ঘটনা এবং 'আমার পথ' প্রবন্ধের আত্মাকে চেনা ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান – উভয়ই একই সত্যকে তুলে ধরে। আত্মাকে চিনলে যে আত্মনির্ভরতা আসে এবং এর মাধ্যমেই যে যেকোনো প্রতিকূলতা জয় করা সম্ভব, এই মন্তব্যটি উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে যথার্থভাবে প্রমাণিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্রহ্মপূত্র নদের বুকে একটি চর জেগেছে। সেই চরে আশেপাশের ভূমিহীন অনেক কৃষক বসতি স্থাপন করে। পাশাপাশি তারা ধান, শাকসবজি ইত্যাদি চাষাবাদে মনোযোগ দেয়। ধান ও শাকসবজির ব্যাপক উৎপাদন দেখে স্থানীয় ভূমিখেকো জহিরুলের মধ্যে অসীম লোভের সঞ্চার হয়। এক সময় সে ভূমিহীন কৃষকদের তাড়িয়ে দিয়ে চরটিকে দখল করে নেয়। এখন কৃষকদের পাশে দাঁড়ায় যুবক সাইফুল কবির। তিনি সবাইকে তার সাথে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলেন। এ বিষয়ে তারাও একমত পোষণ করলেন। তারা বললেন, 'আমাদের সাহস আছে। চলুন, আমরা চর উদ্ধার করব।' অবশেষে সকলে মিলে চর উদ্ধার করল।

Barisal · 2025

'রাজবন্দির জবানবন্দি' কোন জাতীয় রচনা?

উত্তর

প্রবন্ধ
কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার সত্য' বলতে কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'আমার সত্য' বলতে নিজের ভেতরের আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং সত্যনিষ্ঠাকে বুঝিয়েছেন। তাঁর মতে, নিজের আত্মাকে চিনতে পারা, নিজের বিবেক ও নীতিকে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করা এবং কোনো ভয় বা মিথ্যা বিনয়ের কাছে মাথা নত না করাই হলো 'আমার সত্য'। এই আত্ম-উপলব্ধি মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলে এবং তাকে নির্ভীকভাবে সঠিক পথে পরিচালিত করে।
উদ্দীপকের ভূমিহীন কৃষকদের 'সাথে "আমার পথ' প্রবন্ধের বৈসাদৃশ্য দেখাও।

উত্তর

কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার পথ' প্রবন্ধটি মূলত আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং সত্যনিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করে। এটি ব্যক্তির ভেতরের মিথ্যা, ভয় ও পরনির্ভরশীলতা দূর করে আত্মিক মুক্তি ও স্বাবলম্বন অর্জনের একটি দার্শনিক ও আদর্শিক আহ্বান। প্রবন্ধটি আত্মাকে চেনা এবং নিজের সত্যকে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করার কথা বলে, যা মূলত একটি মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ। অন্যদিকে, উদ্দীপকের ভূমিহীন কৃষকদের সংগ্রামটি প্রধানত বাহ্যিক ও আর্থ-সামাজিক। তারা ভূমিখেকো জহিরুলের দ্বারা বাস্তুচ্যুত হয়ে তাদের হারানো জমি পুনরুদ্ধারের জন্য সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের এই সংগ্রাম একটি সুনির্দিষ্ট সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে শারীরিক ও সম্মিলিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের বাস্তব উদাহরণ। সুতরাং, 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল প্রতিপাদ্য যেখানে আত্মিক ও আদর্শিক মুক্তি এবং আত্মনির্ভরশীলতার উপর জোর দেয়, সেখানে উদ্দীপকের কৃষকদের সংগ্রামটি একটি বাস্তব সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সম্মিলিত বাহ্যিক প্রতিরোধের চিত্র তুলে ধরে। প্রবন্ধটি যেখানে আত্ম-অনুসন্ধান ও অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের কথা বলে, কৃষকদের ঘটনা সেখানে বাহ্যিক প্রতিকূলতা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধতার গুরুত্বকে প্রকাশ করে। এটিই প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের মধ্যে প্রধান বৈসাদৃশ্য।
"আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে"- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিচার কর।

উত্তর

“আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে” – উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার পথ' প্রবন্ধের একটি মূল প্রতিপাদ্য বিষয় এবং উদ্দীপকের ঘটনার সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস ও সত্যনিষ্ঠার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নিজেকে চিনতে পারলে, নিজের ভেতরের সত্যকে উপলব্ধি করতে পারলে মানুষের মনে আপনা-আপনি এক বিশাল শক্তি ও সাহস আসে। এই আত্ম-উপলব্ধি মানুষকে পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলে। লেখক পরাধীনতার মূল কারণ হিসেবে আত্মবিশ্বাসের অভাব ও পরাবলম্বনকে চিহ্নিত করেছেন এবং আত্মাকে চেনার মাধ্যমেই প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে বলে বিশ্বাস করেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, ভূমিহীন কৃষকরা প্রথমে ভূমিখেকো জহিরুলের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। কিন্তু যুবক সাইফুল কবিরের আহ্বানে তারা সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের এই সিদ্ধান্ত, “আমাদের সাহস আছে। চলুন, আমরা চর উদ্ধার করব” – উক্তিটি তাদের আত্মাকে চেনা এবং নিজেদের সম্মিলিত শক্তির উপর বিশ্বাস স্থাপনেরই প্রমাণ। তারা অন্যের উপর নির্ভর না করে নিজেদের সাহস ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে চর পুনরুদ্ধার করে, যা তাদের আত্মনির্ভরশীলতারই বহিঃপ্রকাশ। সুতরাং, উদ্দীপকের কৃষকদের নিজেদের শক্তি ও সাহসকে উপলব্ধি করে সম্মিলিতভাবে অধিকার আদায়ের ঘটনা এবং 'আমার পথ' প্রবন্ধের আত্মাকে চেনা ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান – উভয়ই একই সত্যকে তুলে ধরে। আত্মাকে চিনলে যে আত্মনির্ভরতা আসে এবং এর মাধ্যমেই যে যেকোনো প্রতিকূলতা জয় করা সম্ভব, এই মন্তব্যটি উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে যথার্থভাবে প্রমাণিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্রহ্মপূত্র নদের বুকে একটি চর জেগেছে। সেই চরে আশেপাশের ভূমিহীন অনেক কৃষক বসতি স্থাপন করে। পাশাপাশি তারা ধান, শাকসবজি ইত্যাদি চাষাবাদে মনোযোগ দেয়। ধান ও শাকসবজির ব্যাপক উৎপাদন দেখে স্থানীয় ভূমিখেকো জহিরুলের মধ্যে অসীম লোভের সঞ্চার হয়। এক সময় সে ভূমিহীন কৃষকদের তাড়িয়ে দিয়ে চরটিকে দখল করে নেয়। এখন কৃষকদের পাশে দাঁড়ায় যুবক সাইফুল কবির। তিনি সবাইকে তার সাথে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলেন। এ বিষয়ে তারাও একমত পোষণ করলেন। তারা বললেন, 'আমাদের সাহস আছে। চলুন, আমরা চর উদ্ধার করব।' অবশেষে সকলে মিলে চর উদ্ধার করল।

Barisal · 2025

'রাজবন্দির জবানবন্দি' কোন জাতীয় রচনা?

উত্তর

প্রবন্ধ
কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার সত্য' বলতে কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর

কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার পথ' প্রবন্ধে 'আমার সত্য' বলতে নিজের ভেতরের আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং সত্যনিষ্ঠাকে বুঝিয়েছেন। তাঁর মতে, নিজের আত্মাকে চিনতে পারা, নিজের বিবেক ও নীতিকে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করা এবং কোনো ভয় বা মিথ্যা বিনয়ের কাছে মাথা নত না করাই হলো 'আমার সত্য'। এই আত্ম-উপলব্ধি মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলে এবং তাকে নির্ভীকভাবে সঠিক পথে পরিচালিত করে।
উদ্দীপকের ভূমিহীন কৃষকদের 'সাথে "আমার পথ' প্রবন্ধের বৈসাদৃশ্য দেখাও।

উত্তর

কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার পথ' প্রবন্ধটি মূলত আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস এবং সত্যনিষ্ঠার উপর গুরুত্বারোপ করে। এটি ব্যক্তির ভেতরের মিথ্যা, ভয় ও পরনির্ভরশীলতা দূর করে আত্মিক মুক্তি ও স্বাবলম্বন অর্জনের একটি দার্শনিক ও আদর্শিক আহ্বান। প্রবন্ধটি আত্মাকে চেনা এবং নিজের সত্যকে পথপ্রদর্শক হিসেবে গ্রহণ করার কথা বলে, যা মূলত একটি মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ। অন্যদিকে, উদ্দীপকের ভূমিহীন কৃষকদের সংগ্রামটি প্রধানত বাহ্যিক ও আর্থ-সামাজিক। তারা ভূমিখেকো জহিরুলের দ্বারা বাস্তুচ্যুত হয়ে তাদের হারানো জমি পুনরুদ্ধারের জন্য সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের এই সংগ্রাম একটি সুনির্দিষ্ট সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে শারীরিক ও সম্মিলিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অধিকার আদায়ের বাস্তব উদাহরণ। সুতরাং, 'আমার পথ' প্রবন্ধের মূল প্রতিপাদ্য যেখানে আত্মিক ও আদর্শিক মুক্তি এবং আত্মনির্ভরশীলতার উপর জোর দেয়, সেখানে উদ্দীপকের কৃষকদের সংগ্রামটি একটি বাস্তব সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সম্মিলিত বাহ্যিক প্রতিরোধের চিত্র তুলে ধরে। প্রবন্ধটি যেখানে আত্ম-অনুসন্ধান ও অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের কথা বলে, কৃষকদের ঘটনা সেখানে বাহ্যিক প্রতিকূলতা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধতার গুরুত্বকে প্রকাশ করে। এটিই প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের মধ্যে প্রধান বৈসাদৃশ্য।
"আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে"- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিচার কর।

উত্তর

“আত্মাকে চিনলে আত্মনির্ভরতা আসে” – উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'আমার পথ' প্রবন্ধের একটি মূল প্রতিপাদ্য বিষয় এবং উদ্দীপকের ঘটনার সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। 'আমার পথ' প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম আত্মোপলব্ধি, আত্মবিশ্বাস ও সত্যনিষ্ঠার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নিজেকে চিনতে পারলে, নিজের ভেতরের সত্যকে উপলব্ধি করতে পারলে মানুষের মনে আপনা-আপনি এক বিশাল শক্তি ও সাহস আসে। এই আত্ম-উপলব্ধি মানুষকে পরনির্ভরশীলতা থেকে মুক্ত করে এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলে। লেখক পরাধীনতার মূল কারণ হিসেবে আত্মবিশ্বাসের অভাব ও পরাবলম্বনকে চিহ্নিত করেছেন এবং আত্মাকে চেনার মাধ্যমেই প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে বলে বিশ্বাস করেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, ভূমিহীন কৃষকরা প্রথমে ভূমিখেকো জহিরুলের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। কিন্তু যুবক সাইফুল কবিরের আহ্বানে তারা সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের এই সিদ্ধান্ত, “আমাদের সাহস আছে। চলুন, আমরা চর উদ্ধার করব” – উক্তিটি তাদের আত্মাকে চেনা এবং নিজেদের সম্মিলিত শক্তির উপর বিশ্বাস স্থাপনেরই প্রমাণ। তারা অন্যের উপর নির্ভর না করে নিজেদের সাহস ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে চর পুনরুদ্ধার করে, যা তাদের আত্মনির্ভরশীলতারই বহিঃপ্রকাশ। সুতরাং, উদ্দীপকের কৃষকদের নিজেদের শক্তি ও সাহসকে উপলব্ধি করে সম্মিলিতভাবে অধিকার আদায়ের ঘটনা এবং 'আমার পথ' প্রবন্ধের আত্মাকে চেনা ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান – উভয়ই একই সত্যকে তুলে ধরে। আত্মাকে চিনলে যে আত্মনির্ভরতা আসে এবং এর মাধ্যমেই যে যেকোনো প্রতিকূলতা জয় করা সম্ভব, এই মন্তব্যটি উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে যথার্থভাবে প্রমাণিত হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সমাজে অনেক মানুষই পাওয়া যায়, যারা সর্বদা মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। জীবনে কী পেয়েছেন আর কী পাবেন তা নিয়ে কোনো ভাবনা তাদের থাকে না। এমনকি যারা তাদের ক্ষতি' করে তাদেরও কল্যাণ কামনা করেন তারা। দান নয় বরং মানুষকে স্বাবলম্বী করাই তাদের লক্ষ্য।

Barisal · 2025

কালের বিবর্তনে আমরা এখন কীসের অংশ?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
'সর্বজীবে হিত'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের চেতনাগত সাদৃশ্য নিরূপণ কর।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
"উদ্দীপকটির মূলভার 'মানব-কল্যাশ' প্রবন্ধে আলোচিত প্রকৃত মানবকল্যাণকেই নির্দেশ করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সমাজে অনেক মানুষই পাওয়া যায়, যারা সর্বদা মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। জীবনে কী পেয়েছেন আর কী পাবেন তা নিয়ে কোনো ভাবনা তাদের থাকে না। এমনকি যারা তাদের ক্ষতি' করে তাদেরও কল্যাণ কামনা করেন তারা। দান নয় বরং মানুষকে স্বাবলম্বী করাই তাদের লক্ষ্য।

Barisal · 2025

কালের বিবর্তনে আমরা এখন কীসের অংশ?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
'সর্বজীবে হিত'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের চেতনাগত সাদৃশ্য নিরূপণ কর।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
"উদ্দীপকটির মূলভার 'মানব-কল্যাশ' প্রবন্ধে আলোচিত প্রকৃত মানবকল্যাণকেই নির্দেশ করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সমাজে অনেক মানুষই পাওয়া যায়, যারা সর্বদা মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। জীবনে কী পেয়েছেন আর কী পাবেন তা নিয়ে কোনো ভাবনা তাদের থাকে না। এমনকি যারা তাদের ক্ষতি' করে তাদেরও কল্যাণ কামনা করেন তারা। দান নয় বরং মানুষকে স্বাবলম্বী করাই তাদের লক্ষ্য।

Barisal · 2025

কালের বিবর্তনে আমরা এখন কীসের অংশ?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
'সর্বজীবে হিত'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের চেতনাগত সাদৃশ্য নিরূপণ কর।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
"উদ্দীপকটির মূলভার 'মানব-কল্যাশ' প্রবন্ধে আলোচিত প্রকৃত মানবকল্যাণকেই নির্দেশ করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

সমাজে অনেক মানুষই পাওয়া যায়, যারা সর্বদা মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। জীবনে কী পেয়েছেন আর কী পাবেন তা নিয়ে কোনো ভাবনা তাদের থাকে না। এমনকি যারা তাদের ক্ষতি' করে তাদেরও কল্যাণ কামনা করেন তারা। দান নয় বরং মানুষকে স্বাবলম্বী করাই তাদের লক্ষ্য।

Barisal · 2025

কালের বিবর্তনে আমরা এখন কীসের অংশ?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
'সর্বজীবে হিত'- কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
উদ্দীপকের সাথে 'মানব-কল্যাণ' প্রবন্ধের চেতনাগত সাদৃশ্য নিরূপণ কর।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।
"উদ্দীপকটির মূলভার 'মানব-কল্যাশ' প্রবন্ধে আলোচিত প্রকৃত মানবকল্যাণকেই নির্দেশ করে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার।

উত্তর

সিলেবাস বহির্ভূত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো